গালওয়ান নিয়ে আপত্তিকর দৃশ্য, সেন্সর বোর্ডে আটকে সলমনের ‘মাতৃভূমি’? সত্যি সামনে আনল প্রযোজনা সংস্থা
সলমন খানের আসন্ন ছবি 'মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস'-এর সিবিএফসি ছাড়পত্র আটকে যাওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা শুরু হয়। তবে সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে সালমান খান ফিল্মস জানিয়েছে, ছবিটি এখনও সার্টিফিকেশনের জন্য বোর্ডের কাছেই জমা দেওয়া হয়নি।
বলিউড অভিনেতা সলমন খানের আসন্ন ছবি ‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’-কে ঘিরে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC)-এর ছাড়পত্র নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তারই জবাব দিল ছবির প্রযোজনা সংস্থা। সম্প্রতি একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ছবিটি নাকি CBFC-র ছাড়পত্র পায়নি এবং সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে। তবে সেই সমস্ত দাবি সম্পূর্ণভাবে খারিজ করেছে সলমন খান ফিল্মস।

কী জানাল প্রযোজনা সংস্থা?
ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে প্রযোজনা সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’-কে ঘিরে CBFC-র সঙ্গে কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি। কারণ, ছবিটি এখনও সার্টিফিকেশনের জন্য বোর্ডের কাছেই জমা দেওয়া হয়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস CBFC-র সঙ্গে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে কিংবা ছবিটির সার্টিফিকেট স্থগিত রাখা হয়েছে—এমন সব দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ছবিটি এখনও সার্টিফিকেশনের জন্য CBFC-তে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে এই ধরনের প্রতিবেদন ভিত্তিহীন। চলচ্চিত্র সংক্রান্ত সমস্ত আনুষ্ঠানিক তথ্য শুধুমাত্র সালমান খান ফিল্মসের সরকারি প্ল্যাটফর্ম থেকেই জানানো হবে।’
কী নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক?
মূলত এপ্রিলে মুক্তির কথা থাকলেও এখনও পর্যন্ত ছবিটির মুক্তির দিন ঘোষণা করা হয়নি। এর মধ্যেই শুক্রবার প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ছবিটির সার্টিফিকেট নাকি আটকে রেখেছে CBFC। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই জল্পনা শুরু হয়। তবে প্রযোজনা সংস্থার বিবৃতির পর স্পষ্ট হয়েছে, ছবিটি এখনও সেন্সর বোর্ডে জমাই পড়েনি।
কেন বারবার পিছিয়েছে 'মাতৃভূমি'?
প্রথমে ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ নামে ঘোষণা করা হলেও পরে ছবিটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’। অপূর্ব লাখিয়া পরিচালিত এই ছবি ২০২০ সালের ভারত-চীন গালওয়ান সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে তৈরি।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ছবির চিত্রনাট্যে একাধিক পরিবর্তন আনা হয়। সরাসরি ভূ-রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এবং চীনের উল্লেখ বাদ দিয়ে গল্পে কাল্পনিক উপাদান যোগ করা হয়েছে। সেই কারণে ছবির বড় অংশ নতুন করে শুট করা হয়েছে বলেও খবর।
এছাড়া, ছবির কাজের সময় কলাকুশলী প্রশান্ত তামাং-এর মৃত্যু হওয়ায় শুটিং সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল। সব মিলিয়ে একাধিক কারণে ছবিটির মুক্তি বারবার পিছিয়ে যায়।
কারা রয়েছেন ছবিতে?
সলন খানের পাশাপাশি এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রাঙ্গদা সিং। বর্তমানে ছবিটির মুক্তির নতুন দিন এবং সেন্সর সার্টিফিকেশন নিয়ে নির্মাতাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন অনুরাগীরা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


