বকাঝকা করতে পারছেন না দাদা! বিগ বস বাংলার নতুন হোস্ট ‘অ্যাংরি ম্যান’ রূপম ইসলাম? যা লিখলেন গায়ক-পত্নী রূপসা
আপাতত যেন গোটা বাংলার নজর বিগ বস বাংলায়। টলিউডের সব চেনা মুখেরা ঘর বন্দি। খেলা জমিয়েছে দুর্নিবার, নন্দিনী, জীতু, সৃজলারা। ওয়াইল্ডকার্ডে আসা রাজবীর দে-তো যাকে বলে ঝড় তুলে দিয়েছে। রোজই চলছে নানান কাণ্ড, আর সপ্তাহান্তে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিচারের অপেক্ষা।
বিগ বস বাংলা নিয়ে তর্কবিতর্ক থামার নামই নিচ্ছে না। প্রথম এপিসোড থেকেই কিছু সংখ্যক দর্শকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে শো-এর হোস্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে ঘিরে। এরই মাঝে একটি নিউজ কার্ড ভাইরাল হয়েছে। যেখানে লেখা, ‘সৌরভ নন, বগ বস বাংলায় রকস্টার রূপম ইসলামের রাগী মেজাজ চান নেটিজেনদের একাংশ’। আর এটিতেই আবার চোখ আটকায় রূপম-পত্নীর।

রূপসা দাশগুপ্ত সেটি শেয়ার করে রূপমের উদ্দেশে লেখেন, ‘রূপম ইসলাম দেখো এটা, এইমাত্র আমার ফিডে এলো, আর আমি হাসি থামাতেই পারছি না। তুমি যতই বলো আমি বেশি রাগী, লোকে মানবে না। তুমিই অ্যাংরি ম্যান।’
২০০৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন রূপম ইসলাম ও রূপসা দাশগুপ্ত। আইনি কাগজে সইসাবুদ, তারপর রূপসার সিঁথিতে সিঁদুর দেন রূপম। কোনো সংস্কৃত মন্ত্রোচ্চারন নয়, বরং সেই সময় বাজছিল গায়কেরই জনপ্রিয় গান- ‘আমি তোমার চোখের কালো চাই’। প্রসঙ্গত, রূপসা কেবল রূপমের স্ত্রী নন, তিনি রূপমের ব্যান্ড 'ফসিলস' পরিচালনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের এক ছেলেও রয়েছে, যার নাম রেখেছেন রূপ আরোহন প্রমিথিউস।
যাই হোক, বিগ বস বাংলার সঞ্চালায় সৌরভের না থাকার কোনো সম্ভাবনাই নেই। এটা শুধুমাত্রই কিছু মানুষের কল্পনা। গত শনি ও রবিবার বিগবস বাংলায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের দাদার দরবার একেবারে সুপার ডুপার হিট গিয়েছে। ঠান্ডা মাথার সৌরভ বেশ বকাঝকা করেছেন ঘরের সদস্যদের। আর সেই তালিকায় রয়েছে নিরঞ্জন, ঝিলম, নন্দিনী। এমনকী, সৌরভের সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ভরত কলকেও।
বিগত কয়েকসপ্তাহ ধরে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে দর্শকদেরমধ্যে একটা অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল এটাও সঠিক। যার অন্যতম কারণ ছিল রাজবীর-এর প্রশংসা। এমনকী, সৌরভের মুখের উপর এই নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছিলেন জীতু কমল, তনুশ্রীরা। সবার একটাই কথা ছিল, ‘দাদা কেন বকা দিচ্ছে না?’
চলতি সপ্তাহে আপাতত বিগ বস বাংলার ঘর অনেকখানিই শান্ত। একটা ঠান্ডা লড়াই চলছে জীতু কমল ও দুর্নিবারের মধ্যে। ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রিতে অনুষ্কা ঘোষ এসে অনেকেরই কানেকশন ভাঙার চেষ্টা চালালেও, সেভাবে বড় কোনো অশান্তি লাগেনি ঘরে। শুধু লাক্সারি বাজেটে ‘ভোটের টাস্ক’ ঘিরে দুর্নিবারের মুখে ‘গুন্ডা’ শুনে রেগে আগুন হয় রাজবীর। রীতিমতো ভাঙচুর চালায় সে গোটা ঘরে। বিশেষ করে বিরোধী দলের টাস্কের সরঞ্জাম নষ্ট করে দেয়। খেলার পরবর্তী অংশ আসবে মঙ্গলবারেও। দেখার নতুন কোন ড্রামা অপেক্ষা করে আছে দর্শকদের জন্য।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


