‘মানুষ যখন প্রেমে পড়ে…’! নন্দিনীর চলে যাওয়ার বিগ বস বাংলার ঘরে রাজবীরের কান্না, কী বলছেন রাজা গোস্বামী?
রাজবীরের ‘নরম মন’ সামনে আসে, তাঁর ভালোবাসার মানুষ নন্দিনী বিগ বস বাংলার ঘরকে বিদায় জানাতেই। যদিও নন্দিনী এখন সিক্রেট রুমে, তবে তা জানেন না রাজবীর। কী বলছেন টলিপাড়ার আরেক নায়ক রাজবীর দে?
বিগ বস বাংলা-র রবিবারের এপিসোড দেখে রীতিমতো চোখে জল আসে দর্শকদের। বিশেষ করে নন্দিনী দত্ত যখন বিগ বসের ঘরকে বিদায় জানিয়ে সদর দরজা দিয়ে বেরিয়ে আসেন, তখন রাজবীরকে কেঁদে ভাসাতে দেখা যায়। বিগ বস বাংলায় পা রাখার পর থেকেই রাজবীর খবরে। কখনো ঝগড়া করছেন, মারামারি করছেন, রেগে গিয়ে খাবার ফেলে দিচ্ছেন, বয়সে বড়দের ‘গোরু-ছাগল’ বলে গালাগালিও করছেন। তবে সেই রাজবীরের ‘নরম মন’ সামনে আসে, তাঁর ভালোবাসার মানুষ নন্দিনী বিগ বস বাংলার ঘরকে বিদায় জানাতেই। যদিও নন্দিনী এখন সিক্রেট রুমে, তবে তা জানেন না রাজবীর।

এদিকে রাজবীরের এই কান্নায় ভেঙে পড়া, জিতে নেয় দর্শকদের মন। রাতেই রাজবীরকে নিয়ে লম্বা পোস্ট করেছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। এবার রাজবীরকে নিয়ে ভিডিয়ো বানালেন টলিপাড়ার খ্যাতনামা মুখ রাজা গোস্বামী।
রাজা একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন রাজবীরকে নিয়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘ভাই তুমি আমাদের মন জিতে নিয়েছ। কালকের এপিসোডটা আমি দেখলাম, ফ্যাসিনেটিং। রাজবীরের কথা বলছি। ট্রু লাভ। ও ট্রফি পাবে, জিতবে কি জিতবে না আমি জানি না, কিন্তু মন জিতে নিয়েছে। তুমি আমাদের সকলের মন জিতে নিয়েছ। মানুষ যখন প্রেমে পড়ে, ভালোবাসায় পড়ে, কাওকে ভালোবাসে তখন তাঁর এক্সপ্রেশন এরকমই হয়। অত ক্যালকুলেটিভ হতে পারে না। সেটাই কালকের এপিসোডে দেখলাম। দারুণ ইমোশনাল এপিসোড ছিল।’
‘বেশ টুইস্ট নন্দিনীর সিক্রেট রুম যাওয়া। এই টুইস্টটা দারুণ ছিল। রাজবীর বেচারা তো বুঝতে পারছে না, নন্দিনী ঘরের ভিতরেই আছে। লুকিয়ে লুকিয়ে সব দেখবে। সবার শেষে আবার বলব, আই লাভ ইউ ব্রাদার।’, আরও বলেন রাজা।
প্রসঙ্গত, বিগ বস বাংলার সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে যারা বিগ বসের ঘর থেকে এর আগে এলিমিনেট হয়েছেন, অর্থাৎ দীপেন্দু, ভরত থেকে শুরু করে শুরু করে সোহিনী পাল, সকলেই মন্তব্য করেছিলেন বিগ বসের খেলার জন্য সম্পর্কের ‘মিথ্যে গল্প’ ফেঁদেছেন। তবে রবিবারের এপিসোডের পর, অনেকেই রাজবীর-নন্দিনীর ভালোবাসাকে ‘ট্রু লাভ’ বলে বর্ণনা করেছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


