‘দেশে আর শান্তি নেই…’, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্যে তোলপাড়, ট্রোলে কী সাফাই সঞ্জয়ের

দেশের পরিস্থিতি ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। শेखর সুমনের শো ‘শেখর টুনাইট’-এ করা তাঁর মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

Published on: Oct 5, 2026, 15:00:30 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর স্পষ্টবক্তা স্বভাবের জন্যও পরিচিত। বিভিন্ন বিষয়ে নিজের মতামত খোলাখুলি প্রকাশ করেন তিনি। সম্প্রতি দেশের পরিস্থিতি ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করে চর্চায় উঠে এসেছেন অভিনেতা। শेखর সুমনের শো ‘শেখর টুনাইট’-এ সঞ্জয় দত্তের করা সেই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বক্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের মুখে পড়েন অভিনেতা। এবার সেই মন্তব্য নিয়ে সাফাই দিয়েছেন তিনি।

সঞ্জয় দত্ত। (IMDb)
সঞ্জয় দত্ত। (IMDb)

সঞ্জয় দত্তের সাফাই

সঞ্জয় দত্তের মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরই তাঁকে নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। এরপর এক্স-এ পোস্ট করে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন অভিনেতা। তিনি স্পষ্ট করে জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা কিংবা তাঁদের অসম্মান করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না।

সঞ্জয় লেখেন, “আমি স্পষ্ট করতে চাই যে, আমার উদ্দেশ্য কখনও কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা, তাঁদের ক্ষুব্ধ করা বা অসম্মান করা ছিল না।”

‘মুন্নাভাই’-এর ‘গান্ধিগিরি’-র মতোই ছিল বক্তব্য

নিজের মন্তব্যের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সঞ্জয় জানান, তাঁর কথাগুলি একটি স্ক্রিপ্টেড কথোপকথনের অংশ ছিল। সেখানে মূল উদ্দেশ্য ছিল মজা ও হাস্যরস তৈরি করা। তাঁর বক্তব্যের ধরন ‘মুন্নাভাই’-এর মতো সিনেমায় দেখা হাস্যরস ও ব্যঙ্গের সঙ্গে তুলনা করেছেন অভিনেতা।

সঞ্জয়ের দাবি, তাঁর কথার পিছনে ‘গান্ধীগিরি’-র সেই ধারণাই কাজ করেছিল, যার মাধ্যমে ভালোবাসা, আপনজনের অনুভূতি, একতা এবং সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়। তবে দুর্ভাগ্যবশত, যে প্রেক্ষাপটে কথাগুলি বলা হয়েছিল, তা থেকে সরিয়ে তাঁর বক্তব্যের অন্য অর্থ করা হয়েছে।

কী বলেছিলেন সঞ্জয় দত্ত?

শেখর সুমনের শোয়ে সঞ্জয় দত্ত দেশের মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, ভাইচারা এবং শান্তির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেছিলেন। অভিনেতা বলেন, দেশের মানুষ খুব ভালো এবং ভারতে শান্তি থাকা উচিত। তাঁর কথায়, এখন দেশে আগের মতো শান্তি অনুভব করেন না তিনি।

সঞ্জয় আরও বলেন, ভারতীয়রা বড় মনের এবং অতিথিপরায়ণ। দেশ অনেক কিছু দিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও একইভাবে ভালো থাকার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি শিবের কাছে প্রার্থনা করেন, যাতে সেই পুরনো শান্তির দিনগুলি দ্রুত ফিরে আসে।

এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়েও রসিকতার ছলে মন্তব্য করেছিলেন সঞ্জয়। তাঁর এই বক্তব্যই পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। তবে অভিনেতার দাবি, পুরো কথোপকথনটি ছিল নির্দিষ্ট একটি স্ক্রিপ্টেড ও হাস্যরসাত্মক প্রেক্ষাপটে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More