সারেগামাপায় অদিতি মুন্সির এত ‘কেচ্ছা’! বিস্ফোরক সৌম্য, ‘একসময় ওর বাড়িতে…’

সৌম্য একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলছেন অদতি মুন্সির নামে। তাঁর মতে অদিতি এক ব্যক্তিকে ‘ব্যবহার করে’ সারেগামাপা-তে আসে, তারপর ‘সুবিধা পেতে’ প্রেম করেন সারেগামাপা-র এক স্ক্রিপ্ট রাইটারের সঙ্গে। এরপর সারেগামাপা ‘শেষ হতে না হতেই’, তৎকালীন তৃণমূলের দুঁদে নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীকে বিয়ে করে নেন।

Published on: Jul 4, 2026, 11:30:23 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

'সারেগামাপা ২০১৫' জিতে নেন সৌম্য চক্রবর্তী, হন চ্যাম্পিয়ন অফ দ্য চ্যাম্পিয়ন। আর এই সিজনে নজর কেড়েছিলেন কীর্তন গায়িকা অদিতি মুন্সি। এর আগেও একাধিকবার অদিতি-র বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন সৌম্য। এবার একাধিক সাক্ষাৎকারে করে চলেছেন একের পর এক বিস্ফোরক সব মন্তব্য। তাঁর দাবি, অদিতি মুন্সি এক ব্যক্তিকে ‘ব্যবহার করে’ সারেগামাপা-তে আসে, তারপর ‘সুবিধা পেতে’ প্রেম করেন সারেগামাপা-র এক স্ক্রিপ্ট রাইটারের সঙ্গে। এরপর সারেগামাপা ‘শেষ হতে না হতেই’, তৎকালীন তৃণমূলের দুঁদে নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীকে বিয়ে করে নেন।

অদিতিকে নিয়ে কী বললেন সৌম্য?
অদিতিকে নিয়ে কী বললেন সৌম্য?

সৌম্যর দাবি, ‘আমার ওকে দেখলে মনে হয় ওর মধ্যে ডিগনিটির প্রচণ্ড অভাব রয়েছে। কুঞ্জ সাজাও গো আর রাই জাগো ছাড়া আরও অনেক গান আছে। আমার মনে হয় যত জলদি সম্ভব ওর গানে ফেরা উচিত। একজন গায়ক কখনো পলিটিশিয়ান হতে পারে না, ওর এটা আগেই বোঝা উচিত ছিল। আমার মনে হয় ও ভুল জায়গায় পা গলিয়েছে। আমার ওর জন্য খারাপই লাগে।’

এখানেই থেমে না থেকে সৌম্যর দাবি, ‘যে খেতে পেত না, যার বাড়িতে চাল থাকত না। তার বাড়িতে ১০০ কোটি টাকা। সেই টাকা সুস্থ উপায়ে অর্জন করলে তাও কথা ছিল! ওর নিঃসার্থভাবে ক্ষমা চাওয়া উচিত। অন্তত একজন তো ফের শিল্পে ফিরুক।’ অদিতির গানের উচ্চারণ থেকে শুরু করে কীর্তন গাওয়ার ক্ষমতা নিয়েও সৌম্য প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকী, সৌম্যর ইশারা ২০১৫-১৬ সালে দেবশ্রীকে প্রথম এলিমিনেট করা হয়েছিল সারেগামাপা থেকে, অভিযোগ তোলা হয়েছিল ‘সাইকো-কামড়ে দেন’। কিন্তু সেই দেবশ্রী অনেক ভালো গান করতেন অদিতি-র থেকে। কিন্তু নিজের ‘যোগাযোগ’ কাজে লাগিয়ে সারেগামাপা-য় থেকে গিয়েছিলেন অদিতি। বেশিরভাগ প্রোমোয় থাকত অদিতির মুখ। এমনকী, গ্র্যান্ড ফিনালেতে সৌম্যর পরিবার মাত্র ৩টি পাস পেলেও প্রভাব খাটিয়ে অদিতি ২২টি পাস পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

যদিও অদিতি মুন্সিকে নিয়ে যেভাবে একের পর এক বোমা ফাটিয়ে চলেছেন, তা নিয়ে বিভিন্ন মতভেদ প্রকাশ করেছেন সারেগামাপা-র সহ-প্রতিযোগীরা। দীপন মিত্র বলেন, ‘এই অভিযোগ যদি সত্যি হয় তাহলে তো সৌম্য চক্রবর্তী চ্যম্পিয়ন হত না৷ অদিতি মুন্সী চ্যাম্পিয়ন হত, কিন্তু অদিতি চ্যাম্পিয়ন হয়নি৷ সেই সিজনে চ্যাম্পিয়ন অফ দ্য চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সৌম্য। আমরা প্রত্যেকে এক একটা গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম৷ আমি ক্ল্যাসিক্যাল, তুলিকা-গঙ্গাধর ফোক, দুর্নিবার লাইট মিউজিক। অদিতি কেবলই ফাইনালিস্ট ছিল।’

অন্য দিকে, দুর্নিবার জানান, সারেগামাপা-তে থাকাকালীন এরকম কিছু চোখে পড়েনি তাঁর। বলেন, ‘প্রত্যক্ষভাবে কাউকে দেখিনি অন্য কোনও রকম প্রভাব খাটিয়ে কিছু করতে৷ আমার চোখের সামনে কেবল আমি এবং আমার গান আর আমার শিক্ষকদের পরামর্শ এটুকুই ছিল আমার কাছে একমাত্র বাস্তব’।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More