এই পোস্ট দেখেই সবার দাবি সুস্মিতার সঙ্গে সম্পর্কে সিলমোহর সাহেবের! এমন কী লিখলেন
বুধবার সাহেব দুটি ছবি শেয়ার করেন সুস্মিতার সঙ্গে। ছবি আর ক্যাপশন দুটোই রোম্যান্সে ভরা। অনুরাগীদের দাবি, এতদিন পর সম্পর্কে অবশেষে পড়ল সিলমোহর।
ধারাবাহিকের কিছু জুটি থাকে যাদের রিল লাইফ কেমিস্ট্রি এতটাই স্ট্রং থাকে যে, রিয়েল লাইফেও তাঁদের নিয়ে চলতে থাকে মাতামাতি। এই তালিকায় পড়েন সাহেব ভট্টাচার্য আর সুস্মিতা দে-ও। যদিও সাহেব-সুস্মিতা নিজেরাই সম্পর্কের গাড়ি বহুদূর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। খবর রয়েছে, দুজনের নাকি পাকাকথাও হয়ে গিয়েছে। শুধু বিয়ের পিঁড়িতে যাওয়াটাই যা বাকি!

সাহেব ভট্টাচার্য দুটি ছবি শেয়ার করে নেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে দুজনকেই দেখা গেল কালো টি-শার্টে। সঙ্গে ডেনিম। ভিক্টোরিয়া, অস্তগামী সূর্যকে সাক্ষী রেখে একটি ছবিতে অপলকে একে-অপরের দিকে চেয়ে আছেন। আরেকটিতে সাহেবের বুকে সুস্মিতা রেখেছেন মাথা।
আর এই পোস্টের ছবির মতো, ক্যাপশনও বেশ রোম্যান্টিক। সাহেব লিখেছেন, ‘শহর, তার অট্টালিকা, পথঘাট, গাছেরা, নিভে-জ্বলা পথবাতি। বেঁচে থাকা এক কংক্রিটের জঙ্গলের অবিরাম কোলাহল— সবাই জানে আমাদের সেই গল্প। গল্পটা রয়ে যাক শহরেরই অন্তরালে, পৃথিবীর কাছে সে থাক নির্মল অজানায়।’
সাহেব আর সুস্মিতা একসঙ্গে কাজ করেছিলেন ‘কথা’ ধারাবাহিকে। আর সেখান থেকেই দুজনের সম্পর্কের সমীকরণ বদলায়। একাধিক সাক্ষাৎকারে দেখা গিয়েছিল, সুস্মিতাকে আগলে রাখেন সাহেব। অভিনয় নিয়ে পরামর্শ দেন। এমনকী, সাহেবের বাড়িতেও অগাধ যাতায়াত। অভিনেতা-র মা ও দিদির সঙ্গেও দেখা গিয়েছে সুস্মিতাকে।
যদিও প্রেম নিয়ে প্রশ্ন এলেই, দুজনেই অস্বীকার করে গিয়েছেন। এমনকী, একে-অপরকে ভালো বন্ধু হিসেবেই উল্লেখ করে এসেছিলেন। সেখানে এমন প্রেমের পোস্ট দেখে চোখ ছানাবড়া তাঁদের ভক্তদের। একজন লিখলেন, ‘সে কি! আমি তো নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না।’ আরেকজন লিখলেন, ‘কোনো কিছু বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। আমার চোখ জলে ভরে গিয়েছে। শুধু এতটুকুই বলব আমাদের পুরো ফ্যানডমের কষ্ট সার্থক হয়েছে।’ অনেকেই এই পোস্টকে সাহেব ও সুস্মিতার নিজেদের সম্পর্কে সিলমোহর দেওয়া মনে করছেন।
কাজের সূত্রে, সাহেব ভট্টাচার্যকে আপাতত দেখা যাচ্ছে গঙ্গা ধারাবাহিকে। চলতি বছরের মার্চে শুরু হয় এই মেগা। হিয়া মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন নায়ক। আর অন্য দিকে, সুস্মিতা কাজ করছেন তিলোত্তমা-য়। এখানে তাঁর দ্বৈত চরিত্র। এক বোন ডাক্তার, আরেকজন পেশায় নৃত্যশিল্পী। বিয়ের দিন এক চিকিৎসক বোন হাসপাতালের ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের কথা জেনে ফেলে। এরপর তার ওপর আক্রমণ হলে, অন্য বোন সত্য সামনে আনতে সব ঝুঁকি নেয়। অনেকেই এই মেগায় আরজি কর কাণ্ডের ছায়া দেখতে পেয়েছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


