Salman: ‘ছোট জায়গায় ৬০-৭০ জন, নোংরা, টিকটিকি…’, জেলে থাকার অভিজ্ঞতা ভাগ সলমনের! জানেন কতদিনে থাকতে হয়েছিল কারাগারে?
রিয়্যালিটি শো অ্যালায়েন্সে ভাই সোহেল খানকে সমর্থন জানাতে হাজির হয়েছিলেন সলমন খান। সেখানেই বহু বছর আগের জেলজীবনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন অভিনেতা। জেলের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও কঠিন পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি।
রিয়্যালিটি শো অ্যালায়েন্সে প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিয়েছেন সোহেল খান। কঠিন একটি সপ্তাহ কাটানোর পর ভাইকে মানসিকভাবে সাহস জোগাতে শো-তে বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির হন সলমন খান। অনুষ্ঠানের নতুন প্রোমোতেই নিজের জেলজীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে দেখা যায় বলিউড সুপারস্টারকে।

সলমন বলেন, ‘অনেক বছর আগে যখন আমি জেলে গিয়েছিলাম, তখন আমাদের সামনে লোহার শিক ছিল। খুব ছোট্ট একটা জায়গায় ৫০-৭০ জন মানুষ থাকত। গোটা জায়গার জন্য ছিল মাত্র একটি ইন্ডিয়ান টয়লেট। কখনও টিকটিকি ঘুরে বেড়াত, আর এতই নোংরা ছিল যে সহ্য করাই কঠিন হয়ে যেত।’
এই কথা বলতে গিয়ে সলমনকে আবেগপ্রবণ দেখায়। তাঁর বক্তব্য শুনে সোহেল খান-সহ বাড়ির অন্যান্য প্রতিযোগীরাও আবেগে ভেঙে পড়েন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে কৃষ্ণসায়র হরিণ শিকার মামলার জেরে সলমন খান মোট চারবার জেল হেফাজতে ছিলেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১৮ দিন কারাবন্দি থাকতে হয়েছিল তাঁকে।
এর আগে ২০০৮ সালে কোয়েল পুরির অন দ্য কাউচ উইথ কোয়েল অনুষ্ঠানে সলমন তাঁর জেলজীবনের কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি একেবারে শান্ত ছিলাম। আমার একমাত্র চিন্তা ছিল বাথরুম নিয়ে। যদি কেউ আপনাকে জেলে পাঠাতে চায়, তাহলে শান্তভাবেই যেতে হয়। আর যখন জানেন যে, আপনি অপরাধ করেননি, তখন মাথা উঁচু করেই ভেতরে যান।’
অন্য দিকে, অ্যালায়েন্সের আগের একটি পর্বে সোহেল খানও নিজের জীবনের এক অত্যন্ত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছিলেন। তিনি জানান, ছোটবেলায় যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন, কিন্তু লজ্জার কারণে বহু বছর কাউকে কিছু বলেননি। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বাবাকে বিষয়টি জানান। সোহেলের কথায়, সেই অভিজ্ঞতার পর থেকেই তিনি নিজের সন্তানদের সবসময় বলেন, জীবনে যাই ঘটুক না কেন, যেন কোনও বিষয়ই তাঁরা বাবা-মায়ের কাছ থেকে লুকিয়ে না রাখে।
প্রসঙ্গত, অ্যালায়েন্স ২০২৬ সালে প্রাইম ভিডিয়োতে শুরু হওয়া একটি রিয়্যালিটি প্রতিযোগিতামূলক শো, যার সঞ্চালক কুনাল খেমু। টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, ডিজিটাল দুনিয়া ও ক্রীড়াক্ষেত্রের পরিচিত মুখেরা এই শো-তে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন এবং জোট গড়ে বা ভেঙে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লড়াই চালান।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


