Zee Bangla Hero: দীর্ঘ চুল,কানে দুল, মুখে কচি হাসি—১৮ বছর আগের ছবি দেখে চিনুন জি বাংলার প্রিয় নায়ককে
Dance Bangla Dance: ডান্স রিয়ালিটি শো-এর মঞ্চ থেকে চ্যানেলের একের পর এক হিট মেগার নায়ক। চিনতে পারলেন এই যুবককে?
সোশাল মিডিয়ায় ইদানীং তারকাদের পুরোনো ও বিরল ছবি ভাইরাল হওয়া খুব নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি তেমনই একটি পুরোনো থ্রো-ব্যাক ছবি ঘিরে মেতে উঠেছে নেটপাড়া। ছবিতে থাকা দীর্ঘ চুলের ছিপছিপে ছেলেটিকে দেখে প্রথম নজরে চেনা বেশ দায়! অথচ ইনিই বর্তমানে বাংলা টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রথম সারির নায়ক।

কালো গেঞ্জির উপর বোতাম খোলা হলুদ শার্ট। লম্বা চুল, কানে দুল, থুতনির কাছে অল্প দাড়ি। এই ছিপছিপে ছেলেটি ডান্স বাংলা ডান্স সিজন ৩-র মঞ্চ কাঁপিয়েছেন। সে ২০০৮ সালের কথা। মাঝে পেরিয়েছে ১৮ বছর। এখন তিনি ঘোর সাংসরী। বউও নামী অভিনেত্রী। চিনতে পারলেন এই যুবককে?
ছবিটি শ্বেতা ভট্টাচার্যের স্বামী তথা অভিনেতা রুবেল দাস (Rubel Das)-এর।
রিয়্যালিটি শো থেকে ছোট পর্দার রাজত্ব
অনেকেরই হয়তো অজানা, অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার আগে রুবেল দাস মূলত একজন দুর্দান্ত নৃত্যশিল্পী ও প্রতিযোগী হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন।ডান্স বাংলা ডান্সের মঞ্চ: ২০০৮ সালে ‘ডান্স বাংলা ডান্স’-এর তৃতীয় মরশুমে প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ছবিতে যাঁরা রয়েছেন: ভাইরাল এই ছবিতে বাঁ-দিকে দীর্ঘ চুলে দেখা যাচ্ছে তরুণ রুবেলকে। মাঝে রয়েছেন শো-এর কোরিওগ্রাফার জিত দাস এবং ডানদিকে রয়েছেন সহ-প্রতিযোগী রুম্পা।

নৃত্যশিল্পী থেকে সফল নায়ক
রিয়্যালিটি শো-এর মঞ্চ থেকে শুরু হওয়া এই সফর পরবর্তীতে মোড় নেয় অভিনয়ে। ‘ভানুমতীর খেল’, ‘যমুনা ঢাকি’, ‘নিম ফুলের মধু’-র মতো একের পর এক সুপারহিট মেগা ধারাবাহিকের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের ড্রয়িংরুমে জায়গা করে নিয়েছেন।২০০৮ সালের সেই উদীয়মান ডান্সার ছেলেটি যে আজ বাংলা টেলিভিশনের টিআরপি টপার নায়ক হয়ে উঠবেন, তা এই ছবি দেখলে রূপকথার গল্পের মতোই মনে হয়!
রুবেলকে শেষ তুই আমার হিরো মেগায় দেখা গিয়েছে। এরপর জি বাংলার নানান শো-তে রুবেলের ঝলক দেখা গেলেও মেগা থেকে আপাতত দূরে রুবেল। সিরিয়ালে দেখা যাচ্ছে শ্বেতাকেও।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


