‘বাবার পর এই একজনই আছেন... পড়ে গেলে টেনে তুলবেন!’ গুরু রথীজিতের জন্মদিন, চোখ ভেজালেন সারেগামাপার গীতশ্রী
চলতি সিজনে দর্শকদের অন্যতম প্রিয় গায়িকা গীতশ্রী চৌধুরী। সেরা চারে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। জানেন কী তাঁর সঙ্গীতগুরু হলেন খোদ রথীজিৎ ভট্টাচার্য। গুরুর জন্মদিনে এক বুক আবেগ উগরে দিলেন সমাজমাধ্যমে। গীতশ্রীর কাছে তিনি একাধারে ‘বাবা’ এবং ‘ভগবান’।
সুরের লড়াই এখন চূড়ান্ত পর্বে। আর মাত্র কয়েকটা এপিসোড, তারপরই জানা যাবে কার মাথায় উঠছে এই সিজনের জি বাংলা ‘সা রে গা মা পা’-র রাজমুকুট। ট্রফির অন্যতম জোরালো দাবিদার এবং ‘সেরা ৪’-এ নিজের জায়গা পাকা করে নেওয়া গায়িকা গীতশ্রী চৌধুরী। মঞ্চে তাঁর প্রতিটি পারফরম্যান্স যেমন দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে, তেমনই পর্দার পেছনের এক কঠিন ও সুন্দর সম্পর্কের গল্প এবার সামনে আনলেন গায়িকা। তাঁর সঙ্গীতের শিক্ষাগুরু, মেন্টর তথা টলিউডের নামী মিউজিক প্রোডিউসর রথীজিৎ ভট্টাচার্যের জন্মদিনে সমাজমাধ্যমে এক দীর্ঘ, আবেগঘন চিঠিতে মনের সব আগল খুলে দিলেন গীতশ্রী।

‘দিনটা বিশেষ না, খুব বিশেষ!’
রথীজিৎ ভট্টাচার্যের সঙ্গে নিজের একটি মিষ্টি ছবি শেয়ার করে গীতশ্রী লিখেছেন, “দিনটা বিশেষ না, খুব বিশেষ! যে মাথায় হাত রাখার পর বুঝেছিলাম হ্যাঁ, বাবার পর এই একজন আছেন যিনি শতবার হোঁচট খেলে, পড়ে গেলে, জীবনে চরম কঠিন পরিস্থিতি আসলে ঠিক ভরসার হাত বাড়িয়ে টেনে তুলবেন...”
বিনোদন দুনিয়ার ইঁদুরদৌড় আর মানসিক চাপের মাঝে একজন মেন্টর কীভাবে গাইড বা অভিভাবক হয়ে উঠতে পারেন, গীতশ্রীর এই কথাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। গুরু রথীজিতের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করে তিনি আরও যোগ করেন, “যিনি থাকতে আমাকে খারাপ কিচ্ছু স্পর্শই করতে পারবেনা আজ সেই মানুষটার জন্মদিন.. শুভ জন্মদিন গুরুজি... প্রণাম নিও।”
‘ছায়ায় রেখো গুরুজি’:
সারেগামাপা-র এই জার্নিতে রথীজিৎ ভট্টাচার্যের অবদান গীতশ্রীর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। প্রতিযোগিতার কঠিনতম মুহূর্তেও রথীজিতের দেওয়া সাহসই গীতশ্রীকে সেরা চারে পৌঁছে দিয়েছে। গুরুর জন্মদিনে তাই গায়িকার একমাত্র প্রার্থনা, “দিনটা বার বার ফিরুক... এমনভাবেই তোমার হাত মাথায় রেখে সাহস দিও, ছায়ায় রেখো।”
গীতশ্রীর এই পোস্টটি সামনে আসতেই সারেগামাপা-র অন্যান্য প্রতিযোগী থেকে শুরু করে সঙ্গীত দুনিয়ার অনেকেই রথীজিৎ ভট্টাচার্যকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনুরাগীরা বলছেন, যে গায়িকার পেছনে এমন একজন গুরু বা ‘ভরসার হাত’ বটবৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে থাকেন, তাঁর জয় তো নিশ্চিত। এখন দেখার, গুরুর এই আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে গীতশ্রী ট্রফি জয়ের শেষ হাসি হাসতে পারেন কিনা!
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


