‘ভালোবাসার এমন রূপ তুমি শিখিয়েছ…’! তবে কি প্রেম নাড়ল কড়া ‘লাজু’ সাইনার জীবনে?
‘কনে দেখা আলো’ ধারাবাহিকে লাজু-র চরিত্রে দর্শক এই মুহূর্তে দেখছেন সাইনা চট্টোপাধ্যায়কে। অভিনয় দিয়ে মাত্র ১৬ বছর বয়সে পিছনে ফেলে দিয়েছেন দুঁদে নায়িকাদের।
ছোটপর্দায় দাঁপিয়ে কাজ করছেন কনে দেখা আলো-র ‘লাজু’ ওরফে সাইনা চট্টোপাধ্যায়। সদ্য টপকেছেন ক্লাস টেনের গণ্ডি। অভিনয় দিয়ে পিছনে ফেলে দিয়েছেন বাঘা বাঘা নায়িকাদেরও। জেন জি এই সুন্দরীর ফ্যান ফলোইংও কম নেই। এরই মাঝে কার জন্য লিখলেন, ‘ভালোবাসার এমন এক রূপ তুমি আমাকে শিখিয়েছ যা আগে আমার জানাই ছিল না…’।

যদিও সাইনার জীবনে এই প্রেম এসেছে তাঁর পোষ্য ডেক্সটরের হাত ধরে। ফুটফুটে এক কুকুরছানা, যাকে নিজের ভাইয়ের মতোই ভালোবাসেন সাইনা। আর সেই সারমেয়র জন্মদিনেই অভিনেত্রী লিখলেন, ‘তোমাকে বড় হতে দেখাটা আমার জীবনের সেরা অভিজ্ঞতা। ভালোবাসার এমন এক রূপ তুমি আমাকে শিখিয়েছ, যা আগে আমার জানাই ছিল না। আর আমার জীবনে ঘটা সেরা ঘটনাটি সবসময় তুমিই হয়ে থাকবে। ভালোবাসি তোমাকে, আমার ডেক্সটু❤️ শুভ জন্মদিন!’
সাইনার পোষ্যকে শুভেচ্ছা জানালেন সহ-অভিনেতা মৈনাক ঢোল। যাকে কনে দেখা আলো-তে সুদেবের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে। লিখলেন, ‘হ্যাপি বার্থ ডে ডেক্সটু। লাভ ইউ বাচ্চা। ভগবান তোমার মঙ্গল করুক। খুব ভালো থাকো।’
অভিনয়ের সঙ্গে লেখাপড়াতেও বেশ নজর সাইনার। International General Certificate of Secondary Education (IGCSEs) বোর্ড থেকে দারুণ নম্বর নিয়ে পাশ করেছেন ক্লাস টেন। ডেইলি সোপের চাপ সামলে চলছিল শ্যুট। এমনকী, শ্যুটিংয়ের চাপে প্রথাগত স্কুলও ছাড়তে হয়েছে। বরং মেয়ের জন্য হোম স্কুলিংকে বেছে নিয়েছিলেন সংযুক্তা। আপাতত ক্লাস টুয়েলভ দেবেন হোম স্কুলিংয়ের মাধ্যমেই। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ারও ইচ্ছে রয়েছে বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন সাইনা।
অভিনয় তাঁর রক্তে। অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের একমাত্র মেয়ে তিনি। বাবার আদরের ‘ডল’। ছোট থেকে অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন ছিল সাইনার। যদিও মেয়ের অভিনয় কেরিয়ার দেখে যাওয়ার সুযোগ হয়নি অভিষেকের। মাত্র ৫৭ বছর বয়সে ২০২২ সালের ২৪ মার্চ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন অভিষেক। সেই সময় সাইনার বয়স ছিল মাত্র ১১ বছর।
কনে দেখা আলো-র লাজু হিসেবে এখন সাইনাকে দেখা গেলেও, ছোট পর্দায় শুরুটা হয়েছিল অনুরাগের ছোঁয়ার হাত ধরে। মাসখানেক এই প্রোজেক্টের অংশ ছিলেন তিনি। রূপা-র মাঝারি বয়সের চরিত্রে করেছিলেন কাজ। তবে অভিনেত্রী জীবনে বাবাকে পাশে না পেলেও, বাবার আদর্শকে পাথেয় করে এগিয়ে চলেছেন। আর সঙ্গে সবসময় ঢাল হয়ে রয়েছে মা সংযুক্তা। সংসার, কেরিয়ার সমলে চলেছেন একা হাতে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


