নন্দিনী আচমকা ছাড়েন কনে দেখা আলো! কতটা মিস করবেন? ‘আজব’ জবাব সাইনা-সোমরাজের
কনে দেখা আলো থেকে নন্দিনী দত্তের সরে দাঁড়ানো নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছেই। এরই মাঝে সাইনা-সোমরাজের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাঁরা পুরনো বনলতাকে কতটা মিস করবেন। যা নিয়ে দুই তারকার জবাব তৈরি করল নতুন বিতর্ক।
সম্প্রতি ‘কনে দেখা আলো ছাড়েন’ নন্দিনী দত্ত। খবর রয়েছে যে, যেভাবে তাঁর চরিত্রের মোড় বদল হয়েছিল। ক্রমশ নেতিবেচক করে তোলা হয়েছিল, যেভাবে ক্রমাগত সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল হতে হচ্ছিল, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত তাঁর। যদিও এই দাবি হাওয়ায় উড়িয়ে দিয়েছেন নন্দিনী। বরং জানিয়েছেন, তাঁর কনে দেখা আলো ছাড়া একান্তই ব্যক্তিগত। এরই মাঝে উড়ো খবর, সেটে নন্দিনীর সঙ্গে নাকি একেবারেই বনিবনা হচ্ছিল না সোমরাজ ও সাইনার।

ধারাবাহিকে সোমরাজের অনস্ক্রিন স্ত্রীর চরিত্রে দেখা যাচ্ছিল নন্দিনীকে। আর সোমরাজের লাভ ইন্টারেস্ট হলেন সাইনা। অর্থাৎ একটা ত্রিকোণ প্রেমের আবহ ছিলই। একইসঙ্গে যেহেতু সাইনা-সোমরাজের জুটি প্রথম থেকেই কেড়ে নেয় দর্শকদের মন, তাই খানিকটা হলেও ব্যাকফুটে ছিলেন নন্দিনী।
সম্প্রতি তিনি ‘কনে দেখা আলো’-কে টাটা বাই বাই করার পর, সেটে এক সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে সাইনা ও সোমরাজের কাছে প্রশ্ন করা হয়, তাঁরা কতটা মিস করবেন। এতে সাইনা ও সোমরাজের জবাব নিয়ে ফের বিতর্ক। নন্দিনীর অনুরাগীরা বরং বেশ বিরক্ত দুই তারকার উপর।
সোমরাজ সাংবাদিকের থেকে সেই প্রশ্ন শুনে খানিক থেমে জবাব দেন, ‘মানে অভিনেতা হিসেবে? হ্যাঁ অবশ্যই। কেন নয়। ১ বছর ধরে আমরা জার্নি শুরু করেছি। এবার এটা একটা পেশাগত সিদ্ধান্ত। আশা করি ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে।’ আর সাইনা বলেন, ‘আমি ওঁর পেশাগত সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। এই ব্যাপারে আর কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’
একজন সাইনা ও সোমরাজের এই জবাবের সমালোচনা করে বলেন, ‘১ বছর একসঙ্গে কাজ করেছে, বলতে তো পারত, হ্যাঁ মিস করব। সেখানেও এরকম জবাব।’ আরেকজন লেখেন, ‘এই তো স্পষ্টই হয়ে গেল নন্দিনীর সঙ্গে এদের ঝামেলা ছিল। আশ্চর্য। মিস করব বললেই তো ল্যাটা চুকে যেত। এত ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে জবাব দেওয়ার কী ছিল।’
‘কনে দেখা আলো’-র শেষ দিনে নন্দিনী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন, ‘সাইনিং অফ, বনলতা হিসাবে। খুব শিক্ষণীয় একটা অভিজ্ঞতা! শুভকামনা পুরো টিমকে।’ এর আগে ‘দুই শালিক’ ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছিল অভিনেত্রীকে। আর সাইনা তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছেন সদ্যই। তাঁর জার্নি শুরু হয়েছিল ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ দিয়ে। মাসখানেক কাজ করেছিলেন সেই মেগায়। অন্য দিকে, সোমরাজকে দেখা গিয়েছিল ‘চিনি’-তে। যদিও সোমরাজের কেরিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট ছিল ‘এই ছেলেটা ভেল ভেলেটা’।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


