Salman Khan: জনদরদী সলমন, অসমের বন্যার্তদের পাশে ভাইজান! মাথার উপর ছাদ, তৈরি করে দেবেন ৫০০ ঘর
অসমে গত ছয় দশকের অন্যতম ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে বড় উদ্যোগ নিলেন বলিউড অভিনেতা সলমন খান। তাঁর সংস্থা 'বিয়িং হিউম্যান' এবার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গ্লোবাল শিখসের সঙ্গে হাত মিলিয়েবন্যাদুর্গত পরিবারের জন্য ৫০০টি আধা-পাকা, বন্যা-সহনশীল বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেছে।
গত ২৮ জুলাই জানা গিয়েছিল, অসমে ভয়াবহ বন্যার সময় 'বিয়িং হিউম্যান' ফাউন্ডেশন স্থানীয় ফ্যান ক্লাবগুলির সহযোগিতায় দুর্গতদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করেছিল। এবার সেই ত্রাণ কার্যক্রমের দ্বিতীয় ধাপে পুনর্বাসনের কাজে নেমেছেন সলমন খান। গ্লোবাল শিখসের সঙ্গে যৌথভাবে 'আশিয়ানা' প্রকল্পের অধীনে বন্যায় ঘরহারা মানুষদের জন্য আধা-পাকা বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রণদীপ হুডার কাজ দেখেই দ্রুত সিদ্ধান্ত
সূত্রের দাবি, পুনর্বাসনের পরিকল্পনা আগেই থাকলেও গত সপ্তাহে অভিনেতা রণদীপ হুডার অসমে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের ভিডিয়ো দেখে সলমন খান উদ্যোগটি আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এক পরিচিতের মাধ্যমে রণদীপের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। রণদীপ সলমনকে জানান, গ্লোবাল শিখসের প্রায় ৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক ময়দানে কাজ করছেন এবং বর্তমানে তাঁদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা।
৫০০টি বাড়ি তৈরির লক্ষ্য
গ্লোবাল শিখসের প্রতিষ্ঠাতা অমরপ্রীত সিং সলমন খানকে জানান, বাঁশ ও টিন দিয়ে তৈরি বন্যা-সহনশীল আধা-পাকা প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে খরচ পড়ছে প্রায় ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা। বিষয়টি জানার পরই 'বিয়িং হিউম্যান' এই প্রকল্পে অংশীদার হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দুই সংস্থা যৌথভাবে মোট ৫০০টি বাড়ি তৈরির লক্ষ্য স্থির করেছে।
ইতিমধ্যেই তৈরি ২২০টি বাড়ি
অমরপ্রীত সিং জানিয়েছেন, 'আশিয়ানা' প্রকল্পের অধীনে বর্তমানে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিবসাগর জেলার নেপালি খুটি গ্রামে কাজ চলছে। তাঁর কথায়, 'কয়েক দিন আগে সলমন খান আমাদের ফোন করে বলেন, 'আপনারা কোনও চিন্তা করবেন না।' প্রথম ধাপে ইতিমধ্যেই ২২০টি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং সেগুলি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন আট থেকে ১০টি নতুন বাড়ি নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে।'
এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু ত্রাণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের দিকেও জোর দিচ্ছেন সলমন খান এবং গ্লোবাল শিখস। বন্যায় সর্বস্ব হারানো বহু পরিবারের মাথার উপর আবারও একটি নিরাপদ ছাদ তুলে দেওয়াই এখন তাঁদের মূল লক্ষ্য।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


