Ratna Debnath-Shruti Das: ‘জেঠিমা প্রণাম’, তৃণমূল উপড়ে পানিহাটিতে পদ্ম ফোটালেন অভয়ার মা, আবেগঘন শ্রুতি
Ratna Debnath-Shruti Das: রাজ্য় জুড়ে গেরুয়া ঝড়। পানিহাটিতে জয়ী রত্না দেবনাথ। আরজি কর নির্যাতিতার মায়ের উদ্দেশ্য শ্রুতি বললেন, ‘প্রার্থনার জোর বাড়ল, যেন ডক্টর দিদি বিচার পান’।
ভোটের ফলে যখন রাজ্যে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত, ঠিক তখনই পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের দিকে নজর আটকে ছিল গোটা বাংলার। সেখানে লড়াইটা ছিল অসম— একদিকে শাসকদলের ক্ষমতা, অন্যদিকে এক নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের মায়ের ‘ন্যায়বিচার’ পাওয়ার জেদ। শেষ হাসি হাসলেন রত্না দেবনাথই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনোনীত তৃণমূল প্রার্থী তীর্থঙ্কর ঘোষকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে বিধানসভার টিকিট পেলেন তিনি।

জয়ের পর রত্না দেবনাথের বার্তা:
জয়ের খবর নিশ্চিত হতেই ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট করেন রত্না দেবী। তিনি লেখেন, ‘আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি আমি জিতলে গোটা পানিহাটিবাসী জিতবে।’ এই জয়ের পর তাঁর চোখে মুখে মেয়ের বিচারের দাবিতে অনড় থাকার সেই পরিচিত কাঠিন্য। তবে এবার তাঁর হাতে রয়েছে জনপ্রতিনিধির শক্তি।
শ্রুতি দাসের প্রণাম:
রত্না দেবনাথের এই জয়ের পোস্টে ভিড় করেছেন সাধারণ মানুষ থেকে তারকা— সকলেই। তবে নজর কেড়েছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রুতি দাসের মন্তব্য। শ্রুতি লিখেছেন, ‘জেঠিমা প্রণাম। আপনার জন্য প্রার্থনা করেছিলাম। এবার আবার প্রার্থনার জোর বাড়ল, যেন ডক্টর দিদি বিচার পান।’ শ্রুতির এই মন্তব্য বুঝিয়ে দিল, পর্দার ‘নিশা’ বা সাধারণ মানুষ— সকলেই এখনও আরজি করের সেই বিচারপ্রক্রিয়ার দিকেই তাকিয়ে।
লড়াইয়ের নতুন মোড়:
বিজেপির ঝাণ্ডা হাতে রত্না দেবনাথ যখন নির্বাচনে ঝাঁপিয়েছিলেন, তখন অনেকেই একে রাজনৈতিক স্টান্ট বলেছিলেন। কিন্তু পানিহাটির মানুষের রায় প্রমাণ করে দিল, সাধারণ মানুষ রত্না দেবনাথের ব্যক্তিগত শোককে সম্মান জানিয়েছেন। তৃণমূল প্রার্থীর হার এবং রত্না দেবীর জয় রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
নিজের মেয়ের বিচারের দাবিতে ঘর ছেড়ে পথে নেমেছিলেন রত্না দেবী। এবার বিধানসভার অন্দরে তিনি সেই দাবি কতটা জোরালো করতে পারেন, সেটাই দেখার। শ্রুতি দাসের মতো হাজার হাজার মানুষ এখন সেই নতুন ‘প্রার্থনা’তেই বুক বাঁধছেন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


