‘যারা এই সভার পারমিশন দিয়েছে তারাও ওই গুন্ডাগ্যাং-এর অংশ কি না…’! রণক্ষেত্র SRFTI, তুমুল সংঘর্ষ! প্রতিবাদ ঋত্বিক-উষসীদের
রবিবার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এসআরএফটিআই। সোমবারও সেই ঝামেলা অব্যাহত। গোটা ঘটনায় টলিউডের সিংহভাগই চুপ। তবে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঋত্বিক-উষসীরা।
রবিবার সকালে এসআরএফটিআই-এর প্রেক্ষাগৃহে সভার আয়োজন করেছিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শাখা সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত বা এবিজিপি। হঠাৎই ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ে আপত্তি তোলেন পড়ুয়াদের একাংশ। প্রেক্ষাগৃহের সামনে বিক্ষোভ দেখান কয়েকজন পড়ুয়া। কেন বেসরকারি সংগঠনকে ক্যাম্পাসে সভা করতে দেওয়া হল, রেজিস্ট্রারের কাছে তা জানতে চান পড়ুয়ারা। পরবর্তীতে কার্যত সংঘর্ষের আকার নেয়। এবিজিপির বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের উপর চড়াও হওয়ার। রবিবারের ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমবার সকালেও বিক্ষোভ চলে।

এসআরএফটিআই-এর ঘটনায় কার্যত নীরব টলিউড। তবে মুখ খুলেছেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। ফেসবুকে অভিনেতা লেখেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশনা ছাড়াই গেট টপকে ঢোকার সংস্কৃতি যাদের, তারা সংস্কৃতিবিহীন অশিক্ষিত তো বটেই এবং অনেকাংশেই গুন্ডা। অখিল ভারত গ্রাহক পঞ্চায়েত নামের এক সংস্থা সত্যজিৎ রায় ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউটের অডিটোরিয়ামে সভা করার পারমিশন কেমন করে পায়? এত গুন্ডামিই বা কীভাবে করতে পারে? ছাত্রদের নৃশংস ভাবে রক্তাক্ত করার সাহস ওদের কোথা থেকেই বা আসে? যে বা যারা এই সভার পারমিশন দিয়েছে তারাও ওই গুন্ডাগ্যাং-এর অংশ কি না খতিয়ে দেখুক প্রশাসন। দোষীদের শাস্তি হয় কি না সেদিকে নজর থাকুক আমাদের সবার।’
মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী উষসী চক্রবর্তীও। তিনি লেখেন, ‘নীরব থাকাটা কিন্তু এক ধরনের বক্তব্য। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির তাবড় তাবড় পরিচালক অভিনেতাদের প্রতিক্রিয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে আছি। আপনরা কেউ দেখতে পেলে জানাবেন, কমেন্টে জানান। আর ‘একবার দিয়ে দেখিদেরও শতকটি প্রণাম’।এসআরএফটিআই-তে হামলা দেখে আপনাদের কেমন লাগল ফ্র্যান্ডস?’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


