১৪ বছরের দাম্পত্যের পর ডিভোর্স, ভেঙে যায় লিভ ইন সম্পর্কও! তাও এখনো কেন সিঁদুর পরেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়?

১৯৯২ সালে ধ্রুব মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। তাদের ১৪ বছরের দাম্পত্য জীবন ছিল। বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি দীর্ঘদিন দিব্যেন্দু মুখার্জীর সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন। রূপাকে দেখা যায় সিঁদুরে। কার নামের সিঁদুর পরেন তিনি?

Published on: Oct 23, 2026, 14:30:37 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

বর্তমানে বিজেপি-র দুঁদে নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। অভিনয় থেকে নিজেকে সরিয়ে এনেছেন অনেকদিন আগেই। মাঝে মেয়েবেলা নামের একটি ধারাবাহিকে ও পরূর্তীতে দেবের রঘু ডাকাতে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। জনসম্মুখে অভিনেত্রী যখনই আসেন, তখন নজর কাড়ে তাঁর সিঁথিতে থাকা সিঁদুর। ডিভোর্স হয়েছে বহু আগে। তবু কার নামের সিঁদুর সিঁথিতে দেন তিনি?

সিঁথিতে কার নামের সিঁদুর পরেন রূপা?
সিঁথিতে কার নামের সিঁদুর পরেন রূপা?

সিঁদুর পরা নিয়ে কী জানালেন রূপা?

এই নিয়ে সংবাদ প্রতিদিনকে রূপা জানান, ‘আমি তো বিধবা নই! আমি কেন সিঁদুর পরব না? আর আমি রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, বিধবা হয়ে গেলেও সিঁদুর পরতাম। আমি মা ভদ্রকালীর সিঁদুর পরি। বেশ করি সিঁদুর পরি। আমার ভালোলাগে সিঁদুর পরতে, তাই পরব। আমি এখানে (কপাল দেখিয়ে) সিঁদুর পরি, এখানেও (সিঁথি দেখিয়ে) পরি, ভদ্রকালীর সিঁদুর নিয়ে এসেছিলাম, সেটাই পরি।’

‘কাওকে জবাব দেব না আমি কার জন্য পরি, কেন পরি। আর বিধবা হলেই বা কেন সিঁদুর পরবে না, লাল টিপ পরবে না। আমি তো আমার মা-কে জোর করে লাল টিপ পরাতাম বাবা চলে যাওয়ার পরেও। কী সুন্দর লাগে মেয়েদের। আমি অত কেয়ার করি না, আমি সিঁদুর পরব, ব্যাস।’, আরও বলেন রূপা।

রূপার ডিভোর্স

১৯৯২ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ধ্রুব মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেছিলেন রূপা। কিন্তু শত চেষ্টাতেও বাঁচাতে পারেননি দাম্পত্য। এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘আমার মনে হয়, একজন পুরুষের পক্ষে এক সেলিব্রেটিকে তাঁর স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করাটা খুবই কঠিন। এটা মেনে নেওয়ার জন্য একজনকে অত্যন্ত খোলা মনের মানুষ হতে হবে। আমি কোনওদিন সকাল ৯টার আগে কিংবা রাত ১০টার পরে শিডিউল নিইনি। শ্যুট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মেকআপ না তুলেই বাড়ি চলে আসতাম।’

রূপার গলায় ধরা পড়েছিল আফশোস। বলেছিলেন, ‘একজন মেয়ের পক্ষে তাঁর স্বামীকে খুশি রাখার জন্য যা যা করা সম্ভব আমি সবই করেছি। কলকাতায় ধ্রুবকে নিয় ঘর করার জন্য অভিনয়ও ছেড়ে দিয়েছিলাম। এত কিছু করেও বিয়েটা বাঁচাতে পারিনি।’

এমনকী, সেই সময় এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন রূপা যে নিজেকে শেষ করে দেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন। তাও একবার নয়, তিন-তিনবার। ছেলের জন্মের আগে একবার, ছেলে হওয়ার পর দু'বার।

গায়ক দিব্যেন্দু-র সঙ্গে লিভ ইনেও ছিলেন রূপা

ডিভোর্সের পর বাঙালি গায়ক দিব্যেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন রূপা। দিব্যেন্দু রূপার চেয়ে ১৩ বছরের ছোট ছিলেন। মুম্বইতে রূপার ফ্ল্যাটেই তাঁরা লিভ ইন করতেন। প্রায় সাড়ে ৫ বছর একসঙ্গে থাকার পর তাঁরা আলাদা হন।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More