অমৃতা ছিলেন ‘মায়ের মতো’, করিনাকে নিয়ে কী বললেন সাবা? সইফের দুই স্ত্রী ঘিরে চর্চা
সইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের বিচ্ছেদের পরেও প্রাক্তন বৌদির প্রতি শ্রদ্ধা অটুট সাবা আলি খানের। সম্প্রতি এক পডকাস্টে অমৃতার সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলে সাবা জানালেন, তাঁর জীবনে মায়ের মতোই ছিলেন সইফের প্রাক্তন স্ত্রী। এমনকী, ফ্যাশন থেকে ব্যক্তিগত জীবন, নানা বিষয়ে তাঁকে পরামর্শ দিতেন অমৃতা।
## সইফের প্রাক্তন স্ত্রী অমৃতা সিংকে কেমন চোখে দেখতেন সাবা? ‘আমার জীবনে মায়ের মতো ছিলেন’, অকপট স্বীকারোক্তি

সইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের বিচ্ছেদ হয়েছে প্রায় দু’দশক আগে। ১৯৯১ সালে বিয়ে, তারপর ২০০৪ সালে আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। কিন্তু সইফের পরিবারের সঙ্গে অমৃতার সম্পর্কের সমীকরণ ঠিক কেমন ছিল? সম্প্রতি এক পডকাস্টে এই বিষয়ে মুখ খুললেন সইফের বোন সাবা আলি খান। জানালেন, অমৃতা তাঁর জীবনে অনেকটা মায়ের মতোই ছিলেন। এমনকী, নিজের মায়ের কাছ থেকে যে পরামর্শ পেতেন না, অনেক সময় অমৃতাই তাঁকে সঠিক পথ দেখাতেন।
বিচ্ছেদের পর বদলে যায় অমৃতা ও সাবার সম্পর্ক
সিদ্ধার্থ কাননের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সাবা জানান, ২০০৪ সালে সইফ ও অমৃতার বিচ্ছেদের পর তাঁদের দু’জনের সম্পর্কেও কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। তবে একে অপরের প্রতি কোনও তিক্ততা বা রাগ নেই। অমৃতার প্রতি তাঁর বরাবরই ভালো লাগা ছিল বলে জানান সাবা।
অমৃতাকে নিয়ে কী বললেন সাবা?
অমৃতার সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে সাবা জানান, অমৃতাকে তাঁর অত্যন্ত পরিণত ও বিচক্ষণ মহিলা বলে মনে হত। তাঁর কথায়, অমৃতার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও বেশ ভালো ছিল। সাবা বলেন, ‘আমার মা যেখানে আমার সমালোচনা করতেন, সেখানে অমৃতা অনেক সময় আমাকে সঠিক পথ দেখাতেন। তিনিও একই কথা বলতেন, তবে বড় দিদির মতো করে।’
পাশাপাশি সাবা স্পষ্ট করেন, করিনা কাপুরের প্রতিও তাঁর ভালোবাসা রয়েছে। পরিবারের প্রতি নিজের ভালোবাসা ও আনুগত্যের জায়গাটিও তাঁর কাছে অত্যন্ত পরিষ্কার।
ফ্যাশন নিয়েও পরামর্শ দিতেন অমৃতা
শুধু ব্যক্তিগত জীবন নয়, পোশাক-আশাক নিয়েও সাবাকে পরামর্শ দিতেন অমৃতা। সাবার কথায়, অমৃতার সঙ্গে দেখা করার আগে তিনি বেশ ভালো করে সেজেগুজে যেতেন। কারণ অমৃতা তাঁর সাজপোশাকের প্রতিটি খুঁটিনাটি লক্ষ করতেন। কোন ব্যাগের সঙ্গে কোন পোশাক মানাচ্ছে না, কিংবা রঙের সমন্বয়ে কোথায় খামতি রয়েছে, সবটাই ধরিয়ে দিতেন। সাবাকে আরও ভালোভাবে ফ্যাশন বুঝতে সাহায্য করতেন তিনি।
সাবার কাছে মায়ের মতো ছিলেন অমৃতা
সাবা জানান, একটা সময় তাঁর নিজের মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। সেই তুলনায় অমৃতার সঙ্গে নিজের মনের কথা সহজেই ভাগ করে নিতে পারতেন তিনি। তাই অমৃতাকে নিজের জীবনে অনেকটা মায়ের মতোই মনে হত তাঁর।
তবে সইফ ও অমৃতার বিচ্ছেদের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সাবার কথায়, বিচ্ছেদের পর অমৃতার নিজের জন্য কিছুটা সময় এবং দূরত্বের প্রয়োজন ছিল। সেই কারণেই তাঁদের যোগাযোগ আগের তুলনায় কমে যায়। যদিও এখনও কোথাও দেখা হলে তাঁরা একে অপরের সঙ্গে ভালোভাবেই কথা বলেন।
সইফ-অমৃতার সঙ্গে পার্টিতে যেতেন সাবা
সইফ ও করিনার সঙ্গে এখন কি বলিউডের পার্টিতে যান সাবা? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, সইফ ও অমৃতা যখন বিবাহিত ছিলেন, তখন তাঁদের সঙ্গে প্রায়ই বিভিন্ন ফিল্মি পার্টিতে যেতেন তিনি। তবে এখন আর তেমন একটা যাওয়া হয় না। কারণ সইফ ও করিনাও বর্তমানে খুব বেশি পার্টিতে যান না।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সইফ আলি খান ও অমৃতা সিং। তাঁদের বয়সের ব্যবধান ছিল ২১ বছর। ২০০৪ সালে বিচ্ছেদ হয় তাঁদের। এই দম্পতির দুই সন্তান সারা আলি খান ও ইব্রাহিম আলি খান। পরবর্তীতে ২০১২ সালে করিনা কাপুরকে বিয়ে করেন সইফ। তাঁদের দুই সন্তান তৈমুর ও জেহ।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


