পরিবারের সঙ্গেই পুজো কাটানোর পরিকল্পনা, প্রেমিক দেবের নামই নিলেন না রুক্মিণী! দেশু ৭-এর কারণেই কি বাড়ছে দূরত্ব?
পুজোয় আসছেন দেব-শুভশ্রীর দেশু ৭। আর সেই ছবি ঘিরেই টলিপাড়ায় নানা বিতর্ক। এর মাঝেই রুক্মিণীর পুজো পরিকল্পনা সম্বন্ধে জানতে চাওয়া হলে জবাব আসে, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর।
খবর রয়েছে, খুব জলদিই হিন্দি ছবিতে দেখা যেবে রুক্মিণী মৈত্রকে। তাও আবার অক্ষয় কুমারের সঙ্গে। ফলত, দেব-বান্ধবীর বেশিরভাগ সময়টাই এখন কাটছে মুম্বইতে। তবে সোমবার এক ইভেন্টে যোগ দিতে কলকাতায় এসেছিলেন রুক্মিণী। যেখানে পুজো পরিকল্পনা নিয়েও তাঁকে কথা বলতে দেখ গেল।

কদিন আগেই দেবের বাড়ির গণেশ পুজোয় রুক্মিণীর না থাকা নিয়ে বেশ চর্চা হয়েছিল। আসলে সেই সময় কাজের সূত্রে ব্রিটেনের দক্ষিণ ওয়েলসে ছিলেন তিনি। সেখান থেকে ছবিও ভাগ করেছিলেন। সায়েন্স-ফিকশন সামুকে দেখা যাওয়ার কথা তাঁকে। সেই হিসেবে সনক-এর পর এটি তাঁর দ্বিতীয়ছবি হতে চলেছে। এলিয়েনদের উপর ভারতে তৈরি হওয়া প্রথম ছবি এটি। যদিও কোনো তরফ থেকেই এখন চূড়ান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।
দীর্ঘ সময় পর কলকাতায় ফেরা নিয়ে রুক্মিণী বললেন, ‘কলকাতার উপর থেকে টান তো কোনো দিনই যায় না। কথাতেই তো আছে, ইউ ক্যান টেক আ গার্ল আউট অফ দ্য বেঙ্গল, বাট ইউ কান্ট টেক বেঙ্গল আউট অফ দ্য গার্ল। আমি বুঝতে পেরেছিলাম পুজো আসছে, তার মানেই শপিং করতে হবে।’
তা পুজোর কটা দিন কী করবেন? অভিনেত্রী বলেন, ‘সবাই জানে পুজোয় আমার দাদা, আমার ভাইঝি আমায়রা কলকাতাতে থাকবে। গোটা পরিবারের সঙ্গে একটু তো প্যান্ডেল হপিং হবেই।’ সঙ্গে পরিবারের বিশেষ করে মায়ের তৈরি করা একটা নিয়মও ভাগ করলেন রুক্মিণী। সেটা হল অষ্টমীতে মায়ের শাড়ি পরে অঞ্জলি দেওয়া। সেই ছোট থেকেই এই নিয়ম বানিয়েছে মা। মায়ের কিনে দেওয়া শাড়ি পরেই অঞ্জলি দেন।
রুক্মিণী বললেন, ‘ছোট থেকে একটা নিময় আছে মায়ের, অষ্টমীর অঞ্জলি শাড়ি পরে দেওয়া। শাড়িটা মা-ই কিনে দেয়। আমার কাছে অষ্টমী মানেই, লাল পাড়ের সাদা একটা ট্র্যাডিশনাল শাড়ি পরে অঞ্জলি দিতেই হবে।’
রুক্মিণীর কেরিয়ারকে নতুন মোড় দিয়েছে বিনোদিনী: একটি নটীর উপাখ্যান সিনেমা। রাম কমল মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ছবিটি বলা চলে, একার কাঁধেই টেনেছিলেন তিনি। এমনকী এই সিনেমা চলাকালীন ঐতিহ্যপূর্ণ স্টার থিয়েটারের নাম বদলে বিনোদিনী থিয়েটার করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আপাতত মুক্তির অপেক্ষায় রুক্মিণীর বাইক অ্য়াম্বুলেন্স দাদা ছবিখানা। যা অগস্টে মুক্তির কথা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে এসে পিছিয়ে যায়। মনে করা হচ্ছে, শীতের সময় অর্থাৎ ডিসেম্বরে হয়তো ছবি মুক্তি পাবে প্রেক্ষাগৃহে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


