‘হঠাৎ গুরুত্ব পেয়ে নিজেকে হনু ভাবছে…’! ঋতাভরীর মা শতরূপার পোস্টে রাজনীতির গন্ধ
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আাপাতত ভাবে কারও উল্লেখ না থাকলেও, এটিকে রাজনৈতিক হিসেবেই দেখছে নেটপাড়া। শুধু তাই নয়, ধারণা বাংলার শাসক দলকেই কটাক্ষ অভিনেত্রী-পরিচালকের।
অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তীর মা, পরিচালক-অভিনেত্রী শতরূপা সান্য়াল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আাপাতত ভাবে কারও উল্লেখ না থাকলেও, এটিকে রাজনৈতিক হিসেবেই দেখছে নেটপাড়া। শুধু তাই নয়, মনে করা হচ্ছে বাংলার শাসক দলের দিকেই ইঙ্গিত তাঁর।

শতরূপা লিখেছেন, ‘মূর্খ যদি জানত সে মূর্খ, তবে তার আচরণ অন্যরকম হতো। আসলে, তার সামনে আয়না ধরার কেউ নেই। তার উপর, হঠাৎ গুরুত্ব পেয়ে গিয়ে সে যে নিজেকে বিরাট হনু ভেবে ফেলছে!… আমাদের দুর্ভাগ্য। আর কি বলব?!’ শতরূপার এই পোস্টে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘যে যখন গুরুত্ব পায় সেই তখন নিজেকে হনু ভাবে। সেই ট্রাডিশন সমানে চলেছে।’ আরেকজন লিখলেন, ‘কিছু বোলোই না। চুপ করে সার্কাস দেখো।’ অন্য জন মন্তব্য করেন, ‘যারা এসব কাজ করে চলেছে তারা সুস্থ সংষ্কৃতি, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও শিল্প থেকে বহু বহু দূরে অবস্থান করে’
শতরূপার এই পোস্ট যখন এল, তখন উত্তপ্ত বাংলার গর্ব যাদবপুুর বিশ্ববিদ্য়ালয়। ক্যাম্পাসে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন (SFI ও FETSU) এবং এবিভিপি (ABVP)-র মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক সংঘর্ষের জেরে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। যা শুরু হয় ১৯ তারিখ রাতে, চলে ২০ তারিখ দিনভর। বাম সংগঠনগুলির অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বহিরাগতরা লাঠিসোটা নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে তাণ্ডব চালায় এবং পোস্টার-ফেস্টুন পুড়িয়ে দেয়। পাল্টা এবিভিপির দাবি, তাদের কর্মীদের ওপর একতরফাভাবে আক্রমণ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে ককরোচ জনতা পার্টি যখন দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে সামিল হয়েছিল, সেখানে যখন পড়ুয়াদের উপর পুলিশের লাঠি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল, তখন সরব হয়েছিলেন ঋতাভরী চক্রবর্তী। আর সেই কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমাগত কটাক্ষর মুখে পড়েন অভিনেত্রী। অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, ‘পোস্ট আর রি শেয়ার করা স্টোরির কারণে আমাকে ক্রমাগত 'দেশদ্রোহী,' 'দেশ ছেড়ে বেরিয়া যাও' বলা হচ্ছে।’
আশির দশকে অভিনয় দিয়ে কেরিয়ার শুরু করলেও পরবর্তীতে তিনি সমান্তরাল বা বিকল্প ধারার চলচ্চিত্র (Parallel Cinema) নির্মাণে নিজের এক স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেন। ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন কলকাতা, অন্য অপালা, তবুও বসন্তের মতো সিনেমা তৈরি করেছেন। তিনি সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC) বা সেন্সর বোর্ডের সদস্য হিসেবে ৪ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। এমনকী জাতীয় চলচ্টিত্র পুরস্কার কমিটির জুড়িও ছিলেন তিনি।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


