‘কেন তুমি খুশি? কী আছে তোমার এমন?’, রিক্সায় ‘হই হই হই করব বলে’ রিল বানানো দম্পতিকে ট্রোল করা নেটিজেনদের কটাক্ষ ঋতাভরীর
রিক্সায় চড়ে এক বাঙালি দম্পতির ‘হই হই করে’ ঠাকুর দেখার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছিল। তবে ওই সে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বসে রয়েছে কিছু নীতিপুলিশ। যারা সবেতেই খুঁজে পায় কটাক্ষের জিনিস। রীতিমতো ট্রোল করা হয় স্বামীকে। যা নিয়ে এবার প্রতিবাদে সুর চড়ালেন ঋতাভরী।
দুর্গাপুজোয় এবার রীতিমতো ট্রেন্ড করেছে যে ভিডিয়োটা তা হল, রিক্সায় চড়ে এক বাঙালি দম্পতির ‘হই হই করে’ ঠাকুর দেখা। যেখানে সুখী এক ছোট্ট পরিবার বুঝিয়ে দেয় প্রকৃত ভালোবাসা-ভালোথাকার অর্থ। তবে ওই সে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বসে রয়েছে কিছু নীতিপুলিশ। যারা সবেতেই খুঁজে পায় কটাক্ষের জিনিস। রীতিমতো ট্রোল করা হয় স্বামীকে। কিছু মহিলা তো রীতিমতো এক্সে পোস্ট করেন, সেই মহিলা যা সুন্দর দেখতে, একটু খুঁজলেই এর থেকে ভালো বর খুঁজে পেতেন।

কী লিখলেন ঋতাভরী
এবার এই কটাক্ষকারীদেরই একহাত নিলেন অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। সেই স্বামী-স্ত্রী আর বাচ্চাটির ছবি শেয়ার করে লিখলেন, ‘সরি বাট নট সরি। আমি ভাবতাম সেলেব্রিটি হলে লোকের ইর্ষা করে নেগেটিভ কমেন্ট করে। না না, ইর্ষাটা সুখের অভাবে। অডি হোক বা রিক্সা, সেটা ফ্যাক্টর না। এখানে ব্যাপারটা হল, আপনার যা আছে, তাতে খুশি হওয়ার সাহস তুমি কোথায় পেলে? কেন তুমি খুশি? কী আছে তোমার এমন?’
‘একটু নিজেদের জীবন নিয়ে ভাবুন। ওনার সম্পদ চিরস্থায়ী হোক এই কামনা করি।’, আরও লেখেন অভিনেত্রী।
পুজোর সেই ভাইরাল ভিডিয়ো সম্পর্কে
২০ সেকেন্ডের ছোট্ট ক্লিপ দেখা যায়, রিক্সায় মা-বাবার মাঝে বসে একটা বাচ্চা ছেলে। পুরুষটির চোখে চশমা। পাশে ম্যাজেন্টা রঙের শাড়ি গায়ে তাঁর স্ত্রী। সরু রাস্তা দিয়ে এগিয়ে চলেছে রিক্সা, মাথার উপরে উৎসবের এলইডি আলো। রিক্সা গলিপথ দিয়ে এগিয়ে চলেছে। ভিডিওর রেকর্ডিং চলছে, তখন খিলখিল করে হেসে উঠছে ছেলেটি। নিখাদ এক মিষ্টি প্রেম। যেখানে শুধুই ভালোবাসা, ভালোথাকার মান্ত্রা। সহজ-সরল একটা পুজো।
ঋতাভরীর সিঁদুর খেলা
চলতি বছরে দুর্গা পুজোয় দশমীর দিন হবু বর সুমিত অরোরার সঙ্গে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠেছিলেন। যার ছবি-ভিডিয়ো মন কেড়ে নিয়েছিল তাঁর অনুরাগীদের। এসময় সুমিত নিজের হাতে ঋতাভরীকে সিঁদুর পরিয়ে দেন এবং একে অপরকে সিঁদুর মাখিয়ে দেন, যার মিষ্টি মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ২০২৬ সালে বাগদান হয় ঋতাভরী ও সুমিতের। তবে অভিনেত্রী এখনই বিয়ে করছেন না বলে পরিষ্কার জানিয়েছেন। তাঁর মতে, সব দিক সামলে এবং নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে তবেই তিনি বিয়ের মতো বড় সিদ্ধান্ত নিতে চান। অভিনেত্রীর শেষ কাজ ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হইচই-তে মুক্তি পাওয়া ওয়েব সিরিজ শাঁখা প্রশাখা ২।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


