শো থেকে আউট প্রাক্তন বউ সীমা! সোহেলের সমর্থনে অ্যালায়েন্সের সেটে হাজির সলমন
ফিনালের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তার আগে ছোট ভাই সোহেল খানকে উৎসাহ ও পরামর্শ দিতে অ্যামাজন প্রাইম ভিডিয়োর রিয়্যালিটি শো 'অ্যালায়েন্স'-এর সেটে হাজির হলেন বলিউড সুপারস্টার সলমন খান। প্রায় এক ঘণ্টা ভাইয়ের সঙ্গে সেটে সময়ও কাটান তিনি।
বলিউড সুপারস্টার সলমন খান (Salman Khan) সম্প্রতি অ্যামাজন প্রাইম ভিডিয়োর জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো 'অ্যালায়েন্স' (alliance)-এর সেটে হাজির হন। তাঁর এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছোট ভাই সোহেল খান (Sohail Khan)-এর সঙ্গে দেখা করা। সোহেল বর্তমানে শো-তে ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন।

বুধবার সন্ধ্যায় সলমনকে শো-এর সেটে পৌঁছতে দেখা যায়। তিনি সেখানে উপস্থিত পাপারাজ্জিদের শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁদের জন্য ছবির পোজও দেন। এদিন তাঁর পরনে ছিল ডেনিম-অন-ডেনিম লুক, সঙ্গে ছিল একটি কাউবয় হ্যাট, যা সকলের নজর কেড়েছে।
বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, সলমন প্রায় এক ঘণ্টা শো-এর সেটে কাটান এবং এই সময় তিনি সোহেলের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। প্রতিযোগিতার শেষ পর্বে কীভাবে আরও ভালোভাবে খেলতে হবে, নিজের কৌশল কীভাবে শক্তিশালী করতে হবে এবং চাপের মধ্যে কীভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে, সে বিষয়ে ভাইকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন তিনি। কঠিন একটি সপ্তাহ কাটানোর পর সোহেলকে মানসিকভাবে চাঙ্গা করাই ছিল সলমনের মূল লক্ষ্য।
রিয়্যালিটি শো-র প্রতিযোগীদের পরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রে সলমন খান নতুন নন। দীর্ঘদিন ধরে 'বিগ বস'-এর সঞ্চালক হিসেবে 'উইকেন্ড কা ওয়ার' পর্বে তিনি প্রতিযোগীদের স্পষ্ট মতামত, সমালোচনা এবং পরামর্শ দিয়ে এসেছেন। তাঁর সেই মন্তব্য অনেক সময় প্রতিযোগীদের খেলার কৌশল এবং পারফরম্যান্সেও বড় প্রভাব ফেলেছে।
শো থেকে বিদায় নিলেন সীমা সাজদেহ
অন্যদিকে, সোহেল খানের প্রাক্তন স্ত্রী সীমা সাজদেহ (Seema Sajdeh)-ও ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী হিসেবে 'অ্যালায়েন্স'-এ যোগ দিয়েছিলেন। তবে সম্প্রতি তিনি শো থেকে বিদায় নিয়েছেন।
শো ছাড়ার আগে সীমা সহ-প্রতিযোগী কুশল ট্যান্ডনকে অনুরোধ করেন তাঁকেই যেন এলিমিনেট করা হয়। সীমার সেই ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে কুশল তাঁকেই প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেন এবং অভিনেত্রী ডেইজি শাহকে প্রতিযোগিতায় রেখে দেন।
শো থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যম জুমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সীমা বলেন, এই ধরনের রিয়্যালিটি শো সোহেলের জন্য সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা ছিল। কারণ এর আগে তিনি কখনও এমন প্রতিযোগিতায় অংশ নেননি। তবে শো-এর মধ্যে তৈরি হওয়া বন্ধুত্ব এবং সহ-প্রতিযোগীদের সমর্থন সোহেলকে দ্রুত এই নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করেছে। সেই কারণেই তিনি এখন অনেক আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলছেন।
'অ্যালায়েন্স' সম্পর্কে
গত ২৬ জুন অ্যামাজন প্রাইম ভিডিয়োতে শুরু হয় 'অ্যালায়েন্য়'। কুণাল খেমু সঞ্চালিত এই রিয়্যালিটি শো-তে প্রথমে ১৬ জন সেলিব্রিটি জুটি বা 'অ্যালাই' হিসেবে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রবি কিষাণ ও তাঁর মেয়ে রিভা কিষাণ, কুশল ট্যান্ডন ও আরসালন গোনি, ডেইজি শাহ ও জায়েদ দরবার, মিনি মাথুর ও নিখিল চিনাপ্পা, নীতি টেলর ও রুহি দোসানি, বংশজ সিং ও ডলি জাভেদ, পায়েল ধারে ও সাবি সুরি, এবং ডেলবার আরিয়া ও আরমান খেরা।
ফিনালে যত এগিয়ে আসছে, ততই একের পর এক প্রতিযোগী বিদায় নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই রবি কিষাণ, নিখিল চিনাপ্পা, রিভা কিষাণ, আরমান খেরা, বৃদ্ধি পাতওয়া, ডলি জাভেদ এবং ডেলবার আরিয়া শো থেকে বিদায় নিয়েছেন।
রিপোর্ট অনুযায়ী, 'অ্যালায়েন্স'-এর গ্র্যান্ড ফিনালে আগামী ৬ আগস্ট, ২০২৬ অ্যামাজন প্রাইম ভিডিয়োতে স্ট্রিম হবে। তার আগে খুব শীঘ্রই ফাইনালিস্টদের নাম ঘোষণা করা হবে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


