Actor Death: ভোটের ফল নিয়ে উত্তেজনা, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল অভিনেতার, গুরুতর জখম স্ত্রী!
মালয়ালম অভিনেতা সন্তোষ নায়ারের মৃত্যু হল সড়ক দুর্ঘটনায়। গাড়িতে সজোরে ধাক্কা মারে লরি। প্রাণ হারালেন অভিনেতা, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন স্ত্রী।
মঙ্গলবার ভোরে কেরলের পত্তনমতিট্টার এনাথে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা সন্তোষ নায়ার। পুলিশ সূত্রে খবর, ভোর সাড়ে ৬টা নাগাদ সন্তোষের গাড়িটি একটি লরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। লরির ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় তাঁর গাড়িটি।

কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?
পিটিআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্তোষ নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন। সংঘর্ষের জেরে তিনি অভ্যন্তরীণভাবে মারাত্মক চোট পান। তাঁর স্ত্রী শুভশ্রীর পাঁজরের হাড় ভেঙে গিয়েছে। দুজনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বিকেলের দিকে চিকিৎসকরা সন্তোষকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দম্পতির রাজশ্রী এস নায়ার নামে এক কন্যা রয়েছে, তবে দুর্ঘটনার সময় তিনি গাড়িতে ছিলেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।
বর্ণময় কেরিয়ারের ইতি:
১৯৮২ সালে ‘ইথু ন্যাঙ্গালুদে কথা’ ছবির মাধ্যমে রূপালি পর্দায় অভিষেক হয়েছিল তাঁর। দীর্ঘ চার দশকের কেরিয়ারে ১০০-র বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। খলনায়ক থেকে শুরু করে পার্শ্বচরিত্র— সব ধরনের রোলেই নিজের দক্ষতার ছাপ রেখেছেন সন্তোষ। পৃথ্বীরাজ সুকুমারন অভিনীত ‘খাকি’ বা মোহনলালের সঙ্গে ‘নাত্তুরাজাভ্যু’ ছবিতে তাঁর কাজ আজও দর্শকদের মনে আছে। এছাড়াও ‘রানওয়ে’, ‘দ্য টাইগার’-এর মতো জনপ্রিয় ছবিতে তিনি ছিলেন পরিচিত মুখ।
শেষ ছবি যখন পর্দায়:
পরিহাসের বিষয় হলো, বর্তমানে তাঁর অভিনীত শেষ ছবি ‘মোহিনীআট্টম’ সিনেমা হলে সগৌরবে চলছে। আগামী ৮ মে ছবিটি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়ার কথা। কিন্তু সেই ডিজিটাল মুক্তি আর দেখে যেতে পারলেন না অভিনেতা।
পারিবারিক পরিচয়:
তিরুবনন্তপুরমে এক শিক্ষিত পরিবারে বড় হয়ে ওঠা সন্তোষের বাবা ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং মা ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। বাবা-মা কর্মসূত্রে ইথিওপিয়ায় থাকায় দাদু-ঠাকুমার কাছেই বড় হয়েছিলেন তিনি।
মালয়ালম চলচ্চিত্র জগত আজ এক দক্ষ ও নিরহঙ্কার অভিনেতাকে হারাল। তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ ভারতের বহু তারকা ও অনুরাগী।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


