‘গোমতা খেয়ে জাত খোয়ানো মেরুদণ্ড বেচা টুনটুনি’, ২.৫ লাখ নেওয়া সায়ককে নাম না করে কটাক্ষ ঋত্বিকের
নির্বাচন কমিশনের থেকে সামনে আসা ভোট প্রচারে খরচের খতিয়ান সামনে আসতেই দেখা যায় বাংলার একাধিক নামিদামি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ভোট প্রচারে বেশ মোটা অঙ্কের অর্থ পেয়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন সদ্য বিগ বসের ঘর থেকে ভোট আউট হওয়া সায়ক চক্রবর্তীর নামও।
বিগ বসের ঘর থেকে ‘গুড বয়’ ইমেজ নিয়ে বেরিয়েছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। কিন্তু তাতেই ফের পড়েছে ‘কালি’। নির্বাচন কমিশনের থেকে সামনে আসা ভোট প্রচারে খরচের খতিয়ান সামনে আসতেই দেখা যায় বাংলার একাধিক নামিদামি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের নাম। যার মধ্যে রয়েছেন সায়ক চক্রবর্তীও। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আড়াই লাখ টাকা।

এরপর থেকেই রীতিমতো কটাক্ষ চলছে সায়ককে ঘিরে। কারণ পার্কস্ট্রিটের বিফ কাণ্ডের জেরে জেল খাটতে হয়েছিল ওয়েটারকে। সায়কের দাবি ছিল, তিনি মটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন, তার বদলে তাঁকে বিফ স্টেক দেওয়া হয়েছিল। এমনকী, তিনি না বুঝে সেটি খেয়েও পেলেন। তারপর বুঝতে পেরে, রীতিমতো ঝামেলা শুরু। এমনকী, হিন্দু ব্রাহ্মণের ‘ধর্মভ্রষ্ট’ করা হয়েছে বলেও সেই সময় চিৎকার করেছিলেন সায়ক। সেইসময়ও সায়কের নামে ‘ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে দাঙ্গা লাগানো’-র অভিযোগ তুলেছিলেন টলিউডের বহু তারকা। আর এবার ২.৫ লাখ টাকা পাওয়ার কথা সামনে আসার পর আক্রমণের তীর আরও গভীর হয়েছে।
অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তীতে ফেসবুকে কারও নাম না করেই লিখেছেন, ‘নিজেই স্ক্রিপ্ট লিখে, সংলাপ বলে,ক্যামেরা করে, নির্দোষ লোককে জেল খাটিয়ে, দাঙ্গার উস্কানি দিয়ে, ডায়লগ না-বলা জুনিয়র আর্টিস্ট কে সাড়ে সাত লাখ টাকা পেমেন্টের ব্যবস্থা করিয়ে দিয়ে নিজের জন্য মাত্র আড়াই লাখ? এ কেমন গোমতা খেয়ে জাত খোয়ানো মেরুদণ্ড বেচা টুনটুনি রে!!’
প্রসঙ্গত, সেদিন অলিপাবে সায়কের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর প্রিয় বন্ধু সুকান্ত কুণ্ডু ও অনন্যা গুহ। এবার নির্বাচন কমিশনের সেই তালিকা অনুসারে, বিজেপি-র হয়ে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার জন্য সুকান্ত পেয়েছেন ৭.৫ লাখ টাকা। যদিও তা সরাসরি সুকান্তের ব্যাঙ্কে ঢোকেনি। বরং তাঁর মা ও বাবার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ভাগাভাগি করে।
সায়ককে নিয়ে পোস্ট করেছেন আরজি কর আন্দোলনের মুখ আসফাকুল্লা নাইয়া। তিনি লেখেন, ‘যে ব্যক্তি কয়েকটা টাকার জন্য মানবতাকে খুন করতে পারে ,দাঙ্গা লাগানোর চক্রান্ত করে সে কয়েক টাকার জন্য নিজের পিতা-মাতা কেও খুন করতে দ্বিধা করবে না । এরা সমাজের জঞ্জাল,পরিস্কার হওয়া জরুরি’।
এদিকে গোটা ঘটনা সামনে আসার পর, একটি পোস্ট এসেছে শুক্রবার সায়ক চক্রবর্তীর প্রোফাইল থেকে। নিজের একটি ছবি দেন। ক্যাপশনে রেড হার্ট ইমোজি। সেখানে কটাক্ষ এলেও, সায়কের তরফ থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


