Ranojoy-Shyamoupti: ‘চলতা ফিরতা গ্রিন ফ্ল্যাগ…’, ফুলপিসির প্রিমিয়ারে বউয়ে মুগ্ধ রণজয়, কী এমন করলেন?

Ranojoy-Shyamoupti: বিয়ের পর শ্য়ামৌপ্তির নতুন শুরু। ছোটপর্দার গণ্ডি পেরিয়ে এবার বিগ স্ক্রিনে রণজয়ের মনের মানুষ। বউয়ের স্পেশ্যাল ডে-তে যা করলেন নায়ক। 

Published on: May 30, 2026, 12:15:33 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

: রিল লাইফ থেকে রিয়েল লাইফ— রণজয় বিষ্ণু এবং শ্যামৌপ্তি মুদলির রসায়ন টলিপাড়ার অন্যতম সেরা। প্রেম থেকে পরিণয়, একে অপরের পাশে থাকা কিংবা কেরিয়ারের চড়াই-উতরাইয়ে ভরসা জোগানো— রণজয় যেন বারেবারে নিজেকে একজন আদর্শ জীবনসঙ্গী হিসেবে প্রমাণ করেছেন। এবার বউ শ্যামৌপ্তির প্রথম ছবি ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড-এর প্রিমিয়ারের মঞ্চেও দেখা গেল সেই চেনা ছবি। শুধু বউয়ের পাশে থাকা নয়, প্রিমিয়ারের সন্ধেয় রণজয় যা করলেন, তা দেখে এই মুহূর্তে মুগ্ধ নেটপাড়া। নেটিজেনরা একবাক্যে তাঁকে টলিপাড়ার চলতা ফিরতা গ্রিন ফ্ল্যাগ বা আদর্শ পুরুষ বলে তকমা দিচ্ছেন।

‘চলতা ফিরতা গ্রিন ফ্ল্যাগ…’, ফুলপিসির প্রিমিয়ারে বউয়ে মুগ্ধ রণজয়, কী এমন করলেন?
‘চলতা ফিরতা গ্রিন ফ্ল্যাগ…’, ফুলপিসির প্রিমিয়ারে বউয়ে মুগ্ধ রণজয়, কী এমন করলেন?

মুঠোফোনে ফ্রেমবন্দি শ্বশুরবাড়ির পরিবার

ছোটপর্দার গণ্ডি পেরিয়ে উইন্ডোজ প্রোডাকশনের হাত ধরে বড়পর্দায় পা রাখলেন শ্যামৌপ্তি। জীবনের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে স্বভাবতই আবেগপ্রবণ ছিলেন অভিনেত্রী। আর সেই আনন্দের দিনে হবু বা সদ্য বিবাহিত বউয়ের হাত ধরতে প্রিমিয়ারে হাজির ছিলেন রণজয়। তবে তিনি একা আসেননি, তাঁর সঙ্গে এসেছিলেন শ্যামৌপ্তির মা ও বাবা অর্থাৎ অভিনেতার শ্বশুর-শাশুড়ি।

প্রিমিয়ার হলে ঢুকেই রণজয় নিজেকে কোনো তারকা হিসেবে মেলে ধরেননি। বরং একজন আদর্শ জামাই ও গর্বিত স্বামীর মতো নিজের মুঠোফোনটি বের করে অনবরত ছবি তুলতে শুরু করেন। লাল গালিচায় দাঁড়িয়ে থাকা বউ এবং শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতিটি মুহূর্তের হাসিমুখ নিজের ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি।

নেটপাড়ায় প্রশংসার ঝড়, আসল গ্রিন ফ্ল্যাগ তো ইনিই!

রণজয়ের এই মিষ্টি আচরণের ভিডিও ও ছবি সমাজমাধ্যমে আসতেই লাইক ও কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। কোনো অহংকার ছাড়া, লাইমলাইট নিজের দিকে না টেনে সম্পূর্ণভাবে বউ এবং তাঁর পরিবারকে উৎসর্গ করার এই মানসিকতাকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন নেটিজেনরা। ভক্তদের একাংশ কমেন্ট সেকশনে লিখেছেন, রণজয় যেভাবে পর্দার পেছনের মানুষ হয়ে পুরো পরিবারকে আগলে রাখছেন, তা সত্যিই শিক্ষণীয়। ওঁর মতো জীবনসঙ্গী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। ওটিই হলো আসল গ্রিন ফ্ল্যাগ। ইন্ডাস্ট্রিতে সিনিয়র রণজয় বউয়ের প্রশংসা করে বলেন, ‘ধরে নিন ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই, আমি অডিয়েন্স হিসাবে বলছি ওহ এই ছবিতে দারুণ কাজ করেছে’।

এদিন টুকটুকে লাল শাড়িতে পাওয়া গেল শ্যামৌপ্তি। বিয়ের সাজের সঙ্গে অদ্ভূত মিল তাঁর জীবনের এই নতুন ইনিংস শুরুর দিনে। লাল সুতোর কাজ করা সাদা পাঞ্জাবিতে হাজির রণজয়।

ভালোবাসার নতুন নজির

বিয়ের পর সাধারণত তারকাদের নিজেদের পেশাদারী জগত নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। কিন্তু রণজয় প্রমাণ করে দিলেন, পার্টনারের সাফল্যে আনন্দ পাওয়া এবং তাঁর পরিবারকে নিজের করে নেওয়ার মধ্যেই আসল ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে। ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড ছবির হাত ধরে বড়পর্দায় শ্যামৌপ্তির এই রাজকীয় যাত্রার দিনে রণজয়ের এই ছোট ছোট মিষ্টি প্রয়াস যে ছবির সাফল্যের পাশাপাশি তাঁদের সম্পর্কের রসায়নকে আরও মজবুত করল, তা বলাই বাহুল্য।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More