Bigg Boss Bangla-Sourav: বিগ বসে সৌরভের ‘হিপোক্রিসি’ নিয়ে কটাক্ষ রাণার! রাজবীরের প্রশংসা করে বিপাকে দাদা
বিগ বস বাংলা-র হোস্ট হিসেবে একদম একদম নতুন অবতারে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এসেছে দর্শকদের সামনে। তবে এবারে যেন দাদাগিরি-র সেই জলওয়া মিসিং, অন্তত নেটপাড়ার বড় একটা অংশের সেটাই মত। সেই আগুণেই ঘি দিলেন টলিপাড়ার প্রযোজক রাণা সরকার।
শুরু থেকেই চর্চায় বিগ বস বাংলা-র তৃতীয় সিজন। দ্বিতীয় সিজনের ১০ বছর পর, তৃতীয় সিজন আসে। সঙ্গে টলিপাড়ার সবচেয়ে চর্চিত মুখেরা বন্দি হয়েছেন বিগ বসের ঘরে। ফলে এই বিতর্কিত রিয়েলিটি শো নিয়ে উত্তেজিত ঘরের বাইরে থাকা তারকারাও। কখনো প্রতিযোগীদের সমর্থনে তাঁরা গলা ফাটাচ্ছেন, তো কখনো আবার নিন্দে-সমালোচনা। তবে এবার কটাক্ষের তীরে শো-এর সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রযোজক রাণা সরকার তো ভারতের প্রাক্তন অধিনায়কের ‘হিপোক্রেসি’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

রাণা ফেসবুকে লেখেন, ‘সৌরভ গাঙ্গুলি, বাংলার দাদা, তিনি প্রতিযোগীদের নির্দেশ দিচ্ছেন বাংলায় কথা বলতে ইংরেজি না বলতে, কারণ এটা বাংলার শো। কিন্তু তিনি নিজেই অনর্গল ইংরেজিতে কথা বলে যাচ্ছেন। এটাকে কি হিপোক্রেসি বলব? নাকি দাদা'র বাংলা বলতে অসুবিধা? নাকি শুধু প্রতিযোগীদের এই নিয়ম মানতে হবে? কেউ জানেন কি?’
রাণা-র এই পোস্টে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘আমার বাংলাটা ঠিক আসে না-র সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল দাদা’। আরেকজন সৌরভকে ট্রোল করে লেখেন, ‘এই ব্যাপারটা ঠিক শালবনীর ফ্যাক্টরি গড়ার কথা ঘোষণার মতো, বলবে কিন্তু করবে না।’
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপাস্থাপনা নিয়েও চলছে ক্রমাগত সমালোচনা। বিশেষ করে শনিবারের এপিসোডে সৌরভের মুখে রাজবীর-এর ‘প্রশংসা’ শুনে। যাতে দাদা-র কথার সাথেসাথে বিরোধিতা করেন ভরত কল-ও। তিনি স্পষ্ট জানান যে, যদি বিগ বস খেলার যোগ্যতার মাপকাঠি রাজবীর হয়, তাহলে তিনি শো থেকে বেরিয়ে যেতে প্রস্তুত।
সেই প্রসঙ্গ টেনেই রাণা-র এই পোস্টে একটি কমেন্ট পড়ে, ‘সৌরভ উপস্থাপক হিসেবে ক্রমাগত ইংরেজিতে কথা বলেন। রাজভীর/বীরের চূড়ান্ত অসভ্যতামিটাকে প্রমোট করে বলছে, 'He is a gamechanger!' মানে, সিনিয়রদের নাম ধরে ডাকা, আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা ফুটবলারকে 'ভেড়া' বলা, প্রতিটা কথায় অসভ্যতা করাটাকে প্রমোট করছে শো'টা! হিন্দি বিগবসে সলমন খান অন্তত এই ধরনের প্রতিযোগীদের কড়া ভাবে বুঝিয়ে দেয়! অথচ, এখানে সৌরভ এই অসভ্যতাটাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে!’
আরেকটি কমেন্টে লেখা, ‘সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল রাজবীর নামে ছেলেটা প্রথম দিন এসে বিগ বসে লাইভে বলেছিল কলকাতার মানুষরা ব্রেইনলেস (এপিসোডে কেটে দিয়েছিল)। সেখান দাদাও পড়ে। অথচ শুধুমাত্র চ্যানেলের জন্য ওই নোংরামি আর অসভ্যতামিকে বাহবা দিলেন গেম স্ট্র্যাটেজি বলে। আর যারা ক্রিয়েটিভ কিছু করছে তাদের কথা শোনালেন। মাইন্ড গেম খেলুক কিন্তু নোংরামি করে নয়। এটা না করলে বাঙালি দর্শক কমবে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


