‘মিথ্যার প্রয়োজন…’! শ্যামৌপ্তির সঙ্গে ডিভোর্স-চর্চা, ইঙ্গিতবাহী পোস্ট রণজয়ের
২০২৬ সালে প্রেম দিবসের দিন ভালোবেসে একে-অপরের হাত ধরেছিলেন রণজয় ও শ্যামৌপ্তি। শুরু করেছিলেন নতুন জীবন। তবে মাত্র ৫ মাসেই সম্পর্কে ইতি পড়ার খবর আসছে।
এর আগেও রণজয় বিষ্ণুর নামে অভিযোগের পাহাড় খাড়া করেছিলেন তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকারা। তা অবশ্য শ্যামৌপ্তি মুদলির সঙ্গে তাঁর বিয়ের আগের কথা। তবে সেসব বিতর্কে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই নতুন জীবন শুরু করেছিলেন নায়ক। ভ্য়ালেন্টাইন্স ডে-র দিন সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন তাঁরা। আইনি বিয়েটা অবশ্য আগেই হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সাংসারিক সুখ বেশিদিন স্থায়ী হল না। খবর রয়েছে, দুজনের ছাদ আলাদা হয়েছে বেশ কিছু মাস আগেই। এপ্রিল-মে মাস থেকেই নাকি দুজনে আলাদা আলাদা থাকছেন।

এদিকে, রণজয় আর শ্য়ামৌপ্তির ডিভোর্সের গুঞ্জন ছড়াতেই ফের একবার অভিযোগের তীর ছোটে রণজয়ের দিকে। প্রথমে তাঁর নাম জড়ানো হয় তাঁর ‘প্রতিজ্ঞা’ ধারাবাহিকের নায়িকা অভিকা মালাকারের সঙ্গে। এরপর রণজয়ের নামে যে অভিযোগগুলি ওঠে তা মারাত্মক। যদিও সবটাই রটনা, অন্তত শ্যামৌপ্তি সরাসরি সংবাদমাধ্যমের কাছে এই নিয়ে মুখ খোলেননি। জানা যায়, মূলত অর্থনৈতিক কারণেই নাকি ভাঙন শুরু। বিয়ের খরচ ও অন্যান্য আর্থিক লেনদেন রয়েছে এর পিছনে। সঙ্গে রণজয়ের পরিবারের দিকে ওঠে আঙুল। এমনকী, এমনও এক সংবাদমাধ্যমের তরফে দাবি করা হয় যে, শ্য়ামৌপ্তি বড় পর্দায় ব্রেক পাওয়ার পর তা নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করেন রণজয়।
ইতিমধ্যেই একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন রণজয়। যেখানে প্রায় হাত জোর করে প্রার্থনা করেছেন এই মুহূর্তে তাঁকে বা শ্য়ামৌপ্তিকে নিয়ে চলা এই চর্চা বন্ধে। সঙ্গে একটু গোপনীয়তাও চেয়ে নেন। যদিও অভিনেতার একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া স্টোরি কা পোস্টের ক্যাপশন দেখলে মনে হতেই পারে, তাঁর উপর যে অভিযোগগুলি লেগেছে, তা যেন শান্তি দিচ্ছে না তাঁকে।
এবার যেমন নিজের আদুর গায়ের কিছু ছবি শেয়ার করে রণজয় লিখলেন, ‘সত্য হল অনাবৃত শরীরের মতো— লুকানোর কিছু নেই, প্রমাণ করারও কিছু নেই। মিথ্যার প্রয়োজন হয় নানা আবরণের... সত্যের কোনো আবরণের দরকার নেই। সে অনাবৃত হয়েই দাঁড়ায়, নিজেই নিজের পরিচয় দেয়, বিশ্বাস করানোর কোনো তাগিদ রাখে না... আর নিজেকে সবার সামনে মেলে ধরে।’
দেখা গেল এই পোস্টের কমেন্টে সেকশনেও অনেকেই রণজয়কে পরমার্শ দিচ্ছেন শান্ত থাকার, নিজেকে ভালো রাখার। একজন লিখেছেন, ‘প্রথমে আপনার কাছের মানুষদের ক্ষমা করার চেষ্টা করুন, এতে আপনি ভালো বোধ করবেন! কে সঠিক আর কে ভুল—তা বিচার করার অধিকার আমাদের নেই; ঈশ্বরই তা নির্ধারণ করবেন।’ আরেকজন লেখেন, ‘মাঝে মাঝে ছাড়তে হয় বুঝলে তো দাদা’। আরেকজন আবার লিখলেন, ‘অবশ্যই। সত্য সর্বদা তার পথ খুঁজে নেয় এবং সেই পথটি সবসময়ই সোজা ও আলোকিত।’
গুড্ডি ধারাবাহিক দিয়েই একে-অপরের কাছাকাছি আসেন রণজয় ও শ্যামৌপ্তি। এরপর তাঁরা লাদাখে একটি মিউজিক ভিডিয়োর একসঙ্গে শ্যুটও করেছিলেন। প্রথমদিকে একে-অপরকে ভালো বন্ধু হিসেবে দাবি করে এলেও, শেষের দিকে এসে সিলমোহর দেন সম্পর্কে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


