Sayak Chakraborty: মাকে নিয়ে বিদেশ থেকে ফিরতেই সর্বনাশ! বাড়ির এই সদস্যের মৃত্যুর খবর দিলেন সায়ক
২০২৬ সালটা কটাক্ষ, ট্রোলের ঘেরাটোপে সায়ক। মাঝে কিছুট স্বস্তি পেতে মা-কে নিয়ে বিদেশেও গিয়েছিলেন। তবে সেখান থেকে ফিরতে না ফিরতেই বড় দুর্ঘটনা বাড়িতে। হারালেন এই প্রিয় সদস্যকে।
বিগত কয়েকমাস ধরে ক্রমাগত সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে অভিনেতা, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তীকে। তবে এসবের মাঝেই প্রিয়জনকে হারানোর যন্ত্রণায় জর্জরিত হলেন তিনি। নিজের সবচেয়ে কাছের মানুষকে হারালেন।

সায়ক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, ‘অপমান, দুঃখ, কষ্ট, কান্না, খুব আনন্দ আমার আর কিছুই বোধ হয় না। ২০২৬-এ এতটাই সহ্য করেছি আমি। এই ৪ মাস আমায় এমন করে দিয়েছে। ধরো খুব কান্না পাচ্ছে, কিন্তু আমি কাঁদতে পাচ্ছি না, ধরো খুব ভয় লাগছে আমি ভয় পেতে পাচ্ছি না, ধরো খুব আনন্দ হচ্ছে আমি আনন্দ পেতে পাচ্ছি না।’
‘কেউ আমার কাছে এসে তার কষ্টের কথা বললে আমিও হাউ হাউ করে কেঁদে দিতাম, কিন্তু এখন আর কোনো অনুভূতি কাজ করেনা! যাকে কোলে করে, নিজের হাতে বাড়িতে এনেছিলাম আজ তার কবরে মাটি দিয়েছি, নিজের হাতে, আমি পাথর হয়ে গেছি…’, আরও লিখলেন সায়ক তাঁর পোস্টে।
সায়ক সরাসরি উল্লেখ না করলেও, তাঁর পোষ্য সারমেয় প্লু-র চলে যাওয়ার খবর দিয়েছেন তিনি, তা বুঝতে সমস্যা হয়নি। তাঁর প্রায় সব ভিডিয়োতেই দেখা মিলল এই ধবধবে সাদা পোষ্যটির। নিজের ‘ভাই’ বলতেন সায়ক প্লুকে। ছোট বাচ্চার মতোই দেখভাল করতেন। সায়ককে সান্তনা দিয়ে এক নেটিজেন মন্তব্য করেন, ‘প্রকৃতির নিয়মের থেকে আমরা কেউ বেরোতে পারব না। ধীরে ধীরে সব ওভারকাম করবে। তোমার বাড়ির ভিডিয়োতে প্লু কে আর ঘোরাঘুরি করতে দেখব না, এটা ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে।’ আরেকজন লেখেন, ‘শরীর খারাপ হয়েছিল শুনেছিলাম। খুব খারাপ লাগছে এটা শুনে।’
কদিন আগেই মা-কে নিয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে ঘুরে এসেছেন সায়ক। যদিও কটাক্ষকারীদের মুখ বন্ধ হয়নি। কখনো তাঁর যৌন পরিচয়, কখনো গো মাংস কাণ্ড, বারংবার ঘিরে ধরেছে ট্রোলাররা। তারই মাঝে পরিবারে এমন এক দুর্ঘটনা। যদিও সায়কের ভক্তদের আশ্বাস, খুব জলদিই সব সামলে নিতে পারবেন তিনি।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


