‘মায়ের জঠর এই পৃথিবীর…’! মা রেশমির জন্মদিনে শুভেচ্ছাবার্তা ঋদ্ধির, কী লিখলেন হবু বউমা সুরঙ্গনা?

বরাবরই কৌশিক ও ঋদ্ধি জানিয়ে এসেছেন, তাঁদের বাড়ির ‘প্রাণ’ রেশমি। মায়ের জন্মদিনে আবেগে ভাসলেন ছেলে। হবু শাশুড়িকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা-আদরে ভরালেন সুরঙ্গনাও।

Published on: Oct 21, 2026, 17:00:40 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

নবমীতে সকলে যখন মেতেছিল দুর্গাপুজোয়, তখন ঋদ্ধি-কৌশিক-সুরঙ্গনরা ব্যস্ত ছিলেন রেশমি সেনের জন্মদিনে। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় মায়ের জন্য পোস্ট করলেন ঋদ্ধি। হবু শাশুড়িকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা-আদরে ভরালেন সুরঙ্গনাও। বরাবরই কৌশিক ও ঋদ্ধি জানিয়ে এসেছেন, তাঁদের বাড়ির ‘প্রাণ’ রেশমি। তাই মায়ের জন্মদিনে আবেগে ভাসলেন ছেলে।

রেশমিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ঋদ্ধি ও সুরঙ্গনার।
রেশমিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ঋদ্ধি ও সুরঙ্গনার।

ঋদ্ধি যে ছবিটি শেয়ার করেছেন, সেখানে তাঁকে দেখা গেল কালো রঙের পাঞ্জাবিতে, যাতে লাল সুতোর কাজ। ছেলেকে জাপটে ধরে আছেন মা। মা-ছেলের মিষ্টি ছবি মন কেড়ে নিয়েছে সকলের। ক্য়াপশনে লেখা, ‘এই পৃথিবীর প্রায় সকল মুক্তির রাস্তাগুলোর শেষে জ্বলে আছে ‘No Exit’ লেখা মৃত তারার চুরি করা আলোয় সাজানো গ্লোসাইন l ঘুরে ফিরে একই চৌমাথায় ফিরে আসা, জীবনের শুভদৃষ্টি ঘটে লাল সিগনালের নিষ্পলক চেয়ে থাকার সাথে , তারপর অনন্ত থমকে থাকার বন্ধনে সূচনা হয় হেরে যাওয়ার উৎসব যেখান থেকে বেরোবার আর কোনো পথ নেই l উৎসবের কয়েদি হওয়া জীবন থেকে পালানোর খুব স্বল্প রাস্তা খোলা থাকে, এমন এক রাস্তার নাম মা, আমার মা,আমার emergency exit l’

‘মায়ের জঠর এই পৃথিবীর একমাত্র কারাগার যেখানে নয় মাস বন্দি থাকা দিতে পারে পৃথিবীর সব চেয়ে নিরাপদ অনুভূতি l মা এক অদ্ভুত প্যারাডক্স, মা এক কারাগার ও কারিগর যে একই সঙ্গে জীবনকে নিজের মধ্যে বন্দি করে সকল যন্ত্রনা আপন করে তার মুক্তি ঘটাতে পারে l মা আমাকে মুক্ত করেছে আমার আবির্ভাবেই, আর প্রস্থানের নকশা আঁকা রাস্তায় আচমকা আসা অন্ধকারকে মুক্তি দিতে পারে নতুন দিনের আলোয় l শুভ জন্মদিন মা, জন্ম দিতে থাকো নতুন আলোর’।

অন্যদিকে রেশমিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছেলে ঋদ্ধির দীর্ঘদিনের প্রেমিকা সুরঙ্গনাও। লিখলেন, ‘সবচেয়ে স্বচ্ছ মনের মানুষ, যার মধ্যে কৃত্রিমতার লেশমাত্র নেই— এমন এক বিরল ব্যক্তিত্ব, যিনি জীবনে এবং মঞ্চে—সর্বত্রই প্রতিটি আবেগ অত্যন্ত সত্যতার সঙ্গে অনুভব করেন ও প্রকাশ করেন। শুভ জন্মদিন, রেশমি আন্টি।’

রেশমি সেন দীর্ঘদিন ধরে সিনেমা-সিরিয়ালের পাশাপাশি কাজ করে চলেছেন থিয়েটার কর্মী, মঞ্চাভিনেত্রী হিসেবে। বাংলা থিয়েটারে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখের দাবি রাখে। মহাশ্বেতা দেবীর বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি নাটক 'হাজার চুরাশির মা'-তে সুজাতা (মুখ্য চরিত্র) এবং শেক্সপিয়ারের নাটক অবলম্বনে তৈরি 'ম্যাকবেথ ২.০'-তে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া 'আজও অর্ধাঙ্গিনী' নাটকেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে কাজ করেছেন। থিয়েটারের পাশাপাশি তিনি বেশ কিছু বাংলা সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত 'বাবলি' এবং নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পরিচালিত 'বহুরূপী'-ও রয়েছে। ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুখী দাম্পত্য তাঁর ও কৌশিক সেনের। দুজনেরই স্বপ্ন বাস্তব রূপ ধরেছে ‘স্বপ্নসন্ধানী’-র হাত ধরে। আর এই অভিনয়ের পরিবেশেই বড় হয়ে ওঠা ঋদ্ধির।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More