SFI করার সময় প্রেম, বিচ্ছেদের পর প্রাক্তন ছাড়ে বাম দল! আর কী জানালেন দীপ্সিতা?

তরুণ বাম নেতানেত্রীদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হলেন দীপ্সিতা ধর। হামেশাই প্রেম-বিয়ে নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। প্রাক্তন প্রেমিককে নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেন এক পডকাস্টে। 

Published on: Sep 2, 2026, 18:03:15 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাম রাজনীতিতে তরুণ নেতানেত্রীদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হলেন দীপ্সিতা ধর। ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI)-এর সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে জানেন কি, এই ছাত্র রাজনীতি করার সময় প্রেম কড়া নেড়েছিল দীপ্সিতার জীবনে। সম্প্রতি ‘অকপট পডকাস্ট’ শো-তে এসে এই নিয়ে কথাও বলেন।

প্রাক্তনকে নিয়ে কী জানালেন দীপ্সিতা?
প্রাক্তনকে নিয়ে কী জানালেন দীপ্সিতা?

প্রাক্তন প্রেম নিয়ে ‘লাজুক’ দীপ্সিতা

দীপ্সিতার কাছে জানতে চাওয়া হয়, ছাত্র রাজনীতি করতে গিয়ে কখনো প্রেম হয়েছে? বেশ লাজুক মুখেই সম্মতি দেন। জানান, ‘হয়েছে’। যদিও প্রাক্তন সেই প্রেমিকের নাম বলতে চাননি। বামনেত্রীর কথায়, ‘এখন নামটা বললে সে বেচারা খুব লজ্জায় পড়ে যাবে।’

তবে দীপ্সিতার সেই প্রাক্তন প্রেমিক আর বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। পডকাস্টে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, ‘তুমি ছেড়েছে বলে পার্টিই ছেড়ে দিল?’ তাতে দীপ্সিতা জানান, ‘না না পার্টি ওভাবে ছাড়েনি। ও এখনো একজন সমর্থক। তবে এখন নিজের কাজবাজ করে।’

দীপ্সিতা আরও স্পষ্ট করেন যে, ‘আমি এর অনেক আগে ছেড়ে চলে গেছি। ফলে ওকে আটকানোর আমার কাছে কোনো উপায় ছিল না। যদিও আমি ছেড়ে চলে যাওয়ার পরেও বহুদিন এসএফআই করেছে।’ আর এই পুরো সময়টাই বেশ ব্লাশ করতে দেখা গিয়েছে দীপ্সিতাকে।

কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন বাম নেত্রী?

প্রসঙ্গত, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনে থাকা বিশেষ মানুষটিকে নিয়ে কথা বলেছিলেন দীপ্সিতা। যদিও ভালোবাসারমানুষের নাম বা পরিচয় সামনে আনেননি তিনি। এমনকী, এটাও জানিয়েছিলেন যে, একে-অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিলেও আপাতত বিয়ে করার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই। দীপ্সিতার কথায়, ‘এখন আমাদের দুজনেরই ব্যক্তিগত জীবন, কেরিয়ার এসব নিয়ে সেটেলড হতে হবে। আমরা দুজনেই ঠিক করে উঠতে পারিনি আমাদের আগামী ৫টা বছর, ১০টা বছর আমরা কিভাবে কাটাব। সেটা যদি হয়ে যায়, যদি কোথাও দুজনার একটা জায়গায় তালমিলের জায়গায় আসতে পারি তাহলে নিশ্চয়ই…’। এর আগেও দীপ্সিতা স্পষ্ট করেছেন, তিনি যে পরিবারে বড় হয়েছেন, সেখানে সন্তানকে একটা বয়সের পর বিয়ের জন্য কখনো জোর দেওয়া হয় না। তা সে ছেলে সন্তান হোক বা মেয়ে।

দীপ্সিতার রাজনৈতিক কেরিয়ার

দীপ্সিতা ধরের রাজনীতিতে আসা মূলত পারিবারিক সূত্র ধরেই। তিনি হাওড়ার ডোমজুড়ের তিনবারের প্রাক্তন সিপিআই(এম) বিধায়ক পদ্মনিধি ধরের নাতনি। তাঁর বাবা পীযূষ ধর সিপিএমের শিশুফ্রন্ট 'কিশোরবাহিনী'র রাজ্য সম্পাদক এবং মা দীপিকা ঠাকুর চক্রবর্তীও পঞ্চায়েত নির্বাচনে বামেদের প্রার্থী হিসেবে লড়াই করেছেন। দীপ্সিতা কলকাতার আশুতোষ কলেজ থেকে তাঁর সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (JNU) যান। জেএনইউ-তে থাকাকালীন তিনি দিল্লির ছাত্র আন্দোলনে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা নেন এবং দেশজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে সিপিআই(এম)-এর টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন দীপ্সিতা।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More