Angana Birthday-Rohan: কোলে বসে অঙ্গনা! জন্মদিনে ভালোবাসায় মাখামাখি, প্রেমিকাকে কী বলে ডাকলেন রোহন?
Angana Roy-Rohan Bhattacharya: তুমি আশে পাশে থাকলে’ ধারাবাহিক থেকে প্রেম শুরু রোহন আর অঙ্গনার। আর এবার প্রেমিকাকে জন্মদিনে ভালোবাসায় ভরালেন রোহন। সঙ্গে একটি মিষ্টি শুভেচ্ছা বার্তা।
Angana Roy-Rohan Bhattacharya: ‘তুমি আশে পাশে থাকলে’ ধারাবাহিকে প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন অঙ্গনা রায় ও রোহন ভট্টাচার্য। আর সেই ধারাবাহিকই বদলে দেয় তাঁদের জীবন। অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি গড়িয়েছিল অফস্ক্রিনেও। আর এবার প্রেমিকা অঙ্গনাকে জন্মদিনে ভালোবাসায় ভরালেন রোহন। সঙ্গে একটা মিষ্টি ভিডিয়ো।

ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা গেল রোহনের কোলে বসে আছেন অঙ্গনা। রোহনের গায়ে সাদা রঙের শার্ট। আর অঙ্গনা পরে আছেন লাল রঙের ওয়ান পিস। দুজনের হাতেই চায়ের কাপ। ভিডিয়োর একটা পর্যায়ে মুগ্ধ হয়ে অঙ্গনার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায় রোহনকে।
আর এই পোস্টের সঙ্গে রোহন লেখেন, ‘শুভ জন্মদিন, এ! আরেক বছর বড় হয়ে গেলে… তবে চিন্তা নেই, তুমিই এখনও তোমার দায়িত্বগুলোর চেয়ে ছোট।’
অর্থাৎ অঙ্গনা থেকে অভিনেত্রী এখন শুধুই ‘এ’! প্রেমিকার প্রশংসায় এরপর রোহন লেখেন, ‘তুমি সত্যিই এমন মানুষ, যে একটু নাটকীয়, একটু পাগল, সবচেয়ে বড় কথা—যে সঙ্গে থাকলে, সবকিছুই আরও মজার হয়ে যায়। তোমার সঙ্গে জীবনটা একদম ফান হয়ে যায়…’!
এখানেই থেমে না থেকে অঙ্গনার উদ্দেশে রোহন লিখলেন, ‘আজকের দিনটা হোক কেকে ভরা, স্ট্রেস শূন্য, আর এত-এত মনোযোগ পাও, যা তুমি পুরোপুরি পাওয়ার যোগ্য। ঠিক একইরকম সুন্দর, একটু দুষ্টু হয়েই থাকো… এই দুনিয়ার এই এনার্জির অনেক দরকার। আবারও তোমাকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা। এভাবেই এগিয়ে চলো (আর হ্যা, আন্দাজ করো কে সবসময় তোমার সমর্থনে গলা ফাটাচ্ছে)।’
প্রসঙ্গত, মাসখানেক আগে আচমকাই রটে যায় রোহন ও অঙ্গনার বিচ্ছেদের খবর। ভিয়েতনাম সফরে অঙ্গনার পাশে রোহনকে না পেয়ে যা শুরু হয়। এরপর প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়-এর বাড়ির পার্টিতে আলাদা আলাদা আসতে দেখা যায় রোহন ও অঙ্গনাকে। যাতে আগুনে যেন ঘি পড়ে। তবে এরপর আনন্দবাজারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিচ্ছেদের গুঞ্জন সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেন রোহন ও অঙ্গনা। তাঁরা জানান, একসঙ্গে ছবি পোস্ট না করলেও একে অপরের জীবনে তাঁরা ভীষণভাবে বর্তমান। সঙ্গে ভিয়েতনামে যে দুজনে যে একসঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন, সেটাও স্পষ্ট করেন।
এদিকে, মঙ্গলবার টলিপাড়ার কর্মবিরতির দিন একটি পোস্ট এসেছিল রোহনের থেকে। হাসপাতাল থেকেই পোস্ট শেয়ার করে নিয়েছিলেন। কিডনিতে পাথর ধরা পড়ে স্টেন্ট বসেছিল, সেটা বের করার জন্যই অপারেশন। এখন ভালো আছেন অনেকটা। ছাড়াও পেয়েছেন ইতিমধ্যে।
রোহন ভট্টাচার্য বাংলা টেলিভিশনের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা, যিনি মূলত 'ভজগোবিন্দ' ধারাবাহিকের জন্য পরিচিত। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিরিয়ালগুলি হলো—'তুমি আশেপাশে থাকলে', 'অপরাজিতা অপু', 'ভজগোবিন্দ', 'কনের বউ', এবং 'মহিষাসুর মর্দিনী'। রোহনকে শেষ দেখা গিয়েছে ‘আবার প্রলয়’-তে।
অঙ্গনা রায় একজন জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেত্রী, যিনি শিশুশিল্পী হিসেবে ২০০৩ সালে 'আলো' চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর তাঁকে 'সেই যে হলুদ পাখি', 'পাপ', এবং 'তানসেনের তানপুরা'র মতো ওয়েব সিরিজে দেখা যায়। স্টার জলসার 'তুমি আশেপাশে থাকলে' ধারাবাহিক থেকে রোহনের সঙ্গে ভালোবাসা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


