Ranojoy-Shyamoupti Divorce: 'অভিকার সঙ্গে প্রেম করলে কি…', শ্যামৌপ্তির সঙ্গে ৫ মাসেই ডিভোর্স? জবাব রণজয়ের!
Ranojoy-Shyamoupti Divorce: পাঁচ মাসের দাম্পত্যে তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ? আলাদা হচ্ছে রণজয়-শ্যামৌপ্তির পথ? গুঞ্জন নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন রণজয়।
বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেতা রণজয় বিষ্ণু (Ranojoy Bishnu) এবং অভিনেত্রী শ্যামৌপ্তি মুদলি-র (Shyamoupti Mudly) রূপকথার বিয়ে নিয়ে বছরের শুরুতে কম আলোচনা হয়নি, ভালোবাসার মাসে চারহাত এক হয় দুজনের। 'গুড্ডি' ধারাবাহিকে একসঙ্গে কাজ করার সময় থেকেই টেলিপাড়ায় তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সম্প্রতি দুজনের বিচ্ছেদ জল্পনা তুঙ্গে। বিয়ের পাঁচ মাসেই নাকি দাম্পত্যে মোহভঙ্গ হয়েছে দুজনের।

গ্ল্যামার দুনিয়ার ডিভোর্স-বিচ্ছেদ এগুলো ‘কমন-ব্যাপার’ হলেও বিয়ের মাত্র ৫ মাসে এমন রটনার জেরে হইচই টলিপাড়ায়। একদিকে শ্যামৌপ্তির সঙ্গে এক ক্যাফে মালিকের বিশেষ বন্ধুত্ব নিয়ে কানাঘুষো চাউর হয়েছে, তেমনই ‘প্রতিজ্ঞা’ নায়িকা অভিকা মালাকারের সঙ্গে রণজয়ের অফস্ক্রিন রসায়ন নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।
সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে রণজয়ের সাফ কথা
বিচ্ছেদের জল্পনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রণজয় বিষ্ণু পরকীয়ার খবর একপ্রকার উড়িয়ে দিয়েছেন। প্রতিজ্ঞার অভি বলেন, ‘আমি খুব অবাক…কেন এমন আলটপকা কথা লেখা হল? কেউ আমাদের এই সম্পর্কে জিগ্গেস করেনি (ডিভোর্সের ব্যাপারে)। আমার সঙ্গে এই মাত্র কথা হল শ্যামৌপ্তির।’
অভিকার সঙ্গে প্রেমের রটনা নিয়ে রণজয় সিটি সিনেমাকে বলেন, ‘লোকে নেটে বসে ১০টা কথা লিখল। রোম্যান্টিক সিরিয়াল হলে দর্শকের উচ্ছ্বাস থাকতেই পারে, সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু তা বলে লোকে সেটা নিয়ে নিজে স্পেকুলেসান করে লেখা শুরু করল সেটা তো হবে না। তাতে কি সত্যি পালটে যাবে? আমি যদি কারুর (অভিকার) সাথে প্রেম করি তাহলে তো লুকিয়ে প্রেম করব, তাহলে কি রোজ ছবি দেব? আমার বুদ্ধি কি হাঁটুর নীচে? আমি কি ওপেনলি প্রেম করব। এটা অটোরিটি আছে (চ্যানেল, প্রোডাকশন হাউজ) তারা চায় আমরা ছবি দিই, সেখানে তো আমি বলার জায়গায় নেই যে ছবি দেব না….আমি কি পাগল, আমি তো সুস্থ একটা লোক।’
পেশাগত কাজের সূত্রে তৈরি হওয়া সম্পর্ককে মিডিয়া ও নেটিজেনরা অহেতুক 'প্রেমের সম্পর্ক' বানিয়ে রূপ দিয়েছিল বলে ইঙ্গিত দেন অভিনেতা।
কেন তৈরি হলো বিচ্ছেদের জল্পনা?
রণজয় জল্পনা উড়িয়ে দিলেও নেটপাড়ায় এই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ ছিল। সূত্রের খবর, শ্যামৌপ্তি নাকি মাস কয়েক হল নিজের বাবা-মা'র সঙ্গেই থাকছেন। ফুলপিসি ও এডওয়ার্ডের প্রিমিয়ারের পর আর রণজয়ের সঙ্গে দেখা যায়নি শ্যামৌপ্তিকে। সোশ্যাল মিডিয়া যখন দুজনের বিচ্ছেদের আলোচনায় তোলপাড় তখনও ঐশ্বর্য সেনের জন্মদিনের পার্টিতে একাকী শ্যামৌপ্তি। সেই ছবি-ভিডিয়ো সোশ্যালেও পোস্ট করেছেন নায়িকা।
ডিভোর্স প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের তরফে শ্যামৌপ্তির কাছে প্রশ্ন রাখা হলে তিনি অবশ্য রণজয়ের মতো সবটা উড়িয়ে দেননি। শুধু বলেছেন, ‘এই সম্পর্কে এখনই কোনও কথা বলতে আমার রুচিতে বাঁধছে’। রণজয়-পত্নীর এমন বাঁকা জবাব নিয়ে প্রশ্ন অনেকের মনেই।
তবে রণজয় সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে দিয়ে জানান, সোশ্যাল মিডিয়ার কার্যকলাপ কখনোই কারও ব্যক্তিগত সম্পর্কের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না এবং তিনি বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে নিজের কাজ ও ক্যারিয়ারেই মন দিতে চান।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


