Kone Dekha Alo: ‘একটা সিরিয়াল হয়তো শেষ হয়ে যায়, কিন্তু…’! কনে দেখা আলো নিয়ে আবেগে ভাসলেন সাইনা
কনে দেখা আলো-র জার্নি আচমকাই শেষ। জি বাংলার এই সিদ্ধান্তে রীতিমতো খচে লাল লাজু-অনুভব জুটির ভক্তরা। এরইমাঝে আবেগে ভাসলেন সাইনা। যার ছাপ পড়ল তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতেও।
আচমকাই কনে দেখা আলো ধারাবাহিকটি শেষ করার সিদ্ধান্ত জি বাংলার। কদিন আগেই বনলতা চরিত্রটি থেকে সরে দাঁড়ান নন্দিনী দত্ত। খবর, বিগ বস বাংলায় যাওয়ার জন্যই নন্দিনী ছাড়েন এই ধারাবাহিক। এরপর নতুন বনলতা হিসেবে ধারাবাহিকে এন্ট্রিও হয় সৌমিলি চক্রবর্তীর। তবে তাতেও বাঁচানো গেল না এই মেগা। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে এটির শেষ দিনের শ্যুট।

মুখ্য চরিত্রে এটাই ছিল সাইনা চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম কাজ। এর আগে মাসখানেক অনুরাগের ছোঁয়ায় কাজ করলেও, সাইনা লাজু হিসেবে সব বয়সী দর্শকের মনে জায়গা করে নেন। স্বাভাবিকভাবেই আচমকা কনে দেখা আলো শেষ হওয়ার খবরে বেশ ইমোশনাল বছর ১৬-র সাইনা। একের পর এক পোস্ট শেয়ার করেছেন।
নিজের দর্শকদের উদ্দেশে সাইনা লেখেন, ‘লাজবন্তী হয়ে যখন প্রথম কোনে দেখা আলো-র জগতে পা রেখেছিলাম, তখন ভাবিনি যে লাজু আপনাদের হৃদয়ে এমন বিশেষ একটি জায়গা করে নেবে। আপনাদের বার্তা, এডিট, আশীর্বাদ, ভালোবাসা এবং এখনকার এই সুন্দর উপহারগুলো—সব মিলিয়ে আপনারা আমার জন্য এই যাত্রাকে অবিস্মরণীয় করে তুলেছেন। একটা সিরিয়াল হয়তো শেষ হয়ে যায়, কিন্তু সেই পথে গড়ে ওঠা ভালোবাসা ও স্মৃতিগুলো চিরকাল থেকে যায়। আপনাদের হাসি, উৎসাহ এবং জীবনের নানা চড়াই-উতরাইয়ের সময়ে পাশে থাকা—সবকিছুই আমার হৃদয়ের খুব কাছাকাছি থাকবে। আমাকে আপন করে নেওয়ার জন্য, উৎসাহ দেওয়ার জন্য এবং ‘লাজু’-কে নিজেদেরই একজন হিসেবে ভালোবাসার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আমাকে এটা অনুভব করানোর জন্য ধন্যবাদ যে, আমি কেবল একটি চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী নই, বরং আপনাদের পরিবারেরই একজন সদস্য।’
একইসঙ্গে কনে দেখা আলো টিমকেও ধন্যবাদ জানান অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের কন্যা। ধারাবাহিকে সাইনা চট্টোপাধ্যায় ও সোমরাজ মাইতি-র জুটিও দর্শকদের কাছে ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ভাইরাল হয় ‘অনুবন্তী’, ‘সাইরাজ’ হ্যাশট্যাগ। এই নিয়ে সাইনার বার্তা, ‘আমাদের প্রতি আপনারা যে অফুরন্ত ভালোবাসা, সমর্থন ও আস্থা উজাড় করে দিয়েছেন, তার জন্য ধন্যবাদ জানানোর ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। আপনাদের প্রতিটি হাসি, প্রতিটি বার্তা এবং প্রতিটি আশীর্বাদ আমাদের এই সুন্দর যাত্রার অংশ হয়ে গিয়েছে।’
এদিকে কনে দেখা আলো শেষ হওয়ার খবরে একইবাবে আবেগে দর্শকরা। একজন লিখলেন, ‘আমার শুধু কান্না পাচ্ছে। বুকের ভেতরটা ভার ভার লাগছে। যখনই মনে হচ্ছে লাজু অনুভবকে স্ক্রিনে দেখব না। হয়তো ভাগ্যে থাকলে সাইরাজ জুটি ফিরে আসবে কিন্তু অনুবন্তি জুটি? সেটা তো আর ফিরবে না!’ আরেকজন লেখেন, ‘সাইনু, আবার কাঁদলাম, তোমার লেখা পড়ে। সবার প্রতি তোমার সম্মান, কৃতজ্ঞতাবোধ, তোমাকে অনেক বড় হতে সাহায্য করবে। অনেক ভালো থেকো, মায়ের মুখের হাসিটা যেন তোমার জন্য সবসময়ই থাকে। আরও অনেক সুন্দর সুন্দর কাজ করো।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


