গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট ছাড়ছেন সলমন? বান্দ্রায় তৈরি হচ্ছে নতুন ৬ তলা বাড়ি

মুম্বইয়ের বান্দ্রায় নতুন ছয়তলা আবাসিক ভবন নির্মাণের সরকারি অনুমোদন পেলেন সলমন খান। এরপরই জোরালো হয়েছে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট ছাড়ার জল্পনা। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেননি অভিনেতা বা তাঁর পরিবার।

Published on: Jun 27, 2026, 16:30:39 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

প্রায় পাঁচ দশক ধরে মুম্বইয়ের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টই সলমন খানের স্থায়ী ঠিকানা। তবে এবার বান্দ্রাতেই নতুন একটি ছ'তলা আবাসিক ভবন নির্মাণের সরকারি ছাড়পত্র পাওয়ায় জোরালো হয়েছে অভিনেতার নতুন বাড়িতে যাওয়ার জল্পনা। যদিও গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট ছাড়ার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত খান পরিবারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

সলমন খান।
সলমন খান।

বান্দ্রায় নতুন আবাসন নির্মাণে মিলল সরকারি ছাড়পত্র

মহারাষ্ট্র কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (MCZMA) গত ১৬ জুন সলমন খানের নতুন আবাসিক প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। বান্দ্রার চিম্বাই এলাকায় গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে খুব অল্প দূরেই গড়ে উঠবে এই নতুন ভবন।

সূত্রের খবর, যে জমিতে এই প্রকল্প তৈরি হবে, সেটি সলমন খানের মা সালমা খানের নামে নথিভুক্ত। ওই জায়গায় আগে একটি দোতলা বাড়ি ছিল, যা ১৯৫৬ সালেরও আগে নির্মিত হয়েছিল। পরে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় তা ভেঙে ফেলা হয়।

কেমন হবে নতুন বাড়ি?

অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী, নতুন ভবনে থাকবে একটি গ্রাউন্ড ফ্লোর, স্টিল্ট পার্কিং এবং তার উপরে ছয়টি আবাসিক তলা। ভবনটির মোট নির্মিত এলাকা হবে প্রায় ১,০১৪ বর্গমিটার। নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে স্যাচ ডেভেলপার্স।

এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে বৃহন্মুম্বই পুরসভা (BMC)-র কাছ থেকে প্রাথমিক ছাড়পত্র পেয়েছিল প্রকল্পটি। এবার এমসিজেডএমএ-এর অনুমোদন মেলায় নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পথ আরও পরিষ্কার হয়েছে।

পরিবেশ রক্ষায় থাকছে বিশেষ শর্ত

নতুন প্রকল্পে পরিবেশ সংক্রান্ত একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী, নির্মাণকাজের জন্য কোনও বিদ্যমান গাছ কাটা যাবে না। বরং প্রকল্প এলাকার চারপাশে স্থানীয় প্রজাতির নতুন গাছ লাগাতে হবে।

উপকূলীয় অঞ্চলের আওতায় হওয়ায় পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তবে কি গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট ছাড়ছেন সলমন?

নতুন বাড়ির অনুমোদনের পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, সলমন খান কি অবশেষে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে নতুন ঠিকানায় চলে যাবেন?তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত অভিনেতা বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

১৯৭৪ সাল থেকে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টই সলমন খানের বাসস্থান। ঈদ, জন্মদিন কিংবা বিশেষ উপলক্ষে এই বাড়ির ব্যালকনি থেকেই ভক্তদের শুভেচ্ছা জানান তিনি। ফলে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট বহু বছর ধরেই মুম্বইয়ের অন্যতম পরিচিত সেলিব্রিটি ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।

নতুন বাড়িতে মিলতে পারে বাড়তি নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত পরিসর

চিম্বাইয়ের নতুন সম্পত্তিটি মূল সড়ক থেকে কিছুটা ভিতরে, তুলনামূলক শান্ত পরিবেশে অবস্থিত। ফলে এই বাড়িতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা দুটিই বেশি পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশেষ করে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলি চালানোর ঘটনার পর সলমন খানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, এই হামলার সঙ্গে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্যরা জড়িত। বর্তমানে অভিনেতা ওয়াই+ (Y+) নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে রয়েছেন।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More