ধুমধাম করে বাড়িতে গণেশ পুজো ‘লাজু’ সাইনার! পোলাও থেকে পনির, গণপতির ভোগে কী ছিল?

বাড়িতে গণেশ পুজো করেছেন সাইনা ও সংযুক্তা। পোলাও, লুচি, পনির, আলুরদম-- আর কী কী ভোগ গণপতিকে দিয়েছিলেন কনে দেখা আলো-র লাজু?

Published on: Sep 15, 2026, 12:31:08 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সোমবার টলিউডের বহু তারকাই ধুমধাম করে পালন করলেন গণেশ চতুর্থীর অনুষ্ঠান। জিৎ, দেব, রাজ-শুভশ্রী, কাঞ্চন-শ্রীময়ীরা সকলেই সামিল হয়েছিলেন গণপতির আরাধনায়। পুজো হয় অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও। সবটা আয়োজন করেছিলেন সাইনা-সংযুক্ত। একবেরা যজ্ঞ করে আরাধনা করা হয় গণপতির। পরিবার, বন্ধুদের নিয়ে চলে উদযাপন।

সাইনার বাড়ির গণেশ পুজোর ভোগের মেনু।
সাইনার বাড়ির গণেশ পুজোর ভোগের মেনু।

গণেশ পুজোর দিন ‘লাজু’ সাইনা পরেছিল গোলাপি রঙের থ্রি পিস শারারা সেট। আর সাদা-সোনালি সালোয়ারে দেখা যায় সংযুক্তাকে। অভিনেত্রী জানান, তিনি নিজে পুজোর আল্পনা দিয়েছেন। তবে পুজোর সব আয়োজন করেছে মা-ই। ভোগে ছিল পোলাও, পনির, আলুর দম, লাড্ডু, নানারকমের মিষ্টি, লুচি। কদিন আগে জন্মাষ্ঠমীর পুজোও করেছিলেন বাড়িতে। প্রতিবছর বাড়িতে দুর্গাপুজোও করে এসেছেন তাঁরা। অভিষেক চলে যাওয়ার পরেও, পুজো বন্ধ করেননি তাঁরা।

বেশ ছোট্ট বয়সে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন সাইনা। বাবা-কে অভিনয় করতে দেখেছিলেন ছোট থেকেই। তাই তাঁর চোখেও ছিল অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন। সাইনার প্রথম কাজ ছিল অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিক। যেখানে রূপা-র কিশোরীবেলার চরিত্রে মাসখানেক দেখা যায় তাঁকে।

তবে সাইনাকে ঘরে ঘরে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে কনে দেখা আলো ধারাবাহিকটি। বিশেষ করে এই মেগায় তাঁর আর সোমরাজ মাইতি-র জুটি। আচমকা কনে দেখা আলো-র গল্প শেষ করায় দর্শকরাও বেশ বিরক্ত, তা স্পষ্ট হয় জি বাংলার ফেসবুক পেজের কমেন্ট সেকশনে চোখ রাখলেই।

তবে অভিনয়ের পাশাপাশি জোর কদমে লেখাপড়াও চালাচ্ছেন সাইনা। ধারাবাহিকের চাপ সামলে স্কুল করতে পারছিলেন না বলে, হোম স্কুলিংয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বোর্ড IGCSE ক্লাস টেনের বোর্ড এক্সাম দেন সাইনা। আপাতত ক্লাস টুয়েলভের পরীক্ষা দেবেন এই বোর্ড থেকেই। তারপর উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার কথাও ভেবেছেন। মনোবিজ্ঞান নিয়ে কেমব্রিজ থেকে পড়াশোনা করার স্বপ্ন দেখেন।

২০২২ সালের ২৪ মার্চ মাত্র ৫৭ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান অভিষেক। সাইনার বয়স তখন বছর এগারো। সাইনা দাদাগিরিতে এসে জানিয়েছিলেন যে, ছোটবেলায় বাবা তাকে একবার নিজের একটি সিনেমা দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলেন, যেখানে কয়েকজন লোক অভিষেককে লাঠি দিয়ে প্রচণ্ড মারছিল। তা দেখে বেশ ভয় পেয়ে যান সাইনা। বাবার সিনেমা আর না দেখারই সিদ্ধান্ত নেন। এরপর একটু বড় হয়ে ফের বাবার ছবি দেখতে যান, সেই একই দৃশ্য, ভিলেনের হাতে মার খাচ্ছে বাবা। ব্যস, সেই ভয় থেকে বাবার ছবি দেখা বন্ধ।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More