Salman-Subhash: মদ খেয়ে সুভাষ ঘাইকে গালিগালাজ, হাতাহাতি করেন সলমন! কার কথায় চেয়েছিলেন ক্ষমা?
যুবরাজে কাজ করার আগে, সলমন খানের সঙ্গে ব্যাপক ঝামেলা হয়েছিল সুভাষ ঘাইয়ের। অভিনেতার ব্যবহারে চরম অপমানিত হন। পরে যদিও বাবার কথায় ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি।
২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'যুবরাজ' (Yuvvraaj) ছবিতে পরিচালক সুভাষ ঘাই এবং বলিউড সুপারস্টার সলমন খান একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল এই বিগ বাজেট ছবি। সলমনের কেরিয়ারের অন্যতম ডিজাস্টার এই ফিল্ম। কিন্তু সেই কাজের আগে পরিচালক ও সুপারস্টারের মধ্যে তীব্র কথা-কাটাকাটি এবং এমনকি হাতাহাতির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল—সম্প্রতি 'টাইমস নাও'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেই গোপন তথ্য খোলসা করলেন প্রবীণ পরিচালক সুভাষ ঘাই নিজেই।

ঝগড়া ও হাতাহাতির সেই রাতের ঘটনা
‘পরদেশ’ পরিচালক সুভাষ ঘাই জানান, ছবিটি তৈরির আগে একটি পার্টিতে তাঁদের মধ্যে এই অনভিপ্রেত ঘটনাটি ঘটেছিল।
কথা-কাটাকাটি ও গালিগালাজ: পার্টিতে সলমন খান মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। পরিচালকের একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে সলমন আপত্তি জানান এবং অসম্মানজনক কথা বলতে শুরু করেন। সুভাষ ঘাই প্রতিবাদ করলে সলমন তাঁকে গালিগালাজ করেন, যা পরবর্তীতে হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।
সেলিম খানের হস্তক্ষেপ ও সলমনের ক্ষমা প্রার্থনা
পরের দিন সকালেই ঘটনাটি সম্পূর্ণ নতুন মোড় নেয় সলমন খানের বাবা, প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার সলিম খান-এর এক ফোন কলে।
বাবার নির্দেশ মেনে ক্ষমা: সেলিম খান সকালে সুভাষ ঘাইকে ফোন করে জানান যে, সলমন রাতে বাড়িতে গিয়ে তাঁর মায়ের কাছে নিজের ভুলের কথা স্বীকার করেছেন। সেলিম খান নিজে সলমনকে বকাঝকা করেন এবং সুভাষ ঘাইয়ের বাড়িতে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেন।
সম্পর্কের মোড় ঘুরা: সলমন নিজে সুভাষ ঘাইয়ের বাড়ি গিয়ে অত্যন্ত বিনীতভাবে ক্ষমা চান। বাবার প্রতি সলমনের এই সম্মান দেখে সুভাষ ঘাইয়ের মন গলে যায় এবং তিনি সমস্ত রাগ ভুলে সলমনকে ভালোবেসে বুকে টেনে নেন।
এই ঘটনার পর থেকেই তাঁদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে তাঁরা একসাথে 'যুবরাজ' ছবিতে কাজ করেন। আজও সলমন বয়সে জ্যেষ্ঠ ও প্রবীণদের কতটা সম্মান করেন, তার প্রশংসা প্রায়শই করে থাকেন সুভাষ ঘাই।
সলমন ও সুভাষ ঘাইয়ের 'যুবরাজ'
২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই পারিবারিক ড্রামা ছবিতে সলমন খান ছাড়াও অভিনয় করেছিলেন অনিল কাপুর, জায়েদ খান এবং ক্যাটরিনা কাইফ। তিন ভাইয়ের সম্পত্তির লড়াই ও পারিবারিক জটিলতা নিয়ে তৈরি এই ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছিলেন এ. আর. রহমান। তারকাখচিত ছবি হলেও বক্স অফিসে এটি আশানুরূপ ব্যবসা করতে পারেনি।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


