তাঁকে দেখতে ছেঁকে ধরল মানুষ! হাতজোড় করে ভিড় খালি করার অনুরোধ সলমনের, শিশুদের গায়ে হাত নয়,নিরাপত্তারক্ষীদের করলেন সতর্ক
ভাই সোহেল খানের পুজোর গণেশ বিসর্জনের পর বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে নেতা আশিস শেলার আয়োজিত গণেশ পুজোয় পৌঁছ। তাঁকে এক ঝলক দেখার জন্য সেখানে জমে যায় হাজার হাজার মানুষের ভিড়। পরিস্থিতি সামলাতে শেষ পর্যন্ত নিজেই হাত জোর করে অনুরাগীদের রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন ভাইজান।
বর্তমানে SVC63-এর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সলমন খান। ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে ভোলেননি অভিনেতা। গণেশ বিসর্জনে পরিবারের সঙ্গে থাকার পর, নেতা আশিস শেলারের বাড়িতে আয়োজিত গণেশ পুজোয় হাজির হয়েছিলেন তিনি। সলমনকে দেখতে সেখানে ভিড় করেন অসংখ্য মানুষ। তাঁর উপস্থিতির জেরে মুম্বইয়ের রাস্তায় কার্যত যান চলাচল থমকে যায়।

আশিস শেলারের গণেশ প্যান্ডেলে পুজোয় যোগ দেওয়ার পর বাইরে বেরোনোর সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও সলমনের গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছনোর রাস্তা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। অনুরাগী, সাধারণ মানুষ এবং পাপারাজ্জিদের ভিড় দেখে অভিনেতা নিজেই হাতজোড় করে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। সেই মুহূর্তের ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।
ক্যাজুয়াল লুকে নজর কাড়লেন সলমন
এদিন একেবারে ক্যাজুয়াল লুকে দেখা যায় সলমন খানকে। কালো টি-শার্ট ও প্যান্টের সঙ্গে মাথায় ক্যাপ পরেছিলেন অভিনেতা। তাঁর এই সাধারণ অথচ স্টাইলিশ লুকও অনুরাগীদের নজর কেড়েছে।
ভিড়ের মধ্যে শিশুদের নিয়ে সতর্ক ভাইজান
গণেশ প্যান্ডেল থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময় সলমনের নজরে পড়ে কয়েকটি ছোট শিশু। ভিড়ের চাপে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক হয়ে ওঠেন অভিনেতা। নিজের নিরাপত্তারক্ষীদের শিশুদের দিকে খেয়াল রাখার নির্দেশ দেন তিনি। যদিও নিরাপত্তার কারণে কাউকে সলমনের কাছে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি, তবুও শিশুদের সঙ্গে কয়েক মুহূর্ত কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে।
সোহেলের বাড়িতে গণেশ উৎসব
প্রতি বছরের মতো এবারও খান পরিবারে ধুমধাম করে পালিত হয়েছে গণেশ চতুর্থী। তবে এবার অর্পিতার বদলে পুজো হয়েছে সোহেল খানের বাড়িতে। সন্ধ্যার আরতিতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা খোদ। বিসর্জনের সময় পরিবারের পাশাপাশি বলিউডের কয়েকজন বন্ধুকেও দেখা যায়।
এরই মধ্যে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে সলমন খানকে আরতির থালা ভুল দিকে ঘোরাতে দেখা যায়। যা তাঁর বোন অর্পিতা খান শর্মা শুধরে দিলে, সঠিকভাবে বাপ্পার আরতি করেন ভাইজান।
SVC63-এ নায়িকা নয়নতারা
এদিকে SVC63-এর কাজও জোরকদমে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সলমন। ছবিতে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন নয়নতারা। ছবিটির নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা রয়েছে। জানা যাচ্ছে, নির্মাতারা ছবিটির নাম ‘মন্সটার’ রাখার কথা ভাবছেন। এর পাশাপাশি ‘বিগ বস ২০’-এর শুটিং নিয়েও ব্যস্ত সলমন।
এছাড়াও তাঁর ‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’-এর মুক্তির অপেক্ষাতেও রয়েছেন অভিনেতা। ছবিটির আগের নাম ছিল ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’। একাধিক পরিবর্তনের পর ছবিটির নতুন নাম নির্ধারণ করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণভাবে ফাইনাল এডিট লক হওয়ার পর ছবিটি সেন্সর বোর্ডের কাছে পাঠানো হবে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এখনও মুক্তির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা হয়নি। নির্মাতারা অবশ্য ২০২৬ সালেই ছবির মুক্তির কথা জানিয়েছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


