‘আমার সঙ্গে তো পুরনো সম্পর্ক…’! মহারাষ্ট্র সাইবার সেলের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত, খোঁচা দিতে ভুললেন না সময় রায়না
পঙ্কজ ত্রিপাঠি, শরদ কেলকার, সোনালি বেন্দ্রের মতো তারকারা উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে সময় রায়নাকে সম্মানিত করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ।
বিখ্যাত কৌতুক অভিনেতা এবং ইউটিউবার সময় রায়না এবং মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ বুধবার হয়েছিলেন মুখোমুখি। সাইবার সচেতনতা নিয়ে আয়োজিত মুম্বইয়ের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুজনে। আর এই অনুষ্ঠানে মহারাষ্ট্র সাইবার সেলের উচ্চ প্রশংসা করতে দেখা যায় সময়কে। এমনকী, সময় রায়নার কথা শুনে সেখানের অনেকেই হেসে ফেলেন। কারণ সময়ের কথায় বেশ কয়েকবার তাঁর উপর মাসখানেক হওয়া কেসের আভাস মিলছিল।

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মুম্বইয়ে সাইবার সচেতনতা অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সময় রায়নাকে সম্মানিত করেছিলেন। এদিন আরও দেখা গিয়েছিল পঙ্কজ ত্রিপাঠী, শরদ কেলকার, সোনালি বেন্দ্রে, আশিস বিদ্যার্থী, জাভেদ জাফরি এবং মঙ্গেশ দেশাইয়ের মতো অভিনেতাদের। অনুষ্ঠান চলাকালীন, ফড়নবিশ সাইবার-সচেতনতামূলক শর্ট ফিল্ম 'ডিজিটাল অ্যারেস্ট' এবং মহারাষ্ট্র সাইবার সংগীত চালান।
নিজের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ এলে, নিজস্ব ঢঙে কৌতুক করে সময় রায়না বলে ওঠেন, ‘১৯৩০ একটি ভালো সংখ্যা। আমি তো এটা নিজের ফোনেও সেভ করে রেখেছি। কারণ সেখান থেকে মাঝে মাঝে আমার কাছে ফোনও আসে।’ সময়ের কথা শুনে সেখানে উপস্থিত সকলের মুখেই ফুটে ওঠে হাসি। এরপর সময় সাইবার সেলের সক্রিয়তার প্রশংসা করে বলেন, মানুষ ভারতে থাকুক বা আমেরিকায়, ঠিক ট্র্যাক করে ফেলেন সাইবার সেলের কর্মীরা। পুরো সময়টাই সময়ের দুপাশে বসে থাকা শরদ কেলকার ও পঙ্কজ ত্রিপাঠিকে নিজের হাসি লুকোতে দেখা যায়।
প্রসঙ্গত, সময়ের শো ইন্ডিয়াজ লেটেন্ট শো-তে এসে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিয়ার বাইসেপস রণবীর এলাহাবাদিয়া। যার জেরে সময় রায়নার শো বন্ধ হয়ে যায়। সময়, রণবীর-সহ সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক কৌতুক অভিনেতার নামে কেস হয় দেশের নানা প্রান্তে। জল গড়ায় বহু দূর। এরপর যদিও দিনকয়েক আগে রণবীর, সময়-সহ সকলে নাম থেকে এটি সম্পর্কিত সব কেস তুলে নেওয়া হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


