Sara-Orry: ‘একটা মেয়েকে চেয়ার থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়’, সারার ‘ভয়ঙ্কর আচরণ’ নিয়ে বিস্ফোরক ওরি

সা সারা এবং ওরির বন্ধুত্ব এতটাই গভীর ছিল যে দুজনকে প্রায়শই একসাথে দেখা যেত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে সমীকরণ। সারাকে নিয়ে ভয়ঙ্কর দাবি এই সোশ্যাল মিডিয়া পার্সোনালিটির। 

Published on: Sep 10, 2026, 11:30:18 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বলিউড তারকাদের 'একান্ত বিশ্বস্ত' বন্ধু হিসেবে পরিচিত ওরহান অবত্রামণি ওরফে ওরি। অভিনেত্রী সারা আলি খানের সঙ্গেও তাঁর বন্ধুত্বের সম্পর্ক একসময় ছিল বেশ পোক্ত। তবে সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সেই বন্ধুত্ব ভাঙার পেছনের এক চাঞ্চল্যকর কারণ প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি।

‘একটা মেয়েকে চেয়ার থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়’, সারার ‘ভয়ঙ্কর আচরণ’ নিয়ে বিস্ফোরক ওরি
‘একটা মেয়েকে চেয়ার থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়’, সারার ‘ভয়ঙ্কর আচরণ’ নিয়ে বিস্ফোরক ওরি

পিঙ্কভিলাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ওরি জানান, এক পার্টিতে সারা ও তিনি বসার জায়গা খুঁজছিলেন। তখন একটি মেয়েকে চেয়ারে বসে থাকতে দেখে সারা তাঁকে হঠাৎ চেয়ার থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন, যাতে তাঁরা দুজন সেখানে বসতে পারেন। কিন্তু পরিস্থিতি যখন অনাকাঙ্ক্ষিত দিকে মোড় নেয়, তখন পুরো দোষ এসে পড়ে ওরির ঘাড়ে। সারা তখন ততদিনে বেশ জনপ্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন, তাই তিনি অনায়াসে বেঁচে যান এবং ওরিকে সেই কাজের খেসারত দিতে হয়, যা তিনি আদতে করেননি।

এই ঘটনার পর থেকেই দুজনের সম্পর্কে চিড় ধরতে শুরু করে। এক সময়ের এই কাছের দুই বন্ধু একে অপরকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আনফলো করে দেন এবং একসঙ্গে প্রকাশ্যে আসাও বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনাচক্রে, গত জানুয়ারি ২০২৬-এ ওরি ইনস্টাগ্রামে একটি রিল পোস্ট করেছিলেন—যেখানে সারা আলি খান, তাঁর মা অমৃতা সিং এবং পালক তিওয়ারির নাম উল্লেখ করে তাঁদের কটাক্ষ করা হয় (যা পরে তিনি মুছে দেন)। ওরি এমনকি অমৃতা সিংকে ঘিরে কাটানো সময়কে নিজের ক্যারিয়ারের ‘সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়’ বলেও মন্তব্য করেন।

যদিও ওরি বরাবরই এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন, তবে সারা আলি খান কিংবা তাঁর ভাই ইব্রাহিম আলি খান এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নীরবতাই বজায় রেখেছেন।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More