কে বেশি রাগী, রূপসা না সায়নদীপ? বরকে নিয়ে কী ফাঁস করলেন ‘পরিণীতা’-র সংযুক্তা
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আইনি বিয়ে করেছিলেন রূপসা ও সায়নদীপ। এরপর ২০২৪ সালের অক্টোবরে সামাজিক বিয়ে। তারপরই কোলে আসে ছেলে। নেটমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় রূপসা ও সায়নদীপের জুটি। এবার দুজনকে একসঙ্গে দেখা গেল জি বাংলার শাশুড়ি বৌমার রান্নাঘরে।
সম্প্রতি জি বাংলার রান্নার শো ‘শাশুড়ি বউমার রান্নাঘর’-এ এসেছিলেন রূপসা চট্টোপাধ্যায় ও সায়নদীপ সরকার। জুন মাস থেকেই একেবারে নতুনভাবে শুরু হয়েছে এই শো। যেখানে শাশুড়ি আর বউমার খুনসুটি-র মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে নতুন নতুন রান্না। আর এপিসোডগুলিতে আপাতত দেখা মিলছে তারকাদের।

রূপসা ও সায়নদীপের জুটি বেশ জনপ্রিয় সোশ্য়াল মিডিয়াতে। রূপসার বর সায়নদীপ একেবারেই বিনোদন জগতের সঙ্গে যুক্ত নন। বরং তিনি কাজ করেন এক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে। কমন ফ্রেন্ডডের মাধ্যমে এখ বন্ধুর বাড়িতে আলাপ দুজনের। আর প্রথ দেখাতেই মন দিয়ে ফেলেন। তারপর মাসখানেক প্রেম করার পরই নিয়ে ফেলেন বিয়ের সিদ্ধান্ত। রূপসা ও সায়নদীপ ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আইনি বিয়ে করেছিলেন। আইনি বিয়ের প্রায় দেড় বছর পর, ৪ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে তাঁরা জাঁকজমকপূর্ণভাবে সামাজিক বিয়ে করেন। যেখানে ইন্ডাস্ট্রির বহু পরিচিত মুখ হাজির ছিলেন। আর সামাজিক বিয়ের মাসখানেকের মধ্যেই মা হন রূপসা। কোলে আসে ছেলে অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়। ছেলেকে যদিও আদর করে তাঁরা ডাকেন ডুগ্গু।
শাশুড়ির বউমার রান্নাঘর শো-তে এসে রান্নার পাশাপাশি একে-অপরকে নিয়ে খোলসা করলেন জার মজার কথা। 'র্যাপিড' ফায়ার রাউন্ডে যখন জানতে চাওয়া হয় কে বেশি রাগী দুজন দেখান একে-অপরকে। আর তাতে সায়নদীপ বলে ওঠেন, ‘আমাকে দেখে মনে হয় আমার রাগ থাকতে পারে’! আর বরের মুখে এমন কথা শুনেই রূপসার জবাব, ‘রিয়েল লাইফ অ্য়াক্টর। এটা কিন্তু ভুললে চলবে না। ভীষণ ভালো অভিনেতা ও।’
অগোছালো জানতে চাইলে রূপসা দেখিয়ে দেন বরকে। সায়নদীপ অবশ্য এই ‘বদনাম’ নেন মাথা পেতে। বলে ওঠেন, ‘না রূপসার প্লাস পয়েন্ট আছে, জানি না ফ্লোরে কী করে। বাড়িতে দেখি এক হাতে ছাতা। সবসময় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদিকে ওদিকে নোংরা থাকলেই ও এরকম করতে থাকে।’ আর তাতে রূপসা ফুট কাটেন, ‘কারণ একজন তো নোংরা করে বেড়াচ্ছে।’
ছেলে হওয়ার কয়েকমাসের মধ্যে কাজে ফিরেছেন রূপসা। এই মুহূর্তে তাঁকে দেখা যাচ্ছে পরিণীতা ধারাবাহিকে। আর কাজের ফাঁকে যেটুকু সময় থাকে, তা কাটে ১৮ মাসের ছেলের সঙ্গে। এছাড়াও ডেইলি ভ্লগ শেয়ার করেন রূপসা। এমনকী, তাতে সঙ্গ দেন সায়নদীপও। দুজনের দাম্পত্যের নানা মুহূর্ত, ছেলের দুষ্টুমি সবই তুলে ধরেন সোশ্যাল মিডিয়াতে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


