মা ডোনার সঙ্গে নাচ করলেন সানা! শ্বশুরের পাশে বসে মেয়ে-বউয়ের পারফর্মেন্স দেখলেন সৌরভ
সোমবরা ইন্ডয়ান মিউজিয়ামে পারফর্ম করেন সানা-ডোনা। আর নাচ দেখতে হাজির হয়েছিলেন সৌরভ। বরাবরই মেয়েকে নিয়ে গর্বিত মহারাজ। কেমন লাগল সানার নাচ, কী জানালেন?
কদিন আগেই বিগ বস নিয়ে কথা বলার সময় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সহোৎসাহে জানিয়েছিলেন যে, সেপ্টেম্বর মাসেই পাাপাকিভাবে কলকাতা ফিরে আসছেন তাঁর মেয়ে সানা গঙ্গোপাধ্যায়। উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত কারণে ২০১৯ সাল থেকেই লন্ডনে সানা। আর কলকাতায় ফিরেই সৌরভ কন্যা তাঁর নাচ দিয়ে জিতে নিলেন সকলের মন। সোমবার মা ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে নৃত্য পরবেশন করতে দেখা গেল সানাকে।

নৃত্যগুরু কেলুচরণ মহাপাত্রের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ইন্ডয়ান মিউজিয়ামে পারফর্ম করেন সানা-ডোনা। আর মেয়ে নাচ করবে আর বাবা দেখতে আসবে না, তা কখনো হয়! ডোনা বলেন, প্রায় ৮ বছর পর নাচ করছে সানা। সোমবারের পারফরমেন্সটিও সে তুলেছে মাত্র চারদিনে।
নাচ শেষে সানা বলেন, একটু ভয়ে ভয়ে ছিলেন। কিন্তু সব ঠিকঠাক করে হয়ে যাওয়ায় তিনি খুব খুশি। একেবারে সামনের সারিতে বসে মেয়ের নাচ দেখেন সৌরভ। একপাশে বসে ছিলেন ডোনার বাবা, অর্থাৎ সৌরভের শ্বশুরমশাই, অন্যদিকে দাদা স্নেহাশিস। সানা নিজেই সোমবার সকালে বাবাকে নাচ দেখতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।
কেমন লাগল মেয়ের নাচ জানতে চাওয়া হলে সৌরভ বলেন, ‘এটা তো বলা ঠিক নয়, কারণ আমি তো অতটাও বুঝি না। আমি শুধু দেখতে এসেছি। ৭-৮ বছর বাদে নাচ দেখলাম।’
প্রসঙ্গত, মাঝে স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের নাচ নিয়ে সৌরভের বলা কিছু কথা বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। এমনকী, তাঁকে সেই সময় ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বলেও দাগিয়েছিলেন কিছু। ঋতুপর্ণ ঘোষের জনপ্রিয় চ্যাট শো 'ঘোষ অ্যান্ড কোম্পানি' সৌরভ জানিয়েছিলেন তিনি কখনোই সেভাবে বউয়ের নাচ দেখতে যান না। যাতে সেইসময় ঋতুপর্ণর কাছে হালকা বকাও খেয়েছিলেন সৌরভ। ঋতুপর্ণ বলেছিলেন, ‘এক্সট্রিমলি আনফেয়ার…। আর তুই এক্সপেক্ট করিস তোর খেলাগুলো ও দেখবে…।’ সৌরভের অবশ্য জবাব ছিল, তিনিও কোনোদিন জোর করে বউকে খেলার মাঠে আনেননি। পরবর্তীতে সানার জন্য কটা ম্যাচ দেখতে গিয়েছেন ডোনা। আর এবারেও সেই সানা-র টানেই নাচ দেখতে সৌরভ।
কিংবদন্তি গুরু কেলুচরণ মহাপাত্রের অন্যতম শিষ্যা হলেন ডোনা। তিনি মাত্র তিন বছর বয়সে অমলা শঙ্করের কাছে নাচ শেখা শুরু করেন। পরবর্তীতে গুরু কেলুচরণ মহাপাত্রের নির্দেশনায় ওডিশি নাচে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। ডোনার নাচের স্কুল ‘দীক্ষা মঞ্জরী’ দেশ-বিদেশে পারফর্ম করে প্রতিবছর। এমনকী, মহাকুম্ভেও নৃত্য পরিবেশ করেছিলেন ডোনা। ছোট থেকে নাচ শিখছেন সানা-ও। যদিও মায়ের মতো এটিকে পেশা হিসেবে নেননি।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


