Bigg Boss Bangla: লাইট অফ হতেই অন্ধকারে বিছানায় কম্বলের তলায় নন্দিনী-রাজবীরের জড়াজড়ি! খুনসুটি কে আগে ছুঁয়েছে তা নিয়ে
বিগ বস বাংলার ঘরে নন্দিনী ও রাজবীরের রোম্যান্স ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে। সোমবার রাতেও ঘরের লাইট অফ হতেই বিছানায় খুনশুটি করতে দেখা যায় দুজনকে। এমনকী, নন্দিনীকে জড়িয়ে ধরে শুয়েও ছিলেন রাজবীর।
সোমবার বিগ বস বাংলা এলিমিনেশন পর্ব ছিল। যেখানে দেখা যায় যে ঘর অপরিষ্কার রাখা, ইংরেজিতে কথা বলা, দিনের বেলা ঘুমনো-সহ বেশ কিছু নিয়ম পালন না করার কারণে ঘরের সব সদস্যদের নমিনেট করেন বিগ বস। শুধু সদ্য পা রাখা জীতু কমল বাদ যান এই শাস্তি থেকে। এরপর নিজের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে বাঁচান রাজবীরকে। এরপর বিগ বস ঘরের সকলকে জুটিতে ভাগ করে দেন। একজন বেঁচে যাবে নমিনেশন থেকে। আরেকজন থাকবে নমিনেশনেই।

কোন ৭ জন গেলেন নমিনেশনে?
প্রথম জুটি ছিল দীপেন্দু আর ঝিলম। এরমধ্যে নমিনেশনে থেকে যান দীপেন্দু। এবাবেই সোনামণি ও মনামি-র মধ্যে থেকে সেফ হন সোনামণি, ভরত ও দুর্নিবারের মধ্যে ‘বলির বখরা’ হতে হয় দুর্নিবারকে। নন্দিনী সায়ককে রাজি করান নমিনেশনে থেকে যেতে, ও তাঁকে বাঁচাতে। এদিকে, কিছুতেই একে-অপরকে রাজি করাতে পারেন না আলেকজান্দ্রা আর সৃজলা। তাঅ দুজনকেই যেতে হয় নিমিনেশনে। অন্য দিকে তনুশ্রীকে বাঁচিয়ে নমিনেশনে চলে যান নিরঞ্জন।
রাজবীর-নন্দিনীর রোম্যান্স
তবে এদিনের এপিসোডের হাইলাইট ছিল রাজবীর আর সৃজলার ঝামেলা, আর লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর খাটে পাশাপাশি শুয়ে নন্দিনী ও রাজবীরের রোম্যান্স। এমনিতেই রাজবীরকে ফ্লার্ট করতে দেখা গিয়েছে নন্দিনীর সঙ্গে শুরু থেকেই। অভিনেত্রীও বেশ পজেসিভ রাজবীরকে নিয়ে। এমনকী, রাজবীর-সৃজলার সঙ্গে কথা বললেই, নন্দিনীকে গোসা করতেও দেখা গিয়েছে। এমনকী, রাতে সায়ক ও রাজবীরের একই বিছানায় শোওয়া নিয়েও টোন কাটতে দেখা গিয়েছিল নন্দিনীকে।
একই বিছানায় রাজবীর-নন্দিনী
বিছানায় গায়ে গা ঘেঁষেই শুয়ে ছিলেন রাজবীর ও নন্দিনী। ফিসফিস করে কথা বললেও, পুরো ঘরের নজর ছিল তাঁদের দিকে। এমনকী, সোনামণিকে বেশ কয়েকবার বিছানা থেকে মাথা তুলে দেখতেও দেখা যায়। দেখা যায় নন্দিনীকে জড়িয়ে শুয়ে আছেন রাজবীর। এরপর নন্দিনী পাশ ফিরে রাজবীরের মুখোমুখি হন।
বলেন, ‘তোমার আমার যে ইক্যুয়েশন, তা বন্ধুত্ব হোক বা যা কিছু, আমি চাই না তুমি বাইরে ওটা দেখাও। আর আমদের এখানে বড়দের সামনে এভাবে গায়ে হাত দিয়ে ইয়ার্কি মারাটা শোভনীয় দেখায় না’। এতে রাজবীর বলেন, ‘আমি কোথায় আগে করেছি। কে টাচি টাচি হওয়া আগে শুরু করেছে, কালকেও তো তুমিই এসেছিলে…’! এতে নন্দিনী আবার বলেন, ‘আমি তো বলছি না কোরো না, শুধু বলছি বড়দের সামনে কোরো না।’
একথা শুনে রাজবীর বেশ বিরক্ত হন। বলে ওঠেন, ‘বড় কেউ নেই, এখানে সবাই প্রতিযোগী। তুমি যাও নিজের ইমেজ রাখো।’ এরপর দুজনকে খুনশুটি করতে দেখা যায়। রাজবীর রাগ দেখিয়ে নন্দিনীর পায়ের কাছে গিয়ে মাথা দেয়। আর তাকে লাথি মেরে খাট থেকেই ফেলে দেয় নন্দিনী।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


