এখনও ছেলে নিয়ে দুবাইয়ে আটকে শুভশ্রী, দেশে ফিরলেন শাকিব খানের নায়িকা সোনাল চৌহান
দুবাইতে আটকে ছিলেন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে। দেশে ফিরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন সোনাল।
বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের মেঘ, আর সেই পরিস্থিতির মাঝেই বিদেশের মাটিতে আটকে পড়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী সোনাল চৌহান। ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার জেরে দুবাই বিমানবন্দরে দীর্ঘ সময় কাটাতে হয় তাঁকে। অবশেষে সমস্ত বাধা কাটিয়ে মুম্বইয়ে পা রাখলেন অভিনেত্রী। ঘরে ফিরতে পেরে চোখেমুখে স্পষ্ট স্বস্তির ছাপ।

দুবাইয়ে আটকে পড়া:
সোনাল একটি ব্যক্তিগত কাজে দুবাই গিয়েছিলেন। কিন্তু খামেনেই-এর মৃত্যুর পর ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ কার্যত অচল হয়ে পড়ে। নিরাপত্তার খাতিরে বহু বিমান বাতিল করা হয় এবং গতিপথ পরিবর্তন করা হয়। সেই গোলমালের মাঝেই দুবাইয়ে আটকে পড়েন সোনাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন তিনি।
আতঙ্কের সেই মুহূর্ত:
মুম্বইসোনাল জানান, পরিস্থিতির ভয়াবহতা তাঁকে বেশ চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘চারপাশে কী ঘটছে তা নিয়ে সবাই খুব দুশ্চিন্তায় ছিল। বিমানবন্দরের পরিবেশও বেশ থমথমে ছিল। অবশেষে নিজের দেশে ফিরতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবার আমি আত্মবিশ্বাস অনুভব করেছি। এই কঠিন সময়ে আমাদের নিরাপদ এবং শান্ত রাখার জন্য এবং এত যত্ন ও দায়িত্বের সাথে সবকিছু পরিচালনা করার জন্য এবং আমরা প্রত্যেকে নিরাপদ এবং সুরক্ষিত বোধ করি তা নিশ্চিত করার জন্য আমি দুবাই কর্তৃপক্ষের কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমি সত্যিই আশা করি এটি শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে, কারণ যুদ্ধ কখনই কোনও সমস্যার সমাধান নয়। এই কঠিন সময়ের মুখোমুখি হওয়া প্রত্যেকের প্রতি আমার হৃদয় সমবেদনা জানাচ্ছি এবং আমি শান্তি কামনা করি’।
শাকিব খানের দরদ নায়িকা ঘরে ফিরলেও ছেলে ইউভানকে নিয়ে এখনও মরু শহরে শুভশ্রী। সামার ভ্যাকেশন ছেলের, তাই ডেসার্ট সাফারির জন্য দুবাই উড়ে গিয়েছিলেন শুভশ্রী। কিন্তু বিমানবন্দরে পা দেওয়ার পরপরই ঘটে অঘটন। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে হোটেলে নিরাপদে রয়েছেন নায়িকা ও তাঁর ছেলে জানিয়েছেন রাজ। বুধবার দেশে ফিরতে পারেন অভিনেত্রী।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


