১০ হাজার টাকার মাছ, পানীয়র দাম লক্ষাধিক, অর্পিতার রেস্তোরাঁর মেনুকার্ড দেবে চমক

সলমন খানের বোন অর্পিতা খান। দাদাদের আদরের বোন। ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে কোনও যোগাযোগ না থাকলেও অর্পিতার পরিচিতি কিন্তু নেহাত কম নয়। মুম্বইয়ের বিলাসবহুল রেস্তোরাঁর তালিকায় রয়েছে অর্পিতা খানের রেস্তোরাঁর নাম।

Published on: Aug 20, 2026, 22:28:30 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সলমন খানের বোন অর্পিতা খান। দাদাদের আদরের বোন। ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে কোনও যোগাযোগ না থাকলেও অর্পিতার পরিচিতি কিন্তু নেহাত কম নয়। মুম্বইয়ের বিলাসবহুল রেস্তোরাঁর তালিকায় রয়েছে অর্পিতা খানের রেস্তোরাঁর নাম।

অর্পিতার রেস্তোরাঁর মেনুকার্ড দেবে চমক
অর্পিতার রেস্তোরাঁর মেনুকার্ড দেবে চমক

অর্পিতার রেস্তোরাঁর নাম মেরসি। শুধু সাজসজ্জার জন্য নয়, এই রেস্তোরাঁর মেনুকার্ড সম্প্রতি নজর কেড়েছে সকলের। এই রেস্তোরাঁয় সামান্য মাছের জন্য দিতে হবে ১০ হাজার টাকা। পদটির নাম সল্ট ক্রাস্টেড রেড স্ন্যাপার। একটি বিশেষ ধরনের মাছের পুর দিয়ে এই পদ তৈরি হয়। গোটা মাছের ওপরে থাকে নুনের আস্তরণ।

আরও পড়ুন: প্রথমবার হিন্দি ওয়েব সিরিজে অনিন্দিতা, জোর কদমে চলবে সাফাই অভিযান!

মাছটি বেক করে পরিবেশন করা হয় ক্রেতাদের সামনে। তবে শুধু এই একটি পদ নয়, ট্রাফেল পাস্তা ফ্রম হুইল নামের একটি বিশেষ ধরনের পদের দাম নাকি ৮৫০০ টাকা। অর্থাৎ সামান্য পাস্তা খেতে গেলে আপনাকে প্রায় ১০ হাজার টাকার কাছাকাছি দিতে হবে।

এছাড়া রয়েছে টেরিয়াকি স্যামন। যার দাম ৪ হাজার টাকা। এছাড়াও বিভিন্ন দামের বিভিন্ন মাছ পরিবেশন করা হয় এই রেস্তোরাঁয়। তবে শুধুমাত্র খাবার নয়, এখানে পানীয়র তালিকাও কিন্তু বেশ লম্বা। এই রেস্তোরাঁয় সবথেকে দামি শ্যাম্পেনের দাম ১ লক্ষ ৮৮ হাজার ৫৫০ টাকা। সব থেকে দামি রেড ওয়াইনের দাম ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। এছাড়াও হোয়াইট ওয়াইন খেতে গেলে আপনাকে দিতে হবে প্রায় ৭০ হাজার টাকার কাছাকাছি।

আরও পড়ুন: অঞ্জনাকে মারার চেষ্টা সম্রাটের, তাহলে কি আসল সত্যি জেনে যাবে গোটা পরিবার?

এই গোটা রেস্তোরাটি দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রায় ৯ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে। এই রেস্তোরাঁর সহ প্রতিষ্ঠাতা অর্পিতা। এখানে মূলত ইউরোপীয় ধাঁচের খাবার পরিবেশন করা হয়। অর্পিতার রেস্তোরাঁ ছাড়া বিলাসবহুলের রেস্তোরাঁর মধ্যে রয়েছে গৌরী খানের রেস্তোরাঁ। যদিও শাহরুখ পত্নীর রেস্তোরাঁর মেনু কার্ডে খাবারের দাম অনেকটাই কম।