শ্য়ামৌপ্তির সঙ্গে ছাড়াছাড়ি, অভিকাকে নিয়ে উদ্দাম নাচ! চর্চা বাড়তেই রণজয় লিখলেন, ‘মানুষ যদি একবার জেনে যায়…’
আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ার নজরে রণজয় বিষ্ণু। বলা ভালো, পান থেকে চুন খসলেই তাঁকে নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। কদিন আগে এক জন্মদিনের পার্টিতে তাঁর আর অভিকার নাচ দেখে চোখ কপালে উঠেছিল নেটপাড়ার। হয়েছিল বিতর্ক। প্রতিজ্ঞা অভিনেতা কি তারই জবাব দিলেন?
এমনিতেই শ্য়ামৌপ্তি মুদলির সঙ্গে বিয়ের মাত্র ৫ মাসে ডিভোর্সের কারণে চর্চায় ছিলেন রণজয় বিষ্ণু। এরইমাঝে প্রতিজ্ঞা নায়িকা অভিকা মালাকারের জন্মদিনে তাঁদের নাচ ঝড় তোলে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এরইমাঝে ফের একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ইঙ্গিতবাহী ক্যাপশন লিখলেন অভিনেতা। মোটামুটি তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের খবর সামনে আসার পর, এবং ‘চরিত্র’ নিয়ে কাঁটাছেড়া শুরুর পর থেকেই এই ধরনের ক্য়াপশনের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে নেটপাড়ার। এবার যেমন অভিনেতা লিখলেন, তিনি যেটুকু চান মানুষ শুধু সেটুকুই জানতে পরে তাঁর ব্যাপারে। বাদবাকিটুকু সকলের থেকে আড়ালেই রাখেন।

রণজয় যে ছবিগুলি শেয়ার করছেন সেগুলো কোনো এক রেস্তোরাঁর ভিতরে তোলা। বেশ আলো-আঁধারি পরিবেশ। অভিনেতার গায়ে ক্রিম রঙের টি-শার্ট আর ডেনিম। আর টি-শার্টের উপর লেখা আছে, ‘আমি যদি তোমার সঙ্গে ফ্ল্যার্ট করি, দয়া করে সহযোগিতা করো।’ নিজেরই বিভিন্ন পোজের ছবি দিয়েছেন। সঙ্গে ক্যাপশন, ‘আমার সম্পর্কে আপনি কেবল সেটুকুই জানেন, যা আমি নিজে প্রকাশ করতে চেয়েছি। আমার বাকি সত্তাটা সুরক্ষিতই থাকে—কারণ মানুষ যদি একবার জেনে যায় যে কোথায় ঠিক আঘাত করলে কষ্ট দেওয়া যায়, তখন তাঁদের খোঁচা দেওয়া আর থামানো যায় না।’
চলতি বছরের ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র দিন বিয়ে করেছিলেন রণজয় আর শ্যামৌপ্তি। প্রেমটাও চলেছিল বছরখানেক। তবে সংসারের মেয়াদ মাস পাঁচেকও নয়। খবর, এপ্রিলেই নাকি রণজয়কে ছেড়ে মা-বাবার কাছে চলে যান নায়িকা। এর পিছনে একাধিক তত্ত্ব খাড়া হয়েছে। কারণ তাঁরা দুজনে কেউই বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে মুখ খোলেননি। রণজয়ের সঙ্গে তাঁর প্রতিজ্ঞা নায়িকা অভিকা মালাকারের নাম জুড়েছে, তেমনই কারও মতে শ্যামৌপ্তির ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে এক ক্যাফের মালিকের সঙ্গে।
আবার একাংশের মতে, আর্থিক বন্টন নিয়েও নাকি মতান্তর তৈরি হয়। এদিকে, রণজয়ের নামে এই অভিযোগ তুলেছিলেন বছরখানেক আগে তাঁর পুরনো প্রেমিকরা। তিনি নাকি, আর্থিক ফায়দা তুলেছেন। এবারেও সেই একই কথা রটেছে শ্যামৌপ্তির ক্ষেত্রে। তবে গোটা ব্যাপারটাতেই তিন চুপ। সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট জানিয়েছেন এই নিয়ে কথা বলতে তাঁর ‘রুচিতে বাধে’। সোশ্যাল মিডিয়ায় না এই নিয়ে কোনো পোস্ট এসেছে তাঁর তরফে। বরং, নিজের কাজ, ফোটোশ্যুট এসব নিয়েই ব্যস্ত শ্যামৌপ্তি।
এদিকে, অভিকার জন্মদিনের পার্টিতে রণজয়ের ক্লোজ ডান্স নিয়ে নতুন করে বিতর্ক। অনেকের মতেই এটা নাকি ‘দৃষ্টিকটু’। বলা ভালো, অনস্ক্রিন কাপলের অফস্ক্রিন কেমিস্ট্রি দেখে রীতিমতো চোখ কপালে ওঠে নেটপাড়ার। সেইসময় অনেকেই ভাইরাল ভিডিয়োতে মন্তব্য করে বসেন. ‘শ্যামৌপ্তি বেঁচে গিয়েছে’!
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


