‘সিঙ্গেল মাদারের কাছে বড় হয়েছি…’! কেরিয়ারে কোনো সুপারিশই করেননি বাবা, নেপো বিতর্কে জল ঢাললেন সারা
বলিউডে তারকা-সন্তানদের সুযোগ পাওয়া নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন সইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের মেয়ে সারা আলি খান। জানালেন, তাঁর কেরিয়ার গড়তে বাবা কখনও কারও কাছে তাঁর কাজের সুপারিশ করেননি।
স্টার কিডদের সবসময়ই স্বজনপ্রীতি (নেপোটিজম) নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। এটি এমন একটি বিষয়, যা নিয়ে বহু বছর ধরে বিতর্ক চলছে। এবার সাইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের মেয়ে সারা আলি খান নেপোটিজম নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জানান, কীভাবে তাঁর বাবা কখনও কারও কাছে তাঁর জন্য কাজ চেয়ে সুপারিশ করেননি। তিনি বলেন, আমাদের সুবিধাগুলোকে (প্রিভিলেজ) অতিরিক্ত না দেখিয়ে এটাও ভাবা উচিত যে, কেরিয়ার গড়তে আমরা কতটা পরিশ্রম করি।

নেপোটিজম নিয়ে সারা কী বললেন
ফিল্মফেয়ারের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সারা বলেন, তাঁদের পরিবারের ঐতিহ্যের সুবিধা ও অসুবিধা দুটোই আছে। সারা স্বীকার করেন, এর ফলে তাঁর জন্য রাস্তা সহজ হয়েছে, যার কারণে অভিনেত্রী হওয়ার আগেই তিনি সুযোগ, পরিচিতি ও পরিচিতির খ্যাতি পেয়ে গেছেন। তবে এর পাশাপাশি মানুষের প্রত্যাশাও অনেক বেশি থাকে।
সারা আরও বলেন, তিনি, জাহ্নবী কাপুর এবং অনন্যা পান্ডে নিজেরা এই পরিবার বেছে নেননি; তাঁদের শুধু জন্ম হয়েছে এবং এটা ভাগ্যের বিষয়। তিনি এটাও মানেন যে, এর থেকে তাঁরা সুবিধাও পান—যার মধ্যে রয়েছে ডেবিউ করার সুযোগ, যা বহু নতুন মুখ আশা করেন।
আট বছর পরেও কি দিতে হবে প্রিভিলেজের ব্যাখ্যা?
ইন্ডাস্ট্রিতে প্রায় আট বছর কাটিয়ে দেওয়ার পর নিজের পারিবারিক পরিচিতি নিয়ে বারবার ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন না সারা। তাঁর বক্তব্য, তারকা পরিবারের সন্তান হওয়ার কারণে পাওয়া সুবিধা নিয়ে আলোচনা হতেই পারে। কিন্তু সেই আলোচনায় তাঁদের ব্যক্তিগত পরিশ্রম এবং কেরিয়ার গড়ার প্রচেষ্টাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
ইন্ডাস্ট্রিতে ৮ বছর কাটানোর পর আর ব্যাখ্যা দেওয়ার দরকার নেই
সারা আরও যোগ করেন, ইন্ডাস্ট্রিতে ৮ বছর কাটানোর পর নিজের সুবিধা বা প্রিভিলেজ নিয়ে আর ঘন ঘন ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন থাকা উচিত নয়।
বাবা কখনও কারও কাছে সুপারিশ করেননি
নিজের পথচলা নিয়ে সারা বলেন, 'আমি সিঙ্গেল মাদার-এর সঙ্গে বড় হয়েছি। আমার কাছে এমন কোনও বাবা ছিলেন না যিনি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে বেড়াতেন, আমার চুক্তি বা কনট্র্যাক্ট দেখতেন কিংবা লোকেদের কাছে আমাকে ছবিতে নেওয়ার জন্য অনুনয়-বিনয় করতেন। যখন কেদারনাথ ছবির সময় জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তখন আমাকে একাই সব সামলাতে হয়েছিল, কারণ ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কোনও গডফাদার ছিল না।'
সারার নতুন ছবি
সারার ছবি 'উড়তা তীর' সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে। ছবিটিতে সারার সঙ্গে প্রধান চরিত্রে রয়েছেন আয়ুষ্মান খুরানা। 'উড়তা তীর' মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। এর আগে এ বছরেই মুক্তি পাওয়া 'পতি, পত্নী অউর ও ২' ছবিতে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। এই ছবিতে সারার সঙ্গে প্রধান ভূমিকায় ছিলেন আয়ুষ্মান খুরানা, রকুল প্রীত সিং ও ওয়ামিকা গাব্বি।
খবর রয়েছে যে সারাকে 'গোলমাল ৫' ছবিতেও দেখা যেতে পারে। রোহিত শেট্টি পরিচালিত এই ছবিতে অজয় দেবগন, অক্ষয় কুমার, শরমন জোশী, শ্রেয়স তলপড়ে, তুষার কাপুর ও কুণাল খেমু প্রধান চরিত্রে রয়েছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


