Guess Who: ৩ বোনের দুজন বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ! বড় দিদির সদ্য বিয়ে ভেঙেছে, চিনলেন?
সেই সোনালি দিনগুলো যেন চোখের পলকেই পেরিয়ে গেল। গতকালও যারা পুতুলখেলা আর সামান্য ঝগড়া নিয়ে মেতে থাকত, আজ তাদের কাঁধে সংসারের হাজারো দায়িত্ব! ছবির এই তিন কন্যেকে চিনতে পারছেন?
ঝাপসা ছবি, কিন্তু রঙিন স্মৃতি। মেয়েবেলার ছবি শেয়ার করেছেন বাংলা টেলিভিশনের মিষ্টি অভিনেত্রী। বড় দিদিদের সঙ্গে তাঁর এক টুকরো শৈশব। সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ড মেনে তখনকার এবং এখনকার ছবি মিলিয়ে রিল ভিডিয়ো।

পুরোনো ছবিতে নীল রঙের ফ্রকে যে দুষ্টু বাচ্চাকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, তিনি আজ বাংলা টেলিভিশনের চেনা মুখ। দিদির দেখানো পথে হেঁটেই অভিনয়ের জগতে পা রাখে এই খুদে। সাদা টপ, গোলাপি স্কার্টে কিশোরি তো দীর্ঘদিন ধরেই নেতিবাচক চরিত্রে দর্শকদের মনোরঞ্জন করে চলেছেন। সদ্যই দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন তিনি। এক বছরের ছেলে কোলে বিচ্ছেদের খবরও জানিয়েছেন।
এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গিয়েছেন, এই ছবি আর কারুর নয় বরং টেলি অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্তর। যাঁকে এই মুহূর্তে তারে ধরি ধরি মনে করি এবং গঙ্গা ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছ। নীল রঙা ফ্রক পরা খুদে মানসীর ছোট বোন, অভিনেত্রী রাইমা সেনগুপ্ত। মাঝের জন, মানসীর মেজো বোন মোনালিসা সেনগুপ্ত। লাইমলাইট থেকে দূরে থাকতেই ভালোবাসেন মোনালিসা। দুই বোনের সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ঝলক দেখা গেলেও, নিজের প্রোফাইল তালাচাবি বন্ধ করে রেখেছেন মোনালিসা।

গত মাসেই ছেলে অধ্য়ায়ের এক বছরের জন্মদিন সেলিব্রেট করেছেন মানসী। একইসঙ্গে জানিয়েছেন, তিনি এবং তাঁর স্বামী আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের এক বছরের মধ্যেই কেন এই সিদ্ধান্ত? তা স্পষ্ট করেননি মানসী। তবে জানিয়েছেন, পারস্পরিক সম্মান বজায় রয়েছে দুজনের। দুই সন্তানের দায়িত্ব যৌথভাবেই পালন করবেন তাঁরা। তিনি সিঙ্গল মম নন।
শুধু স্বামী-স্ত্রী হিসাবে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। মানসীর বর অভিজিৎ ক্যামেরার সামনে বিশেষ আসতে চান না। সেই নিয়ে দাম্পত্যজীবন কম প্রশ্নের মুখে পড়েননি মানসী। অবশেষে আলাদা হয়েছে পথ। ডিভোর্স ফাইল করেছেন, তবে এখনও তাতে আদালতের সিলমোহর পড়েনি।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


