‘কাদের ফাইনালিস্ট বানাতে চান…’ বিগ বস বাংলার ঘরে চলছে ‘পক্ষপাতিত্ব’! রাজবীর-নন্দিনী না অন্য কেউ, কাকে ইঙ্গিত সঙ্ঘশ্রীর
‘পক্ষপাতিত্ব’ করা হচ্ছে বিগ বস বাংলায়! সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই দাবি তুললেন অভিনেত্রী সঙ্ঘশ্রী সিনহা মিত্র। কার দিকে তুললেন তিনি আঙুল?
রবিবারে দাদার দরবার থেকে বিগ বস বাংলাকে বিদায় জানালেন স্বঘোষিত ‘রিয়েলিটি শো-এর কুইন’ অনুষ্কা ঘোষ। তিনি আর ঝিলম গুপ্ত ছিলেন শেষ দুইয়ে। তবে ঝিলম এবারেও বেঁচে গেলেন। বিদায় নিলেন অনুষ্কা। এর আগেরবারও যখন ঝিলম ও দীপেন্দু ছিলেন নমিনেট, তখন বিগ বসের ঘরের সদস্যদের ভোটে বেরিয়ে যেতে হয়েছিল দীপেন্দুকে। রয়ে গিয়েছিলেন ঝিলম।

একাধিক মানুষ রীতিমতো প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন, বিগ বস বাংলা-র ঘরে ঝিলমের অংশগ্রহণ নিয়ে। বেশিরভাগ সময়তেই ঝিলমকে শুয়ে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। ঘরের রান্না, বাসনমাজা, ঘর ঝাড় দেওয়া বা বাথরুম পরিষ্কার করার মত কাজে তাঁর যেমন উৎসাহের অভাব, তেমনই বিভিন্ন টাস্কেও সেভাবে অংশ নিতে দেখা যায়নি। নেটপাড়ার অধিকাংশের দাবি, ঝিলমের বেশিরভাগটা সময়ই কেটেছে কূটকাচালিতে।
এরইমাঝে অভিনেত্রী সঙ্ঘশ্রী সিনহা মিত্রের একটি ফেসবুক পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘মাসখানেক ধরে আমি #BigBossBangla দেখছিলাম, কিন্তু শেষমেশ আমার আর কোনো আগ্রহই রইল না। কাদের আপনারা ফাইনালিস্ট বানাতে চান, তা তো পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে... আর ব্যাপারটা বেশ হাস্যকর। তাদেরকে বরং আরেকটু অবদান রাখতে বলুন... তাহলে অন্তত বিষয়টার একটা মানে দাঁড়াবে।’ যদিও হ্যাশট্য়াগে কারও নাম লেখেননি সঙ্ঘশ্রী।
তবে কমেন্ট সেকশনে একজন লেখেন, ‘বাহ, কী চমৎকার যুক্তি! অর্থাৎ, মার্জিত ও পেশাদারভাব বজায় রাখাটা নাকি বিনোদনের ক্ষেত্রে অপরাধ, আর চরম বিশৃঙ্খলাটাই পায় সেরার মুকুট। সত্যি বলতে, ‘মজা’ বা বিনোদনের এই যুগান্তকারী মানদণ্ডের জন্য আমাদের অবশ্যই সাধুবাদ জানানো উচিত।’ আর এর জবাবে সঙ্ঘশ্ৎী লিখলেন, ‘তুমি এখনও নামটা ধরতে পারছ না... আমি খুব নিরাপদ বা নির্ভরযোগ্য কারও কথা বলছি না, কোনো অভিজাত বা 'ক্লাসি' মানুষের কথাও নয়, বন্ধু।’
সোমবার বিগ বস বাংলায় দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করে আছে বড় চমক। রবিবারের এপিসোড শেষেই প্রোমোতে তাঁর কিছুটা ঝলক মিলেছে। যেখানে দেখা যায়, বিগ বস এমন কিছু বলছেন, যা শুনে সবার চোখে জল। হাউহাউ করে কাঁদতে দেখা যায় দুর্নিবারকে। এমনকী, সকালের দিকে শেয়ার করা একটি প্রোমোতে স্পষ্ট, সোমবার বিগ বস বাংলা-র ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন কোনো এক সদস্য। যদিও সেটা কে, তা এখনো রহস্য।
অনেকগুলো নাম আসছে সামনে। যার মধ্যে অন্যতম হলেন ঝিলম, জীতু, দুর্নিবার। এখন দেখার কী হয় সোমবার বিগ বস বাংলা-র ঘরে। কেনই বা আচমকা কোনো এক সদস্যকে নিতে হয় বিদায়।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


