Kamola Nibas: ‘এই চরিত্রটা শুধু আমার…’, ফাহিম মির্জা সম্রাট হিসাবে ফাটিয়ে দিত, কটাক্ষের জবাব ধ্রুবজ্যোতির
'কমলা নিবাস'-এ সম্রাটের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ, নেটিজেনকে কড়া জবাব দিলেন ধ্রুবজ্যোতি সরকার। কী বললেন তিনি?
জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এ 'সম্রাট'-এর চরিত্রে দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেতা ধ্রুবজ্যোতি সরকার (Dhruba Jyoti Sarkar)-কে। তবে সম্প্রতি সোশ্যালে এক নেটিজেনের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে, যার একটি বেশ সোজাসাপটা ও কড়া জবাব দিয়েছেন অভিনেতা নিজেই।

ধ্রুবজ্যোতির কেরিয়ারের অন্যতম চ্য়ালেঞ্জিং চরিত্র সম্রাট। ঝিনুকের সাইকো বরের ভূমিকায় তাঁর অভিনয় প্রশংসা কুড়ালেও এক নেটিজেন মন্তব্য করে লেখেন, ‘এই সম্রাটের অভিনয় বিরক্ত লাগে, এর জায়গায় যদি ফাহিম মির্জা থাকত তাহলে ফাটিয়ে দিতো।’
ধ্রুবজ্যোতির কড়া জবাব:
নেটিজেনের এই মন্তব্যে একটুও চুপ থাকেননি অভিনেতা ধ্রুবজ্যোতি সরকার। তিনি কমেন্টের রিপ্লাই দিয়ে স্পষ্টভাবে লেখেন, ‘আমার মনে হয় আপনি ফাহিম মির্জার ভক্ত। কিন্তু বস, এই চরিত্রটি শুধুই আমার জন্য। আপনার পছন্দ হলো কি হলো না, তাতে কিচ্ছু যায় আসে না।’

অনুরাগীদের সমর্থন:
ধ্রুবজ্যোতির এই আত্মবিশ্বাসী ও স্পষ্ট জবাবে তাঁকে সমর্থন জানিয়েছেন তাঁর অনুরাগীরা। একজন লেখেন, ‘এই চরিত্রের জন্য আপনিই নিখুঁত’।
সম্রাটের নেগেটিভ বা 'সাইকো' চরিত্রে ধ্রুবজ্যোতির অভিনয় যেমন একদিকে দর্শকদের একাংশের কাছে প্রশংসা পাচ্ছে, তেমনই অভিনেতার এই সোজাসাপটা জবাবও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আলোচনায় উঠে এসেছে।
প্রসঙ্গত, মিঠাই ধারাবাহিকে একসঙ্গে কাজ করেছেন ফাহিম এবং ধ্রুবজ্যোতি। তাঁদের ব্যক্তিগত সমীকরণ খুবই মধুর। আপতত ফাহিম মির্জাকে দেখা যাচ্ছে জি বাংলারই জোয়ার ভাঁটা ধারাবাহিকে।
ওদিকে কমলা নিবাসের গল্পে সম্রাটের ‘পাগলামি’ মাত্রা ছাড়াচ্ছে। ঝিনুকের বেস্ট ফ্রেন্ডকে প্রাণে মারতে চায় সম্রাট। যদিও সম্রাট রণজয়ের সঠিক পরিচিতি জানতে না পারায় সম্রাটের হাতে প্রাণঘাতী হামলার শিকার ঝিনুকেরই কলেজের আরেক সহপাঠী বিনোদ। যদিও এখনও প্রাণে বেঁচে রয়েছে সেই ক্যাফের মালিক বিনোদ। সব মিলিয়ে দর্শকদের চোখে ক্রমেই সাইকো থেকে ক্রিমিনাল সম্রাটে রূপান্তরিত হচ্ছে এই চরিত্র। ঝিনুক কবে জানতে পারবে স্বামীর এই রূপ? সেই দিন গুণছে ভক্তরা।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


