Soumya-Aditi: ‘আবার তোকে হারতে দেখে…’, সারেগামাপা-তে হারিয়েছিলেন অদিতিকে, ভোটের ফলে খুশি সৌম্য

১১ বছর আগে গানের মঞ্চে অদিতিকে হারিয়ে ‘সারেগামাপা’-র মুকুট জিতেছিলেন তিনি। আর আজ, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফলের দিনে যেন সেই ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি দেখছেন গায়ক সৌম্য চক্রবর্তী। রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অদিতি মুন্সীর পিছিয়ে পড়ার খবরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক সৌম্য।

Published on: May 4, 2026, 15:53:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রিয়ালিটি শো-র সেই পুরনো দ্বৈরথ কি তবে আজও অমলিন? ২০১৫ সালের সারেগামাপা জয়ী সৌম্য চক্রবর্তীর ফেসবুক পোস্ট অন্তত তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। নাম না নিলেও তাঁর নিশানায় যে সরাসরি রাজারহাট-গোপালপুরের বিদায়ী বিধায়ক অদিতি মুন্সী, তা স্পষ্ট। সৌম্য লিখেছেন, ‘২০১৫-য় সারেগামাপা-তে জিতে হেব্বি আনন্দ পেয়েছিলাম, ২০২৬-এ আবার তোকে হারতে দেখে ভালো লাগল!’

‘আবার তোকে হারতে দেখে…’, সারেগামাপা-তে হারিয়েছিলেন অদিতিকে, ভোটের ফলে খুশি সৌম্য
‘আবার তোকে হারতে দেখে…’, সারেগামাপা-তে হারিয়েছিলেন অদিতিকে, ভোটের ফলে খুশি সৌম্য

রাজারহাটে অদিতির ‘বিপত্তি’:

ভোট গণনার সাম্প্রতিক চিত্র বলছে, নিজের কেন্দ্রে বেশ কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়েছেন অদিতি। বিজেপির তরুণ তুর্কী প্রার্থী তরুণজ্যোতি তিওয়ারির কাছে সপ্তম রাউন্ড শেষে ১৫,০১৬ ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন তিনি (বিকাল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত)। মোট ১৪ রাউন্ড গণনার অর্ধেক পথ পেরোতেই এই বড় ব্যবধান তৃণমূল শিবিরের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

পুরনো হিসাব নিকেশ:

২০১৫ সালের সারেগামাপা-র ফাইনালে সৌম্য ও অদিতির রেষারেষি ছিল আকাশছোঁয়া। শেষ হাসি হেসেছিলেন বাঁকুড়ার সৌম্য। তার ঠিক ১১ বছর পর, অদিতির রাজনৈতিক হারের সম্ভাবনায় সৌম্যর এই ‘ব্যক্তিগত’ আক্রমণ টলিপাড়া ও রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সৌম্যর পোস্টে ব্যবহৃত ‘তোকে’ সম্বোধন নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুললেও, গায়ক যেন নিজের জয় আর অদিতির সম্ভাব্য পরাজয়কে একই সুতোয় গেঁথে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

এখানেই থামেননি সৌম্য়। পোস্টের কমেন্ট বক্সে তিনি লেখেন, ‘কতো চাটুকারকে দেখলাম আমাদেরই ব‍্যাচের …. পারলে ওটাও চেটে দেয়….. দোতারা কিবোর্ড ঢোল নিয়ে ……. হা হা হা , বাব্বাহ, নীল বাতির নাটক ….. বাপরে বাপ , কি জ্বালা ….. পারলে এবার বাইরে বেরো !!!!!! চোর কোথাকার’। সৌম্যর ভক্তরাও অদিতিকে নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। অনেকে লেখেন, ‘উনি তো আবার কিছুই জানেন না, সবই ওঁনার বর জানেন’। পালটা সৌম্য লেখেন, ‘আর সারেগামাপা-তে জানতো অভিজিৎ সেন’। প্রসঙ্গত, শো-এর ডিরেক্টর ছিলেন অভিজিৎ।

তরুণজ্যোতির উত্থান:

বিজেপির আইনজীবী প্রার্থী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি প্রথম থেকেই রাজারহাট-গোপালপুরে কড়া টক্কর দিচ্ছিলেন। গণনার শুরু থেকে তাঁর এই আধিপত্য যদি শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তবে তা হবে অদিতির রাজনৈতিক কেরিয়ারে এক বড় ধাক্কা।

সপ্তম রাউন্ডের পর এখনও সাত রাউন্ড গণনা বাকি। ফলাফল শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়াবে তা সময় বলবে, কিন্তু সৌম্যর এই পোস্ট বুঝিয়ে দিল— গানের মঞ্চের সেই হার-জিতের রেশ রাজনীতির পিচেও আজও একইরকম টাটকা।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More