Saina-Somraj: বাবার জন্মবার্ষিকীতে আবেগঘন সাইনা, লাজুকে আগলে সোমরাজ! দিলেন বিশেষ উপহার
অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘আদুরে কোস্টার’ সোমরাজ মাইতি-র সঙ্গে সময় কাটালেন কন্যা সাইনা চট্টোপাধ্যায় (ডল)। পর্দার বাইরেও যে তাঁদের বন্ধুত্ব কতটা গভীর, সাইনার সাম্প্রতিক পোস্ট যেন আরও একবার তা প্রমাণ করে দিল।
টলিপাড়ার চিরসবুজ নায়ক অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের অভাব আজও প্রতিটি ক্ষণে অনুভব করেন তাঁর স্ত্রী সংযুক্তা ও কন্যা সাইনা। বৃহস্পতিবার অভিনেতার জন্মবার্ষিকী। আর এই বিশেষ দিনটির আগের সন্ধ্যাটি সাইনার কাছে হয়ে উঠল আরও একটু স্মরণীয়। পাশে এসে দাঁড়ালেন অভিনেতা সোমরাজ মাইতি। পর্দার রসায়ন ছাপিয়ে সাইনার কাছে তিনি এখন ভরসার এক বড় জায়গা।

উপহার যখন সত্যজিৎ:
সোমরাজ কেবল দেখা করতেই আসেননি, সাইনার জন্য নিয়ে এসেছেন এক অমূল্য উপহার। বাবার জন্মদিনের প্রাক্কালে সাইনার হাতে তিনি তুলে দিলেন ‘ক্লাসিক সত্যজিৎ রায়’ (পেঙ্গুইন প্রকাশনী)-এর একটি বিশেষ সংকলন। উপহার পেয়ে আপ্লুত অভিষেক-কন্যা সমাজমাধ্যমে সোমরাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, এই বহুমূল্য মমেন্টোটি তাঁর কাছে অত্যন্ত প্রিয় হয়ে থাকবে।
পর্দার বাইরে দারুণ বন্ধুত্ব:
‘কনে দেখা আলো’ ধারাবাহিকের দৌলতে সোমরাজ আর সাইনার (ডল) বন্ধুত্ব এখন টলিপাড়ার চর্চার বিষয়। ধারাবাহিকে সোমরাজ ‘অনুভব’-এর চরিত্রে অভিনয় করছেন, আর সাইনাকে দর্শক দেখছে লাজবন্তী (ওরফে লাজু)-র চরিত্রে। তবে শুটিং ফ্লোরের বাইরেও সাইনাকে আগলে রাখতে দেখা যায় সোমরাজকে। ডলের সাহস জোগাতে আর হাসিমুখে পাশে থাকতে সোমরাজ যে সবসময় প্রস্তুত, তা সাইনার পোস্ট করা সেলফিগুলোই বলে দিচ্ছে।
স্মৃতিতে অভিষেক:
অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনে প্রতি বছরই তাঁর পরিবার কোনো না কোনো বিশেষ আয়োজন করে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে বাবার জন্মদিনের প্রাক্কালে প্রিয় ‘সোমরাজ দা’-র এই উপস্থিতি এবং সত্যজিতের লেখার সেই সংকলন সাইনার মুখে যে চওড়া হাসি ফুটিয়েছে, তা দেখে নেটিজেনরাও বেশ খুশি। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ‘অভিষেক চট্টোপাধ্যায় আজ নেই, কিন্তু তাঁর মেয়েকে আগলে রাখার জন্য যে বন্ধুরা পাশে আছেন, এটাই সবথেকে বড় প্রাপ্তি।’
বাবার জন্য় খোলা চিঠি সাইনার
'শুভ জন্মদিন এই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটাকে। আমার হিরো, আমার আদর্শ, আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু— আমার বাবা। তোমাকে আমি অনেক অনেক ভালোবাসি (ইনফিনিটি পর্যন্ত)।
তোমার আদর্শ আর তোমার জীবনের গল্পগুলোই আজ আমাকে এই মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। আজ আমি যে নিজেকে মন থেকে ভালোবাসতে পারি, তার একমাত্র কারণ তুমি আর মাম্মা। আমাকে আজকের এই মানুষটা করে তোলার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। আশা, ইতিবাচকতা আর মানবতার শক্তি কী, তা আমায় শেখানোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি যেখানেই যাই, তোমার উপস্থিতি সবসময় আমার সঙ্গে থাকে। আমি গর্বের সঙ্গে তোমার একটা অংশ নিজের মধ্যে বয়ে চলি। যখন লোকে আমাকে বলে যে আমার হাসি বা আমার চোখ অথবা আমার কথা বলার ধরন (জোকস) তাদের তোমার কথা মনে করিয়ে দেয়, তখন সেটা আমার কাছে পৃথিবীর যেকোনো প্রশংসার চেয়েও বড় পাওয়া।
আমি আমার হাসি, আমার চোখ, আমার কৌতুক আর আমার মূল্যবোধের মধ্যে দিয়ে তোমাকে আজীবন বাঁচিয়ে রাখব। এটাই আমার জীবনের সবথেকে বড় আশীর্বাদ।'
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


