বিয়ের ৫ মাসে হওয়া ডিভোর্সে বদনাম! চুপ শ্যামৌপ্তি, ‘আত্মসম্মান’-এর পাঠ দিলেন রণজয়
রণজয় আর শ্য়ামোপ্তির সাজানো সংসার ভাঙে বিয়ের মাসখানেকের মধ্যেই। ডিভোর্সের কারণ নিয়ে খাড়া হয়েছে একাধিক তত্ত্ব। এরইমাঝে রণজয়ের ফের একটি ইঙ্গিতবাহী উসকে দিল বিতর্ক।
প্রেম হোক বা ডিভোর্স, টলিপাড়ায় কোনো কথাই চাপা থাকে না! ঠিক যেমনটা ঘটেছে রণজয় বিষ্ণু আর শ্যামৌপ্তি মুদলির ক্ষেত্রেও। চলতি বছরের ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র দিন ঘটা করে বিয়ে করেছিলেন দুজনে। এমনকী, তাঁদের এই আনন্দের দিনে সামিল হয়েছিলেন টলিউডের বড় বড় তারকারা।

তবে এই বিয়ে ভাঙে মাসখানেকের মধ্যেই। বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় ব্যাপারটা সামনে এলেও, খবর যে কয়েকমাস আগে থেকেই নাকি দুজনের ছাদ আলাদা হয়েছে। এরপর দুই তারকার বিচ্ছেদকে কেন্দ্র করে খাড়া হয় একাধিক তত্ত্ব। শ্যামৌপ্তি ও রণজয়ের মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশের খবর তো রটেই, সঙ্গে কানে আসতে থাকে আর্থিক লেনদেন ও বিয়ের খরচ সংক্রান্ত মতভেদ দুজনের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্বের কারণ। সঙ্গে এটাও শোনা যায়, শ্যামৌপ্তির উর্দ্ধগামী কেরিয়ার নিয়ে রণজয়ের মনে তৈরি হওয়া অহং-ও নাকি রয়েছে এর পিছনে।
যদিও তাঁর নামে ওঠা সব অভিযোগ হাওয়ায় উড়িয়ে দিয়েছেন রণজয়। একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে বরং পালটা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা যেভাবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনকে সামনে এনে কাদা ছোঁড়াছুড়ি করা হচ্ছে। যদিও শ্যামোপ্তি গোটা ব্যাপারটা নিয়েই চুপ। শুধু ইনস্টাগ্রামে করা একটি পোস্ট ছাড়া।
তবে নিজের ‘সততা’, ‘আত্মসম্মান’ নিয়ে একাধিক ইঙ্গিতবাহী পোস্ট আসছে রণজয়ের থেকে। এবার যেমন ‘প্রতিজ্ঞা’ অভিনেতা নিজের কিছু ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আত্মসম্মান অলঙ্ঘনীয়। শান্তি আমার অগ্রাধিকার, নির্জনতা আমার স্বাধীনতা, এবং নিজেকে খুঁজে পাওয়াই আমার পথচলা।’
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে অভিনেত্রী সোহিনী সরকারের বিয়ের পর রণজয়ের একাধিক প্রাক্তন প্রেমিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, প্রেমিকাদের আর্থিক স্বার্থে ব্যবহার করতেন রণজয় এবং তাঁদের টাকায় নিজের খরচ চালাতেন। সায়ন্তনী দাবি করেন, রণজয়ের জামাকাপড় থেকে শুরু করে বিমানের টিকিটের সমস্ত খরচ তাঁর প্রেমিকারা জোগাতেন। এমনকী অভিনেতাকে কটাক্ষ করে ‘বাস্তবের রিকি বহেল’-ও বলেছিলেন।
কাজের সূত্রে, রণজয় বিষ্ণুকে বর্তমানে অভিনেত্রী অভীকা মালাকার-এর সঙ্গে দেখা যাচ্ছে প্রতিজ্ঞাতে। ছোটবেলার হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা নিয়েই এগিয়েছে ছবির গল্প। অন্য দিকে, চলতি বছরেই বড় পর্দায় পা রেখেছেন শ্যামৌপ্তি। তাঁকে দেখা গিয়েছে 'ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড'-এ। যেখানে শ্যামৌপ্তির কাজ বিশেষভাবে প্রশংসা পায়। এর আগে শ্যামপ্তি কাজ করেছিলেন ‘গুড্ডি’-তে। আর এখান থেকেই প্রেম হয়েছিল রণজয়ের সঙ্গে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


